কুড়িগ্রামে ইউরিয়া সার বিতরণ ঘিরে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জেলার কয়েকটি এলাকায় হট্টগোল ও সাময়িক সড়ক অবরোধ হয়েছে। প্রশাসন, পুলিশ ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বাড়তি নজরদারির মধ্যে আবার সার বিতরণ শুরু হয়।
সকাল থেকেই সদর উপজেলার মাঠেরপাড়, ঘোগাদহসহ বিভিন্ন ডিলার পয়েন্টে শত শত কৃষকের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। চাহিদার তুলনায় কম সার দেওয়া এবং বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে ক্ষোভ ছড়ায়; কয়েকটি স্থানে উত্তেজনা বাড়লে কৃষকেরা সাময়িকভাবে সড়ক অবরোধ করেন। খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন, সদর থানা পুলিশ ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন।
পাঁচগাছী ইউনিয়নের কৃষক নুরুল হক বলেন, তাঁর দুই বস্তা সার দরকার, কিন্তু পাচ্ছেন এক বস্তা; টাকা দিয়ে কিনতে গিয়েও এমন হলে আবাদ করবেন কীভাবে। কৃষকদের দাবি, আমন মৌসুমে চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, নইলে ভোগান্তি ও বিশৃঙ্খলার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, জেলায় সারের কোনো সংকট নেই; চাহিদার তুলনায় প্রায় এক হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া বাড়তি মজুত আছে। তাঁর দাবি, একটি পক্ষ সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিতরণে অনিয়ম ঠেকাতে ডিলার পয়েন্টগুলোতে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। আমনের চারা রোপণের পর ইউরিয়ার উপরিপ্রয়োগের এই সময়ে জেলায় সারের দাবিতে এটি এক সপ্তাহে দ্বিতীয় সড়ক অবরোধ; মজুত থাকা সত্ত্বেও ডিলার পয়েন্টে বরাদ্দ ভাগ করে দেওয়ার পদ্ধতি নিয়েই কৃষকদের ক্ষোভ। খবরটি দেশ রূপান্তরের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধির।
সূত্র: দেশ রূপান্তর





মন্তব্য
(০)