সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে এ্যান্টিভেনামের অভাবে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পরিবেশ

রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে এ্যান্টিভেনামের অভাবে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, 'রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভালো ডাক্তার ও ওষুধ পাওয়া যায় না। দ্বায়িত্ব অবহেলার কারণে ৭ আগস্ট হৃদয় নামে সাপে কাটা এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তাকে হাসপাতালে আনা হলেও এ্যান্টিভেনাম না দিয়ে ফরিদপুর পাঠানো হয়। পরে ওই যুবক মারা যায়, এরকম অনেক ঘটনা ঘটেছে।'

সাধারণ সমস্যা নিয়ে এখানে আসলে ফরিদপুরে পাঠানো হয়। এর দায়ভার হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনের। ফলে তাদের এ দ্বায়িত্ব থেকে সরিয়ে ভালো কর্মকর্তাদের নিয়োগ এবং উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার দাবি জানান তারা।

এদিকে এ্যান্টিভেনাম না থাকার অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ হান্নান।

তিনি বলেন, হাসপাতালে পর্যাপ্ত এ্যান্টিভেনাম রয়েছে, যা জরুরি বিভাগে সংরক্ষণ করা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সাপে কাটা রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। প্রথমত তার প্রয়োজন ছিল আইসিইউ সাপোর্ট। যে কারণে তাকে ফরিদপুরে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সে মারা যায়। আর হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার বিষয় মানুষের মনগরা কথা। যার কোনো ভিত্তি নাই।

রুবেলুর রহমান/কেজে/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()