ভবন নির্মাণের সৃজনশীল স্থাপনার সঙ্গে ছাদকৃষিকে অপরিহার্য ভাবছেন অনেকেই। রাজধানী বা মহানগরী নয় শুধু জেলা শহর ও উপশহরেও জোরালোভাবে চলছে ছাদকৃষি অনুশীলন। উদ্যোক্তা বলছেন, পরিবেশ সুরক্ষা, পারিবারিক পুষ্টিচাহিদা পুরণ আর সময়কে সুন্দর করার মাধ্যম হিসেবে ছাদকৃষির বিকল্প নেই।
নতুন বাড়ির সঙ্গে প্রাণসমৃদ্ধ এক উপযোগ ছাদকৃষি। বিষয়টি সবক্ষেত্রের জন্যই সমান। এই বিশ্বাস থেকে ছাদকৃষির সঙ্গে জীবন বাঁধছেন অনেকে। নাটোরের আব্দুল্লাহেল বাকী তাদেরই একজন। তার চারতলা ভবনের ওপর দুই স্তরের ছাদকৃষি।
ছাদে স্থায়ী অবকাঠামোর বাইরেও ছাদকৃষিতে এই উদ্যোক্তা ব্যবহার করেছেন জিও ব্যাগ। এখানে ফলাচ্ছেন নানা রকমের ফল ফসল।
ছাদকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে নিয়েছেন নানা সৃজনশীল উদ্যোগ। এই ছাদে ফলছে মালবেরি, সাদা জাম, ত্বীন, পিচফল, আলুবোখারা, ড্রাগন ফলসহ দুর্লভ নানান ফল।
আর ড্রাগন ফলের এই অংশটিতে ফলন বাড়াতে ব্যবহার হচ্ছে এলইডি বাতি।





মন্তব্য
(০)