সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

মধুপুর বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ চলাচলে পাঁচ রোপওয়ে

দেশের তৃতীয় বৃহত্তম বনাঞ্চল টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের ভেতর দিয়ে গেছে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহনের চলাচলে সড়ক পার হতে গিয়ে প্রাণ হারায় বা আহত হয় বনের বানর, হনুমানসহ নানা বন্যপ্রাণী। এ সংকট কমাতে শালবন পুনরুদ্ধার প্রকল্পের আওতায় বন বিভাগের উদ্যোগে বনের পাঁচটি স্থানে নির্মাণ করা হয়ে

পরিবেশ

দেশের তৃতীয় বৃহত্তম বনাঞ্চল টাঙ্গাইলের মধুপুর গড়ের ভেতর দিয়ে গেছে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। প্রতিদিন অসংখ্য যানবাহনের চলাচলে সড়ক পার হতে গিয়ে প্রাণ হারায় বা আহত হয় বনের বানর, হনুমানসহ নানা বন্যপ্রাণী। এ সংকট কমাতে শালবন পুনরুদ্ধার প্রকল্পের আওতায় বন বিভাগের উদ্যোগে বনের পাঁচটি স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে রোপওয়ে বা উড়াল সেতু। প্রাণীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতেই নেওয়া হয়েছে এ ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।

বন বিভাগের আশা, রোপওয়ে তৈরির ফলে বন্যপ্রাণী নিরাপদে সড়ক পারাপার হতে পারবে, আহত বা নিহত হওয়ার ঘটনাও হ্রাস পাবে। গাছের সঙ্গে বিশেষভাবে স্থাপন করা এসব রোপওয়ে ব্যবহার করে বানর, হনুমানসহ গাছে বসবাসকারী প্রাণীরা এখন নিরাপদে মহাসড়ক পার হতে পারছে।

বন বিভাগ জানায়, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়ক মধুপুরের বনাঞ্চলের মধ্যে দিয়ে চলো গেছে। খাবারের সন্ধানে এক পাশ থেকে অন্য পাশে যাতায়াতে প্রায়ই দুর্ঘটনায় বানর, হনুমান, মেছোবিড়াল, গন্ধগোকুলসহ বিভিন্ন প্রাণী মারা যায়। এ পরিস্থিতি কমাতে মধুপুর জাতীয় উদ্যান সদর রেঞ্জ এলাকায় টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাঁচটি স্থানে রোপওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই গাড়ি চলাচল করে। বনের এখানে পর্যটক ও পথচারীদের দেওয়া খাবারের আশায় প্রায়ই বানর-হনুমান মহাসড়কে নেমে আসে। এতে প্রায়ই বন্যপ্রাণীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এখন থেকে রোপওয়ের ব্যবহার বাড়লে এ ধরনের মৃত্যু কমবে বলে মনে করছে তারা।

জানা গেছে, একসময় প্রায় ৬২ হাজার একরজুড়ে বিস্তৃত মধুপুর বনাঞ্চলের বড় একটি অংশ ইতোমধ্যে উজাড় হয়ে গেছে। বন উজাড়, আবাসস্থল সংকুচিত হওয়া এবং খাদ্যসংকটের কারণে বহু বন্যপ্রাণী অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে।

সংশ্লিষ্টদের আশা, রোপওয়ে নির্মাণের পাশাপাশি বন সংরক্ষণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে মধুপুরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

টাঙ্গাইল বাস মিনিবাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম বলেন, এই মহাসড়ক দিয়ে প্রতিদিন দিন-রাত সবসমেই গাড়ি চলাচল করে। বনের এখানে পর্যটক ও পথচারীদের দেওয়া খাবারের আশায় প্রায়ই বানর-হনুমান মহাসড়কে নেমে আসে। এতে হঠাৎ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এখন থেকে রোপওয়ের ব্যবহার বাড়লে এ ধরনের মৃত্যু কমবে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. এএসএম সাইফুল্লাহ বলেন, মধুপুর বনাঞ্চলের দুর্লভ মুখপোড়া হনুমান উঁচু গাছে বিচরণ করে এবং খাবারের সন্ধানে এক গাছ থেকে অন্য গাছে চলাচল করে। বনাঞ্চলের মধ্য দিয়ে থাকা উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎলাইন তাদের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। নিরাপদ বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে প্রাণীগুলোর মৃত্যু কমবে এবং প্রজননও স্বাভাবিক থাকবে। পরিবেশও ভালো থাকবে।

সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেব বলেন, রোপওয়ে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর অবাধ চলাচল, আবাসস্থলের বিভাজন রোধ এবং প্রজননে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তাছাড়া আমরা রোপওয়েগুলো বৈদ্যুতিক লাইন থেকে যথেষ্ট দূরে রাখার চেষ্টা করেছি। আশাকরি পশুপাখিদের সমস্যা হবে না।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. আবু নাসের মোহাম্মদ মহসীন বলেন, বনাঞ্চলের এ অংশ দিয়ে রাস্তা পারাপারের সময় প্রায়ই বানর-হনুমান ও নিশাচর প্রাণী মারা যায়। ধীরগতিতে গাড়ি চালানোর জন্য সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড থাকলেও অনেক চালক তা মানেন না। তাই গাছে বিচরণকারী প্রাণীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য রোপওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান/এনএইচআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()