সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

কোরবানির বাজারে ডিজিটাল পশুর হাটের দাপট

কোরবানির বাজারে এবার দাপট দেখাচ্ছে ডিজিটাল পশুর হাট। ছোট খামারি থেকে করপোরেট প্রতিষ্ঠান—প্রায় সবাই এখন অনলাইনে পশু বিক্রি করছে। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের কোরবানির পশুও বিক্রি হয়ে গেছে। একবার যারা কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্রেতা হচ্ছেন, পরবর্তী বছরগুলোতেও তারা একই প্রতিষ্ঠান থেকেই পশু কিনছেন। বিশ

লাইভস্টক

কোরবানির বাজারে এবার দাপট দেখাচ্ছে ডিজিটাল পশুর হাট। ছোট খামারি থেকে করপোরেট প্রতিষ্ঠান—প্রায় সবাই এখন অনলাইনে পশু বিক্রি করছে। ইতোমধ্যে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের কোরবানির পশুও বিক্রি হয়ে গেছে। একবার যারা কোনো প্রতিষ্ঠানের ক্রেতা হচ্ছেন, পরবর্তী বছরগুলোতেও তারা একই প্রতিষ্ঠান থেকেই পশু কিনছেন। বিশেষ করে উচ্চ মধ্যবিত্ত ও প্রবাসীদের মধ্যে ডিজিটাল হাটের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। ফলে অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি দিন দিন আরও জনপ্রিয় ও বিশ্বস্ত হয়ে উঠছে।

জানা গেছে, করোনা মহামারির সময় দেশে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও জমে উঠেছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল কোরবানির হাট। এবার বেঙ্গল মিট, অথবা ডটকম, বিক্রয় ডটকমসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তা অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি করছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেজ, গ্রুপ ও সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন কোরবানির পশু বিক্রির তথ্য ভেসে উঠছে।

অসংখ্য প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তা এখন এ ব্যবসায় যুক্ত। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান এবারও 'লাইভ ওয়েট' বা ওজন হিসেবে পশু বিক্রি করছে, যা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করছে। প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে পশুর লাইভ ভিডিও, ডিজিটাল স্কেলে ওজন, বয়স (দাঁতের সংখ্যা), জাত এবং রেজিস্ট্রার্ড প্রাণী চিকিৎসকের স্বাস্থ্যসনদ সংযুক্ত থাকছে। অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে এস্ক্রো সার্ভিস ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যবহার ক্রেতাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।

জানতে চাইলে বেঙ্গল মিটের হেড অব বিজনেস শেখ ইমরান আজিজ জাগো নিউজকে বলেন, 'অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রিতে এবার ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের ক্যাপাসিটি সীমিত হওয়ায় প্রতি বছরই প্রায় ৫০০ পশুর টার্গেট নিয়ে থাকি। এবারও সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছি। ইতোমধ্যে আমাদের প্রায় সব গরু বিক্রি হয়ে গেছে, এখন মাত্র ১৫ থেকে ২০টি গরু বাকি আছে। খাসি আগেই পুরোপুরি বিক্রি হয়ে গেছে। অনলাইনে কোরবানির ক্ষেত্রে ক্রেতাদের আস্থা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে, যার কারণে প্রতি বছরই ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।'

অনলাইনে কোরবানির গরু বিক্রি করছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অথবা ডটকম। এবারও অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি করে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে তারা। এরই মধ্যে তাদের সব পশু অনলাইনে বিক্রি হয়ে গেছে। ২১ মে তারা তাদের ফেসবুক পেজে জানিয়েছে, 'Haat To Home ক্যাম্পেইন এখন SOLD OUT! আপনাদের অসাধারণ ভালোবাসা ও সাপোর্টে সব গরু দ্রুত শেষ হয়ে গেছে! Best Rate ও ফ্রি ডেলিভারির কারণে পেয়েছি দারুণ সাড়া!

আরও পড়ুনএবার কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ১ কোটি ২৩ লাখখামারিদের নতুন দিগন্ত অনলাইনে পশু বিক্রিএবার পিরোজপুরের খামারে 'ডোনাল্ড ট্রাম্প'হাট ঘুরে দাম যাচাই করছেন ক্রেতারা, ছোট-মাঝারি গরুতেই বেশি আগ্রহ

যারা অর্ডার করেছেন তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। আর যারা মিস করেছেন, চিন্তা নেই— সামনে থাকছে আরও আকর্ষণীয় অফার! সাথেই থাকুন Othoba'র সাথে।'

জানতে চাইলে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন বিভাগের অ্যাক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর খন্দকার তাসফিন আলম জাগো নিউজকে বলেন, 'আমাদের সংগ্রহে থাকা শতভাগ গরু এরইমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে। আমরা মোটামুটি ৭০ থেকে ৮০টির মতো গরু তুলেছিলাম। এর মধ্যে বেশিরভাগই ছিল নিজেদের খামারের এবং কিছু ছিল ভেন্ডরের। আমরা খুবই ভালো সাড়া পেয়েছি। অনলাইন থেকে গরু কেনায় মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বলে আশা রাখছি।'

বিক্রয় ডটকম দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে পশু কেনাবেচা করছে। ক্রেতারা তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে কোরবানির বিভিন্ন ধরনের পশু কেনাকাটা করতে পারছেন।

ই-কমার্স সাইট সরোবর অনলাইনে কোরবানির পশুর হাটের সুবিধা দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির হেড অব অপারেশন মো. গোলাম সরোয়ার জাগো নিউজকে বলেন, 'আমাদের প্রতিষ্ঠানের বয়স ১২ বছর। আমরা শুরু থেকেই অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই গরু বিক্রি করছি। এ বছর এখন পর্যন্ত অনলাইন-অফলাইন মিলিয়ে প্রায় ১০০টি গরু বিক্রি হয়েছে।'

তিনি বলেন, 'অনলাইনে কোরবানির পশু কেনার প্রবণতা ধীরে ধীরে বাড়ছে। বিশেষ করে করপোরেট চাকরিজীবী, চিকিৎসক বা ব্যস্ত পেশাজীবীরা, যাদের হাটে যাওয়ার সময় কম কিংবা গরু কেনাবেচা সম্পর্কে খুব বেশি ধারণা নেই, তারা অনলাইনেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে ক্রেতারা চাইলে আমাদের খামারে এসেও গরু দেখে যেতে পারেন।'

অনলাইনে গরু বিক্রি করে সুখের খামার নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির সহ-উদ্যোক্তা তাসদীখ হাবীব জাগো নিউজকে বলেন, ক্রেতারা এখন শুধু হাটে যাওয়ার ঝক্কি এড়াতেই নয়, বরং নিরাপদ ও প্রাকৃতিকভাবে লালন-পালন করা পশু নিশ্চিত করতেও অনলাইনভিত্তিক খামারের দিকে ঝুঁকছেন।

সুখের খামারের সহ-উদ্যোক্তা তাসদীখ হাবীব জাগো নিউজকে বলেন, 'সমাজের উচ্চমধ্যবিত্ত ও তার ওপরের শ্রেণির মানুষ বেশি অনলাইনে গরু কিনছেন। তারা হাটে যাওয়ার ঝামেলা এড়াতে চান। এছাড়া প্রবাসীরাও বড় একটি ক্রেতাগোষ্ঠী।'

'ক্রেতারা প্রথমে অনলাইনে গরু দেখছেন। এরপর লাইভ কলে গরু পর্যবেক্ষণ করেছেন, পরিবারের সদস্যদের দেখিয়েছেন। আমরা লাইভ ওয়েট মেপে ভিডিও করেছি, ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাঙ্গেলে ছবি ও ভিডিও পাঠিয়েছি। আমাদের কাছ থেকে যারা গরু কিনেছেন তারা হুট করে কেনেননি। অনেকে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের অনলাইন কার্যক্রম দেখেছেন, যোগাযোগ করেছেন। কেউ কেউ ছয় মাস আগেই খামারে এসে গরু বুকিং দিয়ে গেছেন।'

তাসদীখ হাবীব বলেন, 'এই মার্কেট এখন দ্রুত বাড়ছে। সামনের দিনে অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি আরও বাড়বে বলে আমি মনে করি।'

ঢাকার পশুর হাটগুলোতে গরু আসা শুরু হয়েছে, ছবি: জাগো নিউজ

গরুর খাবার ও লালন-পালন নিয়ে সচেতনতার বিষয়টিও এখন বড় কারণ হয়ে উঠেছে বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, 'আমরা গরুকে কোনো ধরনের স্টেরয়েড বা ব্রয়লার ফিড খাওয়াই না। প্রাকৃতিক খাদ্যের মাধ্যমেই গরু বড় করি। এখন মানুষ সচেতন হচ্ছে—হাট থেকে কেনা গরু কীভাবে লালন-পালন করা হয়েছে, কী খাওয়ানো হয়েছে, সেটা তারা জানেন না। এজন্য অনলাইন খামারের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে।'

বগুড়াভিত্তিক সুখের খামারে এবার কোরবানির জন্য ৯৬টি গরু ছিল এবং ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ আগেই সবগুলো বিক্রি হয়ে গেছে। মোট বিক্রির প্রায় ৬০ শতাংশই হয়েছে পুরোপুরি অনলাইনে, যেখানে অনেক ক্রেতা খামারে না এসেই গরু কিনেছেন।

তাসদীখ হাবীব বলেন, 'শুধু বগুড়ার মানুষই নয়, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, শরীয়তপুর, খুলনা, সিরাজগঞ্জ এমনকি চট্টগ্রাম থেকেও ক্রেতারা গরু কিনেছেন। অনেক প্রবাসী বাংলাদেশিও তাদের পরিবারের জন্য আমাদের কাছ থেকে গরু অর্ডার করেছেন।'

ঢাকার পশুর হাটগুলোতে ঘুরে ঘুরে গরু দেখছেন ক্রেতারা, ছবি: জাগো নিউজ

এবার অনেক খামারিই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গরুর ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছেন। এতে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তারা।

অনলাইনে 'ফিরোজা এগ্রো ফার্ম' নামে পেজ খুলে গরু বিক্রি করছেন খামারি মো. ফারুক। তিনি বলেন, অনলাইনে গরুর ছবি ও ভিডিও দেওয়ার পর সেখানে গরুর ওজন উল্লেখ করা হয়। ৫৫০ টাকা বা ৫০০ টাকা কেজি দরে গরু বিক্রি হচ্ছে। অনেকে আগে থেকেই বুকিং দিয়ে রাখছে। আবার অনেকে খামারে এসে দেখে গরু নিচ্ছেন। বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ যোগাযোগ করছে। এতে হাটে নেওয়ার আগেই কিছু গরু বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুনচাঁদপুরে কোরবানির হাটে নজর কাড়ছে 'জোড়া কিং'কোন হাটে যাবে কোরবানির পশু, ট্রাকে লিখতে হবে নাম-ঠিকানাখালেদা জিয়াকে উপহার দেওয়া সেই কালো মানিক বিক্রির অপেক্ষায়, দাম ২২ লাখদিনে ৮০০ টাকার খাবার খাওয়া 'কালু'কে নিয়ে বিপাকে খামারি

দেশে এক সময় অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি করতো শীর্ষ ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ। নানা প্রতিবন্ধকতায় প্রতিষ্ঠানটি এখন অনলাইনে পশু বিক্রি থেকে সরে এসেছে।

জানতে চাইলে দারাজ বাংলাদেশের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার এ এইচ এম হাসিনুল কুদ্দুস রুশো জাগো নিউজকে বলেন, 'আমরা এখন আর অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি করি না। তবে ২০২১-২২ সালের দিকে এই কার্যক্রম পরিচালনা করেছিলাম। সে সময় আমরা শুধু গরু-ছাগল বিক্রি-ই নয়, কোরবানির পুরো কার্যক্রম শেষে পশু জবাই করে মাংস ডেলিভারির ব্যবস্থাও করতাম। কিন্তু পরে দেখা যায়, ফ্রিজার ভ্যান ছাড়া সঠিকভাবে মানসম্মত মাংস পৌঁছে দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে ৷এজন্য আমাদের অনেক ক্রেতাকে রিফান্ডও করতে হয়েছে। এছাড়াও ডিজিটাল মাধ্যমে পশু বিক্রির জন্য ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সরকার নির্ধারিত কোনো জায়গাও বরাদ্দ দেয়া হয়নি ৷ সব মিলিয়ে এটি আমাদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়ে। তাই আমরা এই আয়োজন থেকে সরে আসি।'

ঢাকার পশুর হাটে গরু কিনে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন ক্রেতা, ছবি: জাগো নিউজ

অনলাইনে পশু বিক্রি করে খামারিরা ভালো দাম পাচ্ছেন বলে মনে করেন ই-কমার্স ব্যবসায়ীদের সংগঠন ই-ক্যাবের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, 'বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খামারি কিংবা বিক্রেতারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে গরুর ছবি, ওজন ও অন্যান্য তথ্য পাঠিয়ে ক্রেতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছেন। এমনকি বিদেশে থাকা মানুষও অনলাইনে পশু দেখে দরদাম করে নিজের এলাকার জন্য কোরবানির পশু কিনতে পারছেন। এতে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিরাও ভালো দাম পাচ্ছেন।'

ভবিষ্যতে অনলাইনে পশু বিক্রি আরও বাড়বে এমন মন্তব্য করে সাহাব উদ্দিন আরও বলেন, 'দেশে অনলাইনে কোরবানির পশুর হাট মূলত করোনাকাল থেকেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। তখন মানুষের শারীরিক উপস্থিতি কমিয়ে ডিজিটাল মাধ্যমে কেনাবেচার প্রবণতা বাড়ে। এরপর ধীরে ধীরে এটি আরও বিস্তৃত হয়েছে ও এখন শুধু ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম নয়, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনলাইনে পশু বিক্রি হচ্ছে। ভবিষ্যতে অনলাইনে পশু বিক্রি আরও বিস্তৃত হবে।'

আরও পড়ুনহাটে না উঠতেই ফরিদপুর কাঁপাচ্ছে জেলার সবচেয়ে বড় গরু রাজাবাবুহাট কাঁপাতে প্রস্তুত 'কুয়াকাটা হুজুরের' ৫ ষাঁড়পশুর হাটে আলোচনায় ১৬ মণের 'রাজা বাহাদুর', দাম ৫ লাখকুমিল্লার খামারে মরুর উট, দেখতে দর্শনার্থীর ভিড়

হাটে কোরবানির পশু কিনলে হাসিল দিতে হয়। তবে অনলাইনে হাসিল নেই। এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, গত কয়েক বছরের মতো এবারও কোরবানির সময় অনলাইনে পশু বিক্রি হবে। এজন্য কোনো খাজনা বা হাসিল নেওয়া হবে না।

ঢাকার পশুর হাটে গরুকে খাবার খাওয়ানো হচ্ছে, ছবি: জাগো নিউজ

২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি বড় পরিসরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে তখন মানুষ হাটে যাওয়ার বদলে ফেসবুক, ওয়েবসাইট ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গরু কেনা শুরু করেন। এরপর ধীরে ধীরে এই বাজার আরও বিস্তৃত হয়। এখন ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনলাইনে পশু বিক্রি হচ্ছে।

দেশে এবার কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। এটি এ বছরের সম্ভাব্য চাহিদার চেয়ে ২২ লাখেরও বেশি। এ বছর চাহিদা এক কোটি এক লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি পশুর।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চাহিদার তুলনায় এবার পশুর সরবরাহ বেশি থাকায় বাজারে কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই।

ইএইচটি/এমএমএআর/ এমএফএ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সিদ্ধ ডিম কতক্ষণের মধ্যে খাওয়া উচিত?

ঝটপট প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে কিংবা সকালের নাশতায় ডিমের জুড়ি নেই। ব্যস্ত সকালে সময় বাঁচাতে অনেকেই একসঙ্গে কয়েকটি ডিম সিদ্ধ করে রাখেন। পরিবারের সবাই খাওয়ার পরও দু-একটি ডিম বেঁচে গেলে তখন প্রশ্ন আসে-সেগুলো কি পরে খাওয়া যাবে? নাকি সিদ্ধ ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়? সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে সিদ্ধ ডিম ফেলে দেওয়ার

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
লাইভস্টক

প্রতিদিন ডিম খেলে শরীরে কী হয়?

ডিম আমাদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকা সহজলভ্য ও পুষ্টিকর একটি খাবার। সকালের নাশতা থেকে শুরু করে দুপুর বা রাতের খাবাররে বিভিন্নভাবেই ডিম খাওয়া হয়।

জাগো নিউজ ২৪১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()