সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

মৌসুমি ফল কেন শরীরের জন্য বেশি উপকারী?

বর্ষাকাল মানেই প্রকৃতিতে সবুজের সমারোহ, সঙ্গে বাজারজুড়ে দেখা মেলে নানা রকম দেশি মৌসুমি ফলের। জাম, জামরুল, লটকন, ডেউয়া, আতা, পেয়ারা কিংবা আনারসের মতো ফলগুলো পুষ্টিগুণে ভরপুর। অনেকেই সারা বছর সব ধরনের ফল খেতে চান। কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, মৌসুমে উৎপাদিত ফল খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

ফল

বর্ষাকাল মানেই প্রকৃতিতে সবুজের সমারোহ, সঙ্গে বাজারজুড়ে দেখা মেলে নানা রকম দেশি মৌসুমি ফলের। জাম, জামরুল, লটকন, ডেউয়া, আতা, পেয়ারা কিংবা আনারসের মতো ফলগুলো পুষ্টিগুণে ভরপুর। অনেকেই সারা বছর সব ধরনের ফল খেতে চান। কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, মৌসুমে উৎপাদিত ফল খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

কারণ মৌসুমি ফল স্বাভাবিক পরিবেশে জন্মায়, তুলনামূলকভাবে বেশি তাজা থাকে এবং শরীরের মৌসুমি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বর্ষাকালে খাদ্যতালিকায় মৌসুমি ফল রাখা হতে পারে একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

প্রতিটি মৌসুমের ফলেই সেই সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান বেশি থাকে। বর্ষার ফলগুলোতে সাধারণত ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান থাকে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

বিশেষ করে বর্ষাকালে সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা বেড়ে যায়। এ সময় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে।

বর্ষার আর্দ্র আবহাওয়ায় সর্দি-কাশি, ভাইরাল জ্বর ও বিভিন্ন সংক্রমণের প্রবণতা বাড়ে। মৌসুমি ফলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত ফল খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে ফ্রি-র‌্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকেও কিছুটা সুরক্ষা দিতে পারে।

বর্ষাকালে অনেকেরই হজমের সমস্যা, গ্যাস বা কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। মৌসুমি ফলের প্রাকৃতিক আঁশ অন্ত্রের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এবং হজম সহজ করে। পেয়ারা, আনারস ও লটকনের মতো ফলে থাকা আঁশ নিয়মিত মলত্যাগেও সহায়ক হতে পারে।

বর্ষাকালে আবহাওয়ায় আর্দ্রতা বেশি থাকলেও শরীরে পানির ঘাটতি হতে পারে। তাই এ সময় পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি পানিসমৃদ্ধ ফল খাওয়াও জরুরি। জামরুল, আনারস ও অন্যান্য মৌসুমি ফলে প্রচুর পানি থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে। এসব ফলে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায় এবং ক্লান্তি কমাতেও সহায়ক হতে পারে।

বর্ষার ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরকে ক্ষতিকর ফ্রি-র‌্যাডিকেলের প্রভাব থেকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। এটি শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে সহায়তা করে এবং সুস্থ থাকতে ভূমিকা রাখে। তবে শরীর থেকে টক্সিন বের করে লিভার ও কিডনিকে ভালো রাখে।

ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ ফল ত্বকের কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে। এতে ত্বক কিছুটা উজ্জ্বল ও সতেজ দেখাতে পারে। পাশাপাশি ফলের বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ত্বককে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়, যা ত্বকের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

মৌসুমে উৎপাদিত ফল সাধারণত বেশি টাটকা থাকে। দূর থেকে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে আনা ফলের তুলনায় এগুলোর স্বাদ, গন্ধ ও পুষ্টিগুণও অনেক সময় ভালো থাকে। এছাড়া মৌসুমে ফলের দামও তুলনামূলক কম থাকে, ফলে কম খরচে বেশি পুষ্টি পাওয়া যায়।

ফল কেনার সময় টাটকা ফল বেছে নিন। খাওয়ার আগে পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে নিন। কাটা ফল দীর্ঘ সময় বাইরে না রেখে দ্রুত খেয়ে ফেলাই ভালো।

একসঙ্গে অতিরিক্ত ফল খাওয়ার পরিবর্তে প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন। ডায়াবেটিস বা কিডনির রোগ থাকলে কোন ফল কতটা খাওয়া উচিত, সে বিষয়ে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

বর্ষার মৌসুমি ফল শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে প্রতিদিন মৌসুমি ফল খাওয়ার অভ্যাস রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে পারে। তাই এই বর্ষায় বাজারে পাওয়া মৌসুমি ফলগুলো প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখুন।

সূত্র: হেলথলাইন, মেড ইন্ডিয়া, এনডিটিভি ও অন্যান্য

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()