সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

গাজীপুর সাফারি পার্কে নীলগাই পরিবারে দুই নতুন অতিথি

গাজীপুর সাফারি পার্কে জন্ম নিয়েছে দুটি নীলগাই শাবক। বর্তমানে তারা মায়ের সঙ্গে কোর সাফারি এলাকার বনে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

পরিবেশ

গাজীপুর সাফারি পার্কে জন্ম নিয়েছে দুটি নীলগাই শাবক। বর্তমানে তারা মায়ের সঙ্গে কোর সাফারি এলাকার বনে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২১ অক্টোবর প্রথমবার শাবক দুটির দেখা মেলে। এরপর প্রতিদিন খাবার খেতে এলে নির্দিষ্ট স্থানে তাদের দেখা যাচ্ছে। শাবক দুটি পুরুষ না স্ত্রী তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পার্কের বন্য প্রাণী পরিদর্শক মো. রাজু আহমেদ বলেন, এর আগেও কয়েকবার নীলগাই শাবক জন্ম দিয়েছে। সর্বশেষ দুটি শাবকসহ এখন পার্কে নীলগাইয়ের সংখ্যা ১১টি।

গতকাল কোর সাফারি এলাকায় মা নীলগাইয়ের সঙ্গে শাবক দুটিকে দেখা যায়। কখনো মায়ের দুধ পান করছে, কখনো বনের ভেতর ছুটে বেড়াচ্ছে তারা। পর্যটক বাসের উপস্থিতিতেও তারা স্বাভাবিক আচরণ করছে বলে জানান পার্ক কর্মকর্তারা।

বন্যপ্রাণী সংশ্লিষ্টদের মতে, নীলগাই সাধারণত শাবকের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক থাকে। এ কারণে তাদের শাবক দেখা বিরল ঘটনা। জন্মের ছয় মাস পর্যন্ত শাবক দুধ পান করে এবং ধীরে ধীরে ঘাস ও অন্য খাবার খেতে শেখে।

অ্যান্টিলোপ প্রজাতির মধ্যে নীলগাই সবচেয়ে বড় প্রাণী। পুরুষদের শিং থাকে ও রং কালচে, আর স্ত্রীদের রং কিছুটা বাদামি এবং শিং থাকে না।

গাজীপুর সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সহকারী বন সংরক্ষক তারেক রহমান বলেন, সাফারি পার্কের উন্মুক্ত ও উপযুক্ত পরিবেশের কারণে নীলগাইয়ের বংশবিস্তার নিয়মিত ঘটছে। এটি আমাদের সংরক্ষণ কার্যক্রমের ইতিবাচক ফল।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()