সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

ভারতীয় ইলিশে কমেছে দাম, সাগরে মাছ কম পাওয়ায় দেশি ইলিশ চড়া

চট্টগ্রামের ফিশারিঘাটে ইলিশের বাজারে দেশি ও ভারতীয় ইলিশের দামে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। ভারত থেকে আসা ইলিশ তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হলেও সাগর ও নদী থেকে আসা দেশি ইলিশের দাম বেশি। তবে কয়েক দিনের মধ্যে সাগর থেকে পর্যাপ্ত ইলিশ আসলে দেশি ইলিশের দামও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

মৎস্য

চট্টগ্রামের ফিশারিঘাটে ইলিশের বাজারে দেশি ও ভারতীয় ইলিশের দামে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। ভারত থেকে আসা ইলিশ তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হলেও সাগর ও নদী থেকে আসা দেশি ইলিশের দাম বেশি। তবে কয়েক দিনের মধ্যে সাগর থেকে পর্যাপ্ত ইলিশ আসলে দেশি ইলিশের দামও কমতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) চট্টগ্রামের ফিশারিঘাটের পাইকারি বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও জেলেদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেড় থেকে দুই কেজি ওজনের দেশি ইলিশ কেজিপ্রতি ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি থেকে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ১ হাজার ৫৫০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। ৫০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকার মধ্যে।

বাজারে বড় আকারের ইলিশের দাম আরও বেশি। প্রায় এক কেজি থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি ২ হাজার ৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। এক কেজি ২০০ থেকে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ১ হাজার ৫৫০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে ফিশারিঘাটে ভারতীয় ইলিশও আসছে। এসব ইলিশ তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছে। ভারতীয় ইলিশ স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে চট্টগ্রামের বাজারে আসছে বলে জানান তারা।

মফিদুল ইসলাম নামের এক বিক্রেতা জাগো নিউজকে বলেন, ভারতীয় ইলিশে ডিম বেশি থাকলেও দেশি ইলিশের স্বাদ ও গুণগত মান আলাদা। ভারতীয় ইলিশের দাম কম হওয়ায় ক্রেতাদের একটি অংশ সেটির দিকে ঝুঁকছেন।

ফিশারিঘাটের ব্যবসায়ীরা বলছেন, কয়েক দিন আগে সমুদ্রে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত থাকায় অনেক মাছ ধরার ট্রলার পর্যাপ্ত মাছ নিয়ে ফিরতে পারেনি। ফলে বাজারে দেশি ইলিশের সরবরাহ কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে দামে।

ছবি: জাগো নিউজ

আলতাফ হোসেন নামে এক জেলে জাগো নিউজকে বলেন, সাগর থেকে মাছ ধরে ফেরার পর প্রত্যাশিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। এর আগে যে মাছ ৯৫ হাজার টাকা মণে বিক্রি হয়েছে, পরে তা ৬০ হাজার টাকা মণেও বিক্রি করতে হয়েছে। এতে অনেক কষ্ট ও পরিশ্রম করে মাছ ধরে লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।

জেলেদের তথ্য অনুযায়ী, বড় আকারের ইলিশ বর্তমানে মণপ্রতি প্রায় ৯০ হাজার টাকা, কিছুটা ছোট আকারের ইলিশ ৬০ হাজার এবং আরও ছোট আকারের ইলিশ ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের আকার ও মান অনুযায়ী দামের পার্থক্য হচ্ছে।

ব্যবসায়ী রবি চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, বর্তমানে সাগরে মাছ কম আসায় ইলিশের দাম কিছুটা বেশি। তবে আগামী দুই-চার বা ১০ দিনের মধ্যে ট্রলারগুলো পর্যাপ্ত মাছ নিয়ে ফিরলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং দাম কমতে পারে।

তিনি বলেন, এক কেজি ওজনের ইলিশ ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা মণ, ৭০০ গ্রামের ইলিশ প্রায় ৭৫ হাজার টাকা মণ এবং আধা কেজি ওজনের ইলিশ প্রায় ৭০ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে মাছের মান ও আকারের ওপর ভিত্তি করে দর নির্ধারণ হয়।

ফিশারিঘাট ব্যবসায়ী সমিতির নেতা রবি চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, ভারতীয় ইলিশ বাজারে আসায় দেশি ইলিশের ওপর দামের চাপ তৈরি হয়েছে। তার দাবি, ভারতীয় ইলিশ দেখতে বড় হলেও দেশি ইলিশের মাংস, স্বাদ ও গুণগত বৈশিষ্ট্য আলাদা।

লুৎফর রহমান নামের আরেক জেলে জাগো নিউজকে বলেন, দেশি ইলিশের শরীর তুলনামূলক ভরাট ও মাংস বেশি। অন্যদিকে ভারতীয় ইলিশের মাথা কিছুটা বড় হলেও আকার ও গঠনে দেশি ইলিশের সঙ্গে পার্থক্য রয়েছে।

রেনুআরা বেগম নামে এক বিক্রেতা জাগো নিউজকে বলেন, কেজি ১,৩০০-১,৪০০ টাকা বিক্রি করতেছি। যে যার মতো বিক্রি করতেছে। যার ইচ্ছে কিনে নিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ভারতীয় ইলিশের দীর্ঘ সময় পরিবহন ও সংরক্ষণের কারণে অনেক সময় মাছের স্বাভাবিক গুণগত মান নষ্ট হয়। কয়েক ঘণ্টা পর মাছ নরম হয়ে রং পরিবর্তনের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে বলে তারা দাবি করেন।

ফিশারিঘাটের ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আগামী কয়েক দিনে সাগর থেকে পর্যাপ্ত ইলিশ নিয়ে ট্রলার ফিরলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে। তখন দেশি ইলিশের দামও কিছুটা কমে আসতে পারে।

বর্তমানে ফিশারিঘাটে পাইকারি বেচাকেনা প্রায় শেষের দিকে। পাইকারি আড়তদারদের কাছ থেকে মাছ কিনে খুচরা বিক্রেতারা বড় ও মাঝারি আকারের ইলিশ নিয়ে বসেছেন। ক্রেতাদের উপস্থিতিও দেখা গেছে বাজারজুড়ে।

এমআরএএইচ/এমএমকে

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

ভারতীয় ইলিশ ‘দেশি’ বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা

যশোর বড়বাজারে ভারতীয় ইলিশ দেশি বলে বিক্রির অভিযোগে এক আড়তদারকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

কুয়াকাটায় ২ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার ২০০ টাকায়

কুয়াকাটার আড়তে নিলামে ওঠা একটি ইলিশ কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে; বড় ইলিশ কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে সতর্ক করছেন গবেষকরা।

সমকাল১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()