চলতি মাসের মাঝামাঝি থেকে ইন্দোনেশিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার বক্সড বিফ (প্যাকেটজাত গরুর মাংস) রপ্তানিতে নতুন হালাল নিয়ম কার্যকর হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়ার হালাল পণ্য নিশ্চয়তা আইন ৩৩/২০১৪ এবং এর বিধিমালা ১৫ বছর ধরে ধাপে ধাপে চালু হচ্ছে। ১৮ অক্টোবর থেকে দেশটিতে খাদ্য রপ্তানিকারক প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে, বক্সড বিফ, পানীয় এবং প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও পানীয়সহ, বাজারে ঢোকার জন্য যথাযথ হালাল সনদ নিতে হবে। নিয়মটি শুধু অস্ট্রেলিয়া নয়, সব রপ্তানিকারক দেশের জন্য প্রযোজ্য; মূল সময়সীমা ছিল ২০২৪ সালের অক্টোবর, দুই বছর পিছিয়ে এখন চালু হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়া অস্ট্রেলীয় গরুর মাংসের একটি উল্লেখযোগ্য ও বাড়ন্ত বাজার; চলতি পঞ্জিকাবর্ষে এ পর্যন্ত প্রায় ২০,০০০ টন নিয়েছে। নতুন বিধি অস্ট্রেলিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়ায় জীবন্ত গরু রপ্তানিতে প্রভাব ফেলবে না; ওষুধের মতো কিছু পণ্যের সময়সীমা আরও কয়েক বছর পরে।
অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগ (ডিএফএটি) বলছে, হালাল আইন সনদ লাগে এমন পণ্য ও রপ্তানি-সেবার পরিসর অনেক বাড়িয়েছে। ফলে ইন্দোনেশিয়ার বাজার ধরে রাখতে বা নতুন করে ঢুকতে আরও অনেক অস্ট্রেলীয় প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলক হালাল শর্ত মানতে হবে। আগের সনদ-ব্যবস্থায় অভ্যস্ত রপ্তানিকারকদেরও নিয়ম মানতে চর্চা বদলাতে হবে।
আইনটি সনদ-ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য নতুন কর্তৃপক্ষ গড়েছে: হালাল পণ্য নিশ্চয়তা আয়োজক সংস্থা (বিপিজেপিএইচ), যা ২০১৯ সালে ইন্দোনেশিয়ান উলামা কাউন্সিলের (এমইউআই) হাতে থাকা সনদ দেওয়ার দায়িত্ব নেয়। আইনে জবাই, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ, প্যাকেজিং, পরিবহন, বিপণন ও উপস্থাপনের মতো উৎপাদন ও রপ্তানি-সংশ্লিষ্ট সেবারও সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ডিএফএটি জানিয়েছে, রপ্তানিকারকেরা যাতে প্রয়োজনীয় তথ্য পান, সে জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকার ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। বাধ্যতামূলক তারিখের আগেই রপ্তানিকারকেরা চাইলে স্বেচ্ছায় নতুন শর্ত মানা শুরু করতে পারেন, যদিও ডিএফএটির মতে তা একান্ত জরুরি নয়।
সূত্র: Beef Central



মন্তব্য
(০)