সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

আড়িয়ল বিলের পাঁচ দেশি মাছে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক

কই, বাটা, মেনি, গুলশা টেংরা ও পুঁটিতে প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে — শুধু পরিপাকতন্ত্রে নয়, মাংসপেশিতেও।

মৎস্য

বাংলাদেশের বিভিন্ন নদী ও জলাশয়ের মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া যাচ্ছে বলে সাম্প্রতিক কয়েকটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে। শুধু মাছের পাকস্থলী বা পরিপাকতন্ত্রেই নয়, মাছের মাংসপেশিতেও অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।

মাইক্রোপ্লাস্টিক বলতে বোঝানো হয় প্লাস্টিকের এমন যে-কোনো কণা, যার প্রস্থ পাঁচ মিলিমিটারেরও কম। বড় প্লাস্টিক ভেঙে, সিনথেটিক কাপড়ের তন্তু, টায়ারের ক্ষয়, প্রসাধনী বা শিল্পবর্জ্য থেকে এসব কণা তৈরি হয়ে নদী, খাল, হ্রদ ও সাগরে পৌঁছায়, আর সেখান থেকে খাদ্য ও পানির মাধ্যমে মাছের শরীরে ঢোকে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এক গবেষণায় উঠে এসেছে, আড়িয়ল বিলে পাঁচ ধরনের মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে — কই, বাটা, মেনি, গুলশা টেংরা ও পুঁটি, যেগুলো মূলত দেশি মাছ হিসেবে পরিচিত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে সর্বভুক কই মাছে।

গবেষণা দলের প্রধান, ওই বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহজাহান বলেছেন, মাছগুলোর মাংসপেশিতেও মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানুষ সাধারণত মাছের নাড়িভুঁড়ি নয়, মাংসপেশিই খায়।

মাছের অন্ত্র বা পাকস্থলীতে এমন কণা পাওয়া অবশ্য খুব অস্বাভাবিক নয়। মাছ খাবার ও পানির সঙ্গে এসব কণা গ্রহণ করে এবং তা পরিপাকতন্ত্রে জমা থাকতে পারে; মাছের খাবারের মধ্যে থাকে পানি, ছোট মাছ, প্ল্যাঙ্কটন, এমনকি কাদা-মাটিও।

ছোট না বড় — কোন মাছ বেশি ঝুঁকির, সেই প্রশ্নে অধ্যাপক শাহজাহান বলেন, "ছোট মাছ সাধারণত অন্ত্রসহ-ই খেয়ে ফেলে মানুষ। সেই যুক্তিতে ছোট মাছেই সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকার কথা। তবে কোন মাছে এটা বেশি আছে তা নিশ্চিত করে বলা মুশকিল।"

তবে উপস্থিতি মানেই তাৎক্ষণিক স্বাস্থ্যঝুঁকি — এমন সিদ্ধান্তে গবেষকরা পৌঁছাননি। মানুষের শরীরে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব, কী পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক ক্ষতিকর এবং কীভাবে ঝুঁকি তৈরি হয়, তা নিয়ে এখনও বিশ্বজুড়ে গবেষণা চলছে। মৎস্যচাষি ও আড়তদারের জন্য প্রশ্নটি তাই জলাশয়ের দূষণ নিয়ন্ত্রণেরই।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাদা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ভারতীয় ইলিশ ‘দেশি’ বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা

যশোর বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ দেশি বলে বিক্রির অভিযোগে এক আড়তদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কুয়াকাটায় ২ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার ২০০ টাকায়

কুয়াকাটার আড়তে নিলামে ওঠা একটি ইলিশ কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে সতর্ক করছেন গবেষকরা।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()