সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৯৫%বাতাস কিমি/ঘ

নড়াইলে বাণিজ্যিকভাবে তৈরি হচ্ছে ভার্মি কম্পোস্ট সার

নড়াইল সদর উপজেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন। উপজেলার গোপালপুর গ্রামের দীপক বিশ্বাস এ উদ্যোগ নিয়েছেন। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে এ সার উৎপাদন করে দীপক বিশ্বাস এখন স্বাবলম্বী। প্রথমে সংরক্ষণের জন্য টিনের চালায় রাখা হয় গোবর। তারপর সেই গোবর হালকা শুকিয়

জৈব

নড়াইল সদর উপজেলায় প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন। উপজেলার গোপালপুর গ্রামের দীপক বিশ্বাস এ উদ্যোগ নিয়েছেন। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে এ সার উৎপাদন করে দীপক বিশ্বাস এখন স্বাবলম্বী। প্রথমে সংরক্ষণের জন্য টিনের চালায় রাখা হয় গোবর। তারপর সেই গোবর হালকা শুকিয়ে রিং বা হাউজে কয়েকদিন রাখার পরই তাতে কেঁচো দিয়ে ৩৫-৪০ দিন রাখার পর উৎপাদিত হয় ভার্মি কম্পোস্ট সার।

দীপক বিশ্বাস চাষাবাদের প্রয়োজনে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে শুরু করেন ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন। বাড়ির আঙিনায় পরিত্যক্ত জায়গায় ছোট পরিসরে শুরু করলেও বর্তমানে চাহিদা থাকায় উৎপাদন করছেন বাণিজ্যিকভাবে। বাড়িতে প্যাকেটজাত করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছেন তিনি। রাসায়নিক সার বর্জন করে তার উৎপাদিত সার শীতকালীন সবজি চাষে ব্যবহার করছেন চাষিরা। ফলে বিষমুক্ত ও সুস্বাদু হচ্ছে সবজি।

দীপক বিশ্বাস বলেন, 'কৃষি অফিসের পরামর্শে আমি কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করি। প্রথম পর্যায়ে কৃষি অফিস আমাকে বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করে। গোবর দিয়ে এই সার উৎপাদনে তেমন কোনো খরচ নেই। এই সার দিয়ে আমি নিজের পুষ্টি বাগানের চাহিদা পূরণ করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করছি। গ্রামের অধিকাংশ লোক এখান থেকে সার নিয়ে শীতকালীন সবজি উৎপাদন করছেন।'

কৃষক পলাশ শেখ জাগো নিউজকে বলেন, 'আমি ২৬ শতক জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ করেছি। এখানে কোনো রাসায়নিক সার দেওয়া হয়নি। অল্প টাকায় দীপকের বাড়ি থেকে জৈব সার কিনে এনে ব্যবহার করছি। সবজির ফলনও ভালো হয়েছে।'

সিংগিয়া গ্রামের হাসিবুর ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, 'ফুলকপি, বাঁধাকপি ও বস্তু পদ্ধতিতে আমি শিম চাষ করেছি। সব ধরনের ফসলে আমি এই কেঁচো সার দিয়েছি। আশা করছি ভালো ফলন হবে।'

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, 'সবজি চাষে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সারের প্রাধান্য দিলে উৎপাদিত সবজি হবে বিষমুক্ত। অপরদিকে মাটির গুণাবলি বৃদ্ধি পাবে। তার এই সার উৎপাদন দেখে স্থানীয় অনেকেই এগিয়ে আসবেন। তার মতো স্বাবলম্বী হবেন।'

হাফিজুল নিলু/এসইউ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

জৈব

সম্পর্কিত খবর

জৈব

ঘাসের বোর্ড বানানো Plantd কারখানার বর্জ্য থেকে বায়োচার বানিয়ে বিক্রি করছে চাষিদের কাছে

নর্থ ক্যারোলাইনার নির্মাণসামগ্রী প্রতিষ্ঠান Plantd, যাদের উদ্বৃত্ত ঘাসের জৈববস্তু সরাতে মাসে ১৩ হাজার ডলার খরচ হচ্ছিল, সেই বর্জ্য থেকে বায়োচার তৈরির একটি পণ্যলাইন চালু করেছে এবং মাটির উন্নয়ন উপকরণ হিসেবে চাষিদের কাছে বিক্রি করছে।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২৭ আগস্ট ২০২৬২ মিনিটের পড়া
জৈব

সিলিকেট পাথরকে এক মৌসুমে গলা কার্বন-শোষক সারে বদলাতে ৫৪ লাখ ডলার তুলল Mafix

Stanford থেকে বেরিয়ে আসা Mafix ৫৪ লাখ ডলারের প্রি-সিড বিনিয়োগ তুলেছে সিমেন্ট চুল্লিতে চুনাপাথরের সঙ্গে সিলিকেট পাথর গরম করে এমন একটি খনিজ বানাতে, যা খেতে এক মৌসুমেই ক্ষয়ে যায়, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে এবং উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য সিলিকন ও ক্ষারত্ব জোগায়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪২০ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

চাকরি না পাওয়ায় কটূক্তি, সুমির খামারে এখন কৃষকের ভিড়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স ডিগ্রিটা ঘরে থাকার পরও রাজিয়া সুলতানা সুমিকে নিয়ে গ্রামে কম হাসাহাসি হয়নি। কেউ বলেছেন, ‌'এত পড়াশোনা করে শেষমেশ কেঁচো চাষ?' কেউ আবার তাচ্ছিল্যের সুরে বলেছেন, 'চাকরি পায়নি, তাই এখন গোবর নিয়ে পড়ে আছে।' আত্মীয়-স্বজনের অনেকেই পরিবারের সামনে প্রশ্ন তুলেছিলেন, ঢাকা বিশ্ব

জাগো নিউজ ২৪১ মে ২০২৬৬ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()