সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

ক্ষেতে পোকার আক্রমণে দিশেহারা মেহেরপুরের চাষিরা

মেহেরপুরে ফুলকপি ও বাঁধাকপির ক্ষেতে ব্যাপকহারে পোকা আক্রমণ করেছে। কৃষকরা বলছেন, জমিতে কালো মাথার পোকা ছড়িয়ে পড়েছে। এ পোকা কীটনাশক দিয়েও দমন করা যাচ্ছে না। পোকা দমনে ব্যর্থ হওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পোকা দমন বা নিধনে কৃষি অফিসের কোনো ধরনের সহায়তাও পাচ্ছেন না বলে কৃষকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হ

শাকসবজি

মেহেরপুরে ফুলকপি ও বাঁধাকপির ক্ষেতে ব্যাপকহারে পোকা আক্রমণ করেছে। কৃষকরা বলছেন, জমিতে কালো মাথার পোকা ছড়িয়ে পড়েছে। এ পোকা কীটনাশক দিয়েও দমন করা যাচ্ছে না। পোকা দমনে ব্যর্থ হওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। পোকা দমন বা নিধনে কৃষি অফিসের কোনো ধরনের সহায়তাও পাচ্ছেন না বলে কৃষকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।

শনিবার (২৭ অক্টোবর) জেলা সদরের কুতুবপুর, উজলপুর, শোলমারি ও গাংনী উপজেলার সাহারবাটি, কাথুলী, ধলা, নওয়াপাড়া, জোড়পুকুর, গাড়াবাড়িয়া গ্রামের মাঠে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় সব কপির ক্ষেত পোকায় আক্রমণ করেছে। কালো মাথার পোকার আক্রমণের কারণে অধিকাংশ কপির জমিতে পাতা ফুটো ও হলুদ আকার ধারণ করেছে। এক পর্যায়ে শিকড় পচে গাছ মরে যাচ্ছে।

পোকা দমনে কৃষকেরা বিভিন্ন কোম্পানির ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনো ধরনের সুফল পাচ্ছেন না।মেহেরপুর গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামের শুকুর আলী বলেন, এবছর তিনি প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে বাঁধাকপির চাষ করেছেন। তারসহ গ্রামের অধিকাংশ কৃষকের ফুলকপি ও বাঁধাকপির ক্ষেতে ব্যাপকভাবে কালো মাথা ও উড়া পোকা আক্রমণ করেছে। পোকা দমনের জন্য কৃষক দানাদার ও তরলজাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করছেন, কিন্তু কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না এর আক্রমণ। এক বিঘা জমিতে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকার শুধু কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনো কাজ হচ্ছে না।

একই গ্রামের শমসের আলী প্রতিবছর ৫ থেকে ৬ বিঘা শুধু কপির চাষ করেন। এবারেও তিনি ৫ বিঘা জমিতে ফুলকপি ও বাঁধাকপির চাষ করেছেন। তিনি বলেন, গত বছরে আগাম জাতের বাঁধাকপি বিঘা প্রতি ৭৫ হাজার টাকা করে বিক্রি করেছেন। এবারে মৌসুমের শুরুতে বাঁধাকপির বিঘা প্রতি দাম ছিল ৭০ থেকে ৭৫ হাজার। একারণে এলাকায় কপির চাষ অনেকাংশে বেড়েছে। গ্রামের দোকান থেকে শহরের দোকানে পোকা দমনের জন্য উন্নত কীটনাশকের ব্যবহার করেছেন। কিন্তু কোনোটাই কাজ হচ্ছে না।

একই গ্রামের কৃষক আব্দুল হান্নান অভিযোগ করেন, তারা কপি নিয়ে চরম বিপদে থাকলেও কৃষি অফিস থেকে কেউ কোনো খোঁজ-খবর নেননি। একই অভিযোগ করে কৃষক খাইবার আলী বলেন, তাদের গ্রামে ফসলের দেখভালের জন্য যাকে দায়িত্ব দেওয়া আছে, বেশির ভাগ কৃষক তাকে চেনেন না। একারণে পোকা দমনে তারা সুফল পাচ্ছেন না।

সদরের কুতুবপুর গ্রামের গোলাম হোসেন বলেন, তাদের গ্রামের মাঠে বিশেষ করে কপির জমিতে কালো মাথা পোকার আক্রমণ হয়েছে। পোকা দমন করা না গেলে কপির ফলনে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। বাজারে সব চেয়ে নামিদামি কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। অনেকের কপির ক্ষেত পোকার আক্রমণে একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খাঁ বলেন, সম্প্রতি ফুলকপি ও বাঁধাকপির জমিতে লেদা পোকার আক্রমণ হয়েছে। অনেকে ছত্রাকনাশক ও কীটনাশকের বেশিমাত্রার ব্যবহারের কারণে পোকার সহনশীল ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেকারণে কীটনাশক যথাযথভাবে কাজ করতে পারছে না। কৃষি কর্মকর্তারা সেই সকল কৃষকদের অন্য কীটনাশক ব্যবহার করতে পরামর্শ দিচ্ছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে আগাম ও মৌসুমী বাঁধাকপি ও ফুলকপির চাষ হয়েছে প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমিতে।

আসিফ ইকবাল/এমএমএফ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

বাজারে বিষমুক্ত করলার দাম নেই, আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা

জমির আইলের চারপাশে নীল রঙের জালের বেড়া। ভেতরে বাঁশ ও জালের মাচা। মাচার ওপরে সবুজ লতা। নিচে থোকায় থোকায় ঝুলছে তরতাজা করলা। কিন্তু এই করলায় নেই কোনো কীটনাশক বা রাসায়নিক বিষ।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মার নাকি গুজরাটের ইলিশ, চিনবেন যেভাবে

বাঙালির পাতে ইলিশের কদরই আলাদা। গরম ভাতের সঙ্গে সরিষা ইলিশ, কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাজা কিংবা ঝোল-যে পদই হোক, ইলিশের নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। কিন্তু বাজার থেকে চড়া দামে ইলিশ কিনে এনে রান্নার পর যদি সেই চেনা ঘ্রাণ আর স্বাদ না মেলে, তখন আফসোসের শেষ থাকে না।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()