সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৪%বাতাস ১১ কিমি/ঘ

বাংলাদেশির তত্ত্বাবধানে কাতার সবুজায়নে বহুমুখী উদ্যোগ

এই তো সেদিন রাশিয়ায় বিশ্বকাপ ফুটবলের পর্দা নামল। বলা যায়, বিশ্বকাপ জ্বর এখনো রয়েই গেছে ফুটবলমোদীদের কাছে। এবারের বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই ২০২২-এর বিশ্বকাপ যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। সবার দৃষ্টি এখন মধ্যপ্রাচ্যের ধনী রাষ্ট্র কাতারের দিকে। মরুময় দেশটিতে ফুটবলের বিশ্ব উৎসবের মহাযজ্ঞ, তাই দেশটি সেজে

এই তো সেদিন রাশিয়ায় বিশ্বকাপ ফুটবলের পর্দা নামল। বলা যায়, বিশ্বকাপ জ্বর এখনো রয়েই গেছে ফুটবলমোদীদের কাছে। এবারের বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই ২০২২-এর বিশ্বকাপ যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। সবার দৃষ্টি এখন মধ্যপ্রাচ্যের ধনী রাষ্ট্র কাতারের দিকে। মরুময় দেশটিতে ফুটবলের বিশ্ব উৎসবের মহাযজ্ঞ, তাই দেশটি সেজে উঠছে সব দিক থেকে। বিত্ত-বৈভব আর চাকচিক্যে তাদের কোনো কমতি নেই। যেটুকু সংকট আছে, তা শুধু সবুজের। আর এই সবুজের শোভা বাড়াতে সরকারি, বেসরকারি সব পক্ষ থেকেই চলছে নানামুখী তোড়জোড়। এর অংশ হিসেবেই উদ্যোক্তারা গড়ে তুলেছেন সমৃদ্ধ নার্সারি। ভিতরে-বাইরে সবুজের সমৃদ্ধি বাড়াতে নার্সারিগুলোর রয়েছে নানা আয়োজন। বলা যায় এই বাণিজ্য এখন রমরমা।

পারস্য উপসাগরের মরুময় দেশ কাতার। দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার ছোট্ট এই দেশটির দক্ষিণে সৌদি আরব এবং পশ্চিমে দ্বীপরাষ্ট্র বাহরাইন। এখানে প্রাকৃতিক কোনো জলাশয় নেই এবং প্রাণী ও উদ্ভিদের সংখ্যাও যৎসামান্য। বেশির ভাগ লোক শহরে, বিশেষত রাজধানী দোহায় বাস করে। দেশটিতে খনিজ তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় মজুদ আছে। এই প্রাকৃতিক সম্পদের কারণেই দেশটির অর্থনীতি অত্যন্ত সমৃদ্ধ। উনিশ শতকের শেষ ভাগ থেকে এটি আমির-শাসিত ভূখণ্ড। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে দেশটি ব্রিটিশ শাসনের অধীনে আসে। ১৯৭১ সালে কাতার পরিপূর্ণভাবে উপনিবেশমুক্ত হয়। গত শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্তও এটি একটি তুলনামূলক দরিদ্র দেশ ছিল। ওই সময় দেশটিতে পেট্রলিয়ামের মজুদ আবিষ্কৃত হয় এবং উত্তোলন শুরু হয়। বর্তমানে মাথাপিছু আয়ের হিসাবে কাতার বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর একটি।

কাতারের আয়তন ১১ হাজার ৪৩৭ বর্গ কিলোমিটার। বাংলাদেশের প্রায় ১৪ ভাগের ১ ভাগ, ছোট্ট দেশটিতে বসবাসরত জনগোষ্ঠীর সিংহভাগই ভিনদেশি। ১৯৬০ সালে কাতারে বাস করত মাত্র ৭০ হাজার মানুষ। ১৯৯০ সালে সে সংখ্যাটি দাঁড়ায় ৫ লাখে। ২০০১ সালে তা পৌঁছে ৯ লাখে। আর বর্তমানের হিসাবে কাতারের লোকসংখ্যা ২৬ লাখের ওপরে। এর ৯০ ভাগই বিদেশি প্রবাসী। কাতারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও পরিসংখ্যান মন্ত্রণালয়ের (এমডিপিএস) হিসাবে ৮৭টি দেশের নাগরিকদের বসবাস রয়েছে কাতারে। জনসংখ্যার দিক দিয়ে কাতারে প্রথম অবস্থানে রয়েছে ভারতীয়রা। ভারতীয়রা সংখ্যায় সাড়ে ৬ লাখ, যা সেখানকার মোট জনসংখ্যার ২৫ শতাংশ। এর পরের স্থান নেপালের। কাতারের প্রায় সাড়ে ৩ লাখ নেপালি। কাতারে বাংলাদেশি রয়েছেন দেশটির মোট জনসংখ্যার ১০ দশমিক ৮ শতাংশ। আর কাতারের স্থানীয় জনগণ মোট বসবাসকারীর মাত্র ১২ দশমিক ১ শতাংশ, সংখ্যায় যা ৩ লাখ ১৩ হাজার।

‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’-এর বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখিয়েছি কাতারের কৃষি কার্যক্রম। ধূসর মরুভূমি প্রযুক্তির কল্যাণে এবং শ্রমে হয়ে উঠছে গাছে গাছে সবুজ আর ফুলে-ফলে বর্ণিল। সেখানে বাংলাদেশি শ্রমিকদের অবদানও কম নয়। এ দেশের কৃষি দক্ষতা ও অভিজ্ঞতায় বদলে যাচ্ছে। সেখানে এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে অর্গানিক ফার্মিং। কাতারে গড়ে উঠেছে বিশাল সব নার্সারি। কাতারের উম সালাল আলীর ‘প্লাজা হলান্ডি’ নামে এক নার্সারিতে দেখা পেয়েছি বাংলাদেশি এক তরুণের। তার কৃষিবিপ্লবের গল্পই আজ আপনাদের শোনাতে চাই পাঠক। বালু-কাঁকরময় মরুভূমিতে বিশাল আয়তনের ‘প্লাজা হলান্ডি’ নার্সারিতে গেলে বোঝা যায় উদ্ভিদের জন্য মাটিই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই মাটির বিকল্প হিসেবে পিটমস থেকে শুরু করে বিভিন্ন উপকরণের সমাবেশ ঘটানো হয়। বেশির ভাগ উপাদানই আসে হল্যান্ড, জার্মানি, ইতালি থেকে। নার্সারির গাছগুলো দেখে অবাক হতে হয়। বিশাল আকারের একেকটি গাছ। ধরনটি বনসাইয়ের। অর্থাৎ পরিকল্পিতভাবে গাছগুলোকে ঝাঁকড়া করা হয়েছে। ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী ঘরের ভিতরে অথবা বাইরের উপযোগিতাকে গুরুত্ব দিয়েই গাছগুলোর চাষ হয়। সেখানকার যতরকম উদ্ভিদ রয়েছে সবই বাইরে থেকে আনা। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে সৌন্দর্যবর্ধনের গাছ এনে সমাবেশ ঘটানো হয়েছে। কী নেই? বাড়ির আঙিনার ভিতরে অথবা ঘরের ভিতরে কিংবা বাইরের প্রাঙ্গণে বাঁশবাগান গড়ে তুলতেও যদি কাতারে কেউ চায়, সে ব্যবস্থাও রয়েছে। দৃষ্টিনন্দন আর সৌন্দর্যময় নানা রকমের গাছ। এই বিশাল আয়োজনের মালিকানা নেদারল্যান্ডসের উদ্যোক্তা সত্তর বছর বয়সী হ্যান্স হলেও এর পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান বাংলাদেশি এক তরুণের। নাম আবদুল করীম। ১৯৯৯ সালে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার আবদুল করীম ভাগ্যের সন্ধানে কাতারে যান। শ্রম, নিষ্ঠা আর সততা অতিসাধারণ এক তরুণকে সফল ব্যবসায়ী ও ব্যবস্থাপকে পরিণত করে। আবদুল করীম প্লাজা হলান্ডিয়া নামের এই বিশাল নার্সারির ব্যবস্থাপক ও অংশীদার।

প্লাজা হলান্ডিয়ায় কাজ চলে অনেকটা শিল্পকারখানার মতো। কর্মীদের বড় অংশটিই প্রবাসী বাংলাদেশি। যারা সবাই কৃষিতে বেশ দক্ষ। নার্সারিতে গাছের পরিচর্যার নানা নিয়ম ও কৌশল রয়েছে। নির্দিষ্ট আকারে গাছ তৈরি করার জন্য শুরু থেকেই অনেক নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। ঘুরে দেখলাম পুরোটা নার্সারি। ৩৫টি দেশ থেকে আনা নানা প্রজাতির ফুলের গাছ, অর্নামেন্ট গাছে ভরা এক বিশাল ক্ষেত্র। আবদুল করীম জানাল দেশটির ৩০ ভাগ চাহিদা পূরণ করছে এই নার্সারিটি। এমনকি প্রতিদিন রাজপরিবারে ফুলের চাহিদা মেটাচ্ছে তারা। আছে বিশাল আকারের কিছু গাছ। বিশাল আকারের বনসাই মূলত কাতারের বড় বড় ভবনের ভিতরে, প্রবেশ দরজায় কিংবা বিনোদন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

আমাদের দেশেও এয়ারপোর্টের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য এ গাছগুলো রোপণ করা হয়েছে। দেশি বৃক্ষ সম্পদের বিপুল প্রাচুর্য থাকার পরও বাইরে থেকে সৌন্দর্যবর্ধনের ওই বৃক্ষের সমাবেশ ঘটানোর বিষয়টি নিয়ে বেশ আপত্তি ওঠে। যা হোক, এখানে রয়েছে দুর্লভ ও আকর্ষণীয় ফুল গাছের সংগ্রহ। বিশাল উদ্ভিদরাজির পরিচর্যা ও রোগবালাই দমন কীভাবে হয় তা জানার ইচ্ছা ছিল। নার্সারির ভিতর হঠাৎই চোখে পড়ল নভোচারীর মতো পোশাকের কয়েকজন কর্মী। করীম জানাল, ওরাই নিয়োজিত গাছের কীট, আগাছা, ছত্রাক, রোগবালাই নাশক প্রয়োগের জন্য। আর নভোচারীর পোশাক তাদের নিজেদের সুরক্ষার জন্য। যারা বড় পরিধির বাগানে কীটনাশক প্রয়োগ করেন তাদের জন্য এই সুরক্ষা হতে পারে অনুসরণীয়।

আবদুল করীম বলছিল, এখানে গাছপালা, নার্সারির বিশাল বাণিজ্যিক উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশ চাইলেই যুক্ত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে রয়েছে বিপুল সম্ভাবনা। সত্যিই অবাক হতে হয়, কাতারে এমন কিছু জিনিসপত্র বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে, তা অনায়াসেই বাংলাদেশের উৎপাদকরা সরবরাহ করতে পারেন। বড় বড় প্লাস্টিক টব থেকে শুরু করে ছাদকৃষি, আঙিনা-কৃষি কিংবা ঘরবাড়িকে গাছ, লতাপাতা দিয়ে সাজানোর নানা উপাদান রয়েছে যেগুলো বাংলাদেশ অনেক কম দামেই সরবরাহ করতে পারে।

প্লাজা হলান্ডিতে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের পাশাপাশি রয়েছে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কর্মী। যারা কৃষিতে আন্তরিক ও দক্ষ। এই নার্সারির সঙ্গেই রয়েছে কর্মীদের থাকার সুব্যবস্থা। পরিবার-পরিজন ছেড়ে দূরে থাকার একটি গ্লানি সব সময়ই থাকে। তার পরও আনন্দ তো ভুলে গেলে চলে না। কথা হলো কয়েকজনের সঙ্গে। তাদের কেউ শ্রীলঙ্কার, কেউ নেপালের, কেউ ভারতের। ভিন্ন দেশের, ভিন্ন ভাষার। একই প্রতিষ্ঠানে শ্রম বিক্রি করছে এই কাতারে, দেশে স্বজনদের ভালো রাখতে। কত শত স্বপ্ন বুকে লালন করে তারা বিদেশের মাটিতে বুনছে পরদেশি গাছ, সঙ্গে বুনছে সচ্ছল জীবনের বীজ। কাতারের সবুজের অভিযানে প্রবাসী বাংলাদেশিরাই রয়েছে চালকের আসনে। এর পেছনে বড় অবদান আবদুল করীমের। সেই তার পরিচিত মানুষদের দিনে দিনে যুক্ত করেছে এর সঙ্গে। কথা হয় তাদের সঙ্গেও। তারা জানালেন, শ্রম-ঘামের দিন শেষে সবাই বেশ ভালো আছেন।

দেশে চলছে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান। এখনো বিশাল আয়োজনে আগারগাঁওয়ে চলছে বর্ণাঢ্য বৃক্ষমেলা। দিনে দিনে নগরজীবনেও কৃষি মানুষের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হয়ে উঠছে। ছাদকৃষি ও আঙিনা-কৃষিতে যুক্ত হচ্ছেন অনেকেই। এই হিসাবে নার্সারিশিল্পের চাহিদা, প্রসার ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব দিনে দিনে বাড়ছে। পরিকল্পিতভাবে এই বাণিজ্যে যুক্ত হলে তা নাগরিক সবুজায়ন ও কৃষিতে যেমন রাখতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, একইভাবে মধ্যপ্রাচ্য তথা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি শুরু করা গেলে আসতে পারে বিপুল অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা। এ ক্ষেত্রে যেসব বাধা ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে তা দূর করার উদ্যোগ নিতে হবে।

শাইখ সিরাজদা এগ্রো নিউজ

মতামত

সম্পর্কিত খবর

মতামত

যেভাবে নিয়েছিলাম খালেদা জিয়ার সাক্ষাৎকার

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে সূচিত হয় গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা। সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বেগম খালেদা জিয়া। দেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। সে সময়টা ছিল মূলত দেশে শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশকেই প্রাধান্য দেওয়ার, কিন্তু তার সরকার ক

শাইখ সিরাজ৩ জানুয়ারি ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
মতামত

শেখ হাসিনার কৃষি দর্শন

এক দীর্ঘ অনিশ্চিত সময় পার করে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে নতুন নির্বাচিত সরকার। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদের শপথ গ্রহণের একমাস পর ২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিচ্ছেন জিল্লুর রহমান। দেশের সব শীর্ষ ব্যক্তিদের সমাগম বঙ্গভবনে। নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ শেষে অতিথি অ্যাপ্যায়

শাইখ সিরাজ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২৯ মিনিটের পড়া
মতামত

ব্র্যাক: দেশের সঙ্গে বেড়ে ওঠা উন্নয়নযোগী

বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছি আমরা। স্বাধীনতার অর্ধশত বছরে দেশের অর্জনগুলো সামনে তুলে আনছি আমরা। হিসেব করছি কোথা থেকে কোথায় এসেছে বাংলাদেশ। স্বাধীনতার পর যে দেশটির টিকে থাকা সম্পর্কে বিশ্বের অনেক চিন্তক নানা সন্দেহ পোষণ করেছিলেন, সেই দেশটিই আজ উন্নয়নের এক রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। সন্দেহ নেই এই

শাইখ সিরাজ২১ মার্চ ২০২২৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()