সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

নামজারিতে নতুন নিয়ম: ওয়ারিশের জমিতে আগে যৌথ খতিয়ান

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়মে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমিতে ভাগ-বাটোয়ারা না হলে একই খতিয়ানে সবার নাম যৌথভাবে থাকবে।

বাংলাদেশ

বাংলাদেশে জমির নামজারি বা মিউটেশন প্রক্রিয়ায় কিছু পরিবর্তন এনেছে ভূমি মন্ত্রণালয়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমিতে ভাগ-বাটোয়ারা না হলে কোনো আলাদা খতিয়ান হবে না, বরং একই খতিয়ানে সব ওয়ারিশের নাম যৌথভাবে থাকবে।

যৌথ নামজারির জন্য আলাদা করে কোনো বণ্টননামা দলিলের প্রয়োজন নেই, ওয়ারিশ সনদই যথেষ্ট। তবে জমি ভাগ করে আলাদা খতিয়ান করতে চাইলে বা পৃথকভাবে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে চাইলে নিবন্ধিত আপোষ-বণ্টননামা দলিল থাকতে হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর মাধ্যমে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির ক্ষেত্রে কার্যত 'আগে যৌথ, পরে আলাদা' নীতি চালু হলো।

নামজারি কেন জরুরি, তার ব্যাখ্যা সহজ। জমি কেনা বা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়ার পর কেবল রেজিস্ট্রেশন করলেই কাজ শেষ হয় না; সরকারি রেকর্ড বা খতিয়ান থেকে আগের মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করাকেই নামজারি বলে। নামজারি ছাড়া জমি কেনা-বেচা, দান এমনকি খাজনা দেওয়াও সম্ভব নয়।

নতুন আইনে নামজারি বা খতিয়ান ছাড়া কোনো জমি রেজিস্ট্রি, দান বা হেবা করা যাবে না। ভূমি উন্নয়ন কর দিতে গেলেও নিজের নামে রেকর্ড থাকা প্রয়োজন হয়।

প্রক্রিয়াটি এখন অনলাইনে সারা যায়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল ভূমিসেবা পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করে নির্ধারিত ফি জমা দিলে ২৮ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হয়।

নামজারি না করলে ঝুঁকি কী, সেটিও স্পষ্ট করেছেন বিশেষজ্ঞরা। রেকর্ডে নাম না থাকলে মালিকানার ঝুঁকি তৈরি হয় এবং অবৈধ দখলদার বা অন্য ওয়ারিশ জমির দাবি করতে পারেন।

কৃষি পরিবারের জন্য পরিবর্তনটি সরাসরি কাজে লাগার মতো। উত্তরাধিকারে ভাগ হওয়া খেতজমি নিয়ে বিরোধ গ্রামীণ বাংলাদেশে সাধারণ ঘটনা, আর সরকারি রেকর্ডে প্রকৃত মালিকের নাম নিশ্চিত হলে সেই বিরোধ কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। যৌথ নামজারির বাধ্যবাধকতা ওয়ারিশদের মধ্যে স্বচ্ছতা আনবে এবং নামজারি ছাড়া জমি বিক্রি বন্ধ হওয়ায় অবৈধ দখলও কমবে বলেই বিশেষজ্ঞদের মত।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাদা এগ্রো নিউজ

বাংলাদেশ

সম্পর্কিত খবর

ফসল

মাত্রাছাড়া সার-কীটনাশকে নষ্ট হচ্ছে মাটির স্বাস্থ্য, কৃষককে সতর্ক করার আহ্বান

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

পদ্মার পানি নামছে, দৌলতপুরে শুরু হয়েছে খাওয়ার পানির সংকট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে তিন দিনে পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমলেও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি, আর হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

মণপ্রতি ৭০০ টাকাতেও ক্রেতা নেই, গোলাভরা ধান নিয়ে বিপাকে হাওরের কৃষক

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের প্রায় চার লাখ কৃষক ধানের দাম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন; গত বছরের তুলনায় মণপ্রতি দর নেমেছে কয়েকশ টাকা।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()