সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

নাগেশ্বরীতে সারের দাবিতে তিন ইউনিয়নে কৃষকের বিক্ষোভ, গুদামে ছিল ৪০ বস্তা

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করেন কৃষকরা; ডিলারের ভাষ্য, ৬০০ কৃষকের বিপরীতে গুদামে ছিল মাত্র ৪০ বস্তা সার।

ফসল

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে সারের দাবিতে বামনডাঙ্গা, বেরুবাড়ী ও রামখানা ইউনিয়নে বিক্ষোভ করেছেন কৃষকরা। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

সকাল থেকে শত শত কৃষক অপেক্ষা করতে থাকেন বেরুবাড়ী বাজারে ডিলার নুর মোহাম্মদ, বামনডাঙ্গা আমতলা বাজারে আদম আলী ও নাখারগঞ্জ বাজারে লাভলু মণ্ডলের গুদামের সামনে। দীর্ঘক্ষণ দোকান না খোলায় তাঁরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন; ইউনিয়ন উপসহকারী কর্মকর্তাদেরও সেখানে পাওয়া যায়নি। একপর্যায়ে কৃষকরা অটোরিকশায় মাইক বেঁধে মিছিল বের করে রাস্তা অবরোধ করেন।

বেরুবাড়ী ইউনিয়নের চর বেরুবাড়ী কপিলের চরের গোলাম মোস্তফা জানান, তিন বিঘা জমিতে রোপা আমন চাষ করেছেন তিনি এবং তিন দিন ধরে সারের জন্য ঘুরছেন। তাঁর ভাষ্য, এ অবস্থা চলতে থাকলে মাঝপথেই ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাবে। মণ্ডলপাড়ার বাবু ইসলাম জানান, অটোরিকশা চালিয়ে তাঁর জীবিকা, কিন্তু তিন দিন ধরে অটো না চালিয়ে সারের জন্য অপেক্ষা করে ফিরে যাচ্ছেন।

বেরুবাড়ী ইউনিয়নের সার ডিলার নুর মোহাম্মদ বলেন, এবারে বন্যা না হওয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশি জমিতে রোপা আমন চাষ হয়েছে, ফলে সারের চাহিদা ব্যাপক কিন্তু জোগান কম। তাঁর ভাষ্য, সোমবার গুদামে ছিল মাত্র ৪০ বস্তা সার, আর সারের জন্য এসেছিলেন প্রায় ৬০০ কৃষক; এই অল্প সার দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন বলেই গুদাম বন্ধ রাখতে হয়েছে।

বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে আদম আলীর গুদাম খোলা থাকলেও মজুত কম থাকায় বিতরণে জটিলতা দেখা দেয়। ইউনিয়ন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিনহাজুল ইসলাম জানান, পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে গুদামে থাকা ১৪০ বস্তা ইউরিয়া ও ১০০ বস্তা ডিএপি বিতরণ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন জানান, বামনডাঙ্গায় যা মজুত ছিল তা বিতরণ করা হয়েছে; রামখানা ও বেরুবাড়ীতে আরও সার এলে তা একসঙ্গে বিতরণ করা হবে। তাঁর মতে, ভবিষ্যতে সংকট হতে পারে— এই আশঙ্কা থেকে কিছু কৃষকের মধ্যে মজুত করার প্রবণতা তৈরি হয়েছে। ইউএনও মোহাম্মদ আলাউদ্দিন জানান, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।

সূত্র: সমকাল (নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি)

সমকালদা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

মাত্রাছাড়া সার-কীটনাশকে নষ্ট হচ্ছে মাটির স্বাস্থ্য, কৃষককে সতর্ক করার আহ্বান

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

মণপ্রতি ৭০০ টাকাতেও ক্রেতা নেই, গোলাভরা ধান নিয়ে বিপাকে হাওরের কৃষক

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের প্রায় চার লাখ কৃষক ধানের দাম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন; গত বছরের তুলনায় মণপ্রতি দর নেমেছে কয়েকশ টাকা।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()