সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

সেচের সিদ্ধান্ত এখন কৃষকের হাতে, খরচের ভাগও দিচ্ছেন তাঁরা

ইথিওপিয়ার কৃষক-নেতৃত্বাধীন সেচ উন্নয়ন কর্মসূচিতে কৃষক নিজেই ঠিক করেন কোন ব্যবস্থা চাই এবং নগদ অর্থ দেন; সরকার নির্মাণ নয়, সহায়তার ভূমিকায়।

পরিবেশ

ইথিওপিয়ার কৃষি দীর্ঘদিন হেঁটেছে দড়ির ওপর দিয়ে—অনিশ্চিত বৃষ্টির ওপর নির্ভরশীল, ভয়াবহ খরার সামনে অরক্ষিত। ক্ষুদ্র সেচের আগের চেষ্টাগুলো, যার বেশির ভাগই সরকার-চালিত, ভেঙে পড়া অবকাঠামো আর এলোমেলো ব্যবস্থাপনায় আটকে গিয়েছিল—নির্মাতারা চলে যাওয়ার পর।

এখন চেষ্টা হচ্ছে ভিন্ন এক মডেলের। কৃষক-নেতৃত্বাধীন সেচ উন্নয়ন বা ‘ফ্লিড’-এর নেতৃত্বে আছে ইথিওপিয়ার কৃষি মন্ত্রণালয়, আর পেছনে বিশ্বব্যাংকের ‘ইথিওপিয়া ফুড সিস্টেমস রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম’। এটি পানি দেয়, কিন্তু সেই সঙ্গে বদলে দেয় সিদ্ধান্ত নেয় কে।

ফ্লিডের মূল কথা মালিকানা। ওপর থেকে নির্দেশ দেওয়ার বদলে কৃষক—এককভাবে বা দলবদ্ধভাবে—ঠিক করেন কোন ধরনের ও কত বড় সেচব্যবস্থা তাঁরা চান, এবং নিজেদের অর্থ বিনিয়োগ করতে বাধ্য থাকেন। সরকার সরাসরি বাস্তবায়ন না করে দিকনির্দেশনা ও সম্পদ দিয়ে সহায়তা করে।

খরচ ভাগ করা হয়েছে ইচ্ছাকৃতভাবেই। যন্ত্রপাতির দামের একাংশ দেয় সরকার, একাংশ কৃষক—এই কাঠামো সেচকে নাগালে রাখে, আবার নিশ্চিত করে যে পাম্প যিনি ব্যবহার করবেন, পাঁচ বছর পরও সেটি সচল থাকা নিয়ে তাঁর দায় থাকবে।

কর্মসূচিটি হুট করে বানানো নয়। ইথিওপিয়ার ভেতরের সফল পরীক্ষামূলক উদ্যোগ এবং উগান্ডাসহ অন্যান্য আফ্রিকান দেশের অভিজ্ঞতা থেকে এটি শিক্ষা নিয়েছে; বিদ্যমান সরকারি উদ্যোগের বিকল্প নয়, পরিপূরক হিসেবেই এটি সাজানো, আর লক্ষ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ সেচব্যবস্থা।

বাস্তবায়ন হবে ধাপে ধাপে। চলতি অর্থবছরে পরীক্ষামূলক পর্যায়, পরের অর্থবছরে পূর্ণ জাতীয় বিস্তার—তিনটি সুপরিকল্পিত ধাপে, যাতে কৃষক জনগোষ্ঠীর জন্য পরিবর্তনটা আকস্মিক না হয়ে মজবুত হয়।

ভিত্তিটা স্পষ্ট করে বলা দরকার, কারণ এটি কয়েক দশকের চর্চাকে উল্টে দেয়: যে কৃষক নিজে ব্যবস্থাটি বেছে নিয়েছেন এবং তার জন্য অর্থ দিয়েছেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণ করার কারণ তাঁর আছে। নিজেদের সেচের পরবর্তী প্রজন্ম নিয়ে ইথিওপিয়া এই বাজিটাই ধরছে।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক

worldbankদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

পদ্মার পানি নামছে, দৌলতপুরে শুরু হয়েছে খাওয়ার পানির সংকট

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে তিন দিনে পদ্মার পানি ১৫ সেন্টিমিটার কমলেও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি, আর হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বাঁশের ওপর টিকে থাকা পান্ডা কেন কেবল চীনেই মেলে

একটি পূর্ণবয়স্ক জায়ান্ট পান্ডাকে দিনে ১২ থেকে ৩৮ কেজি পর্যন্ত বাঁশ খেতে হয়, আর বাঁশবন ধ্বংস হলেই তার অস্তিত্ব সরাসরি হুমকিতে পড়ে।

বিবিসি বাংলা১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()