সিংহভাগ বোরো ধান কাটা হয়ে গেছে। এবার কালবৈশাখীর আগে আগেই ধান কাটা প্রায় সম্পন্ন হয়ে গেছে। কোনো কোনো এলাকায় দেরিতে রোপন করা ধান কাটা চলছে। খুব সামান্য পরিমাণই ধান কাটতে বাকি রয়েছে। এই করোনা পরিস্থিতিতেও দ্রুততার সঙ্গে ধান কাটার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে কৃষির যান্ত্রিকীকরণ। এই করোনা পরিস্থিতিতে গতবছর এবং এবার ধান কাটার ক্ষেত্রে কৃষক যান্ত্রিকীকরণের সুবিধা গ্রহণ করতে পেরেছেন।
সরকারের সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে কৃষির যান্ত্রিকীকরণের জন্য তিন হাজার বিশ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। অঞ্চলভেদে ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি দিয়ে ধান কাটাসহ অন্যান্য কৃষি যন্ত্রপাতি কৃষকদেরকে দেয়া হচ্ছে। গতবছর ধান কাটতে কম্বাইনহারভেস্টার মাঠে নামানো হয়েছে ১২৪০টি। এবছর আরও ১ হাজার ৩’শ ৮০টি মাঠে নামে। অর্থাৎ মোট ২ হাজার ৬’শ ২০টি হার্ভেস্টার মাঠে চলমান আছে। রিপারও চলছে মোট ৭’শ ৮৯টি। শ্রমিক সংকট থাকলেও দ্রুত ধান কাটা যাচ্ছে, অন্যদিকে উৎপাদন খরচ কমার ফলে কৃষক লাভবান হচ্ছে।





মন্তব্য
(০)