সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

আট কোম্পানির সারে ভেজাল, বাজার থেকে তুলে নিতে চিঠি

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় সংগ্রহ করা ১৬টি নমুনার পরীক্ষায় আট কোম্পানির সার ভেজাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে; ওই উপজেলায় কৃষকের সংখ্যা ৩৭ হাজারের বেশি।

ফসল

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার বাজারে বিক্রি হওয়া আটটি কোম্পানির সারে ভেজাল পেয়েছে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট। এরপর এসব সার বাজার থেকে দ্রুত তুলে নিতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে চিঠি দিয়েছে সাটুরিয়া কৃষি অফিস।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ২১ ডিসেম্বর উপজেলার কয়েকটি সার ও কীটনাশকের দোকান থেকে ১৬টি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। গত ৮ সেপ্টেম্বর ফল আসে, তাতে আটটি কোম্পানির সারে ভেজাল ধরা পড়ে। নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল চরতিল্লির আলমগীর ট্রেডার্স, চর সাটুরিয়ার আব্দুল্লাহ এন্টারপ্রাইজ, দরগ্রামের কুষ্টিয়া বাজারের বারী এন্টারপ্রাইজ, বালিয়াটি বাজারের আরিফ এন্টারপ্রাইজ ও পুলক ট্রেডার্সসহ ৯টি দোকান থেকে।

ভেজাল শনাক্ত হওয়া পণ্যগুলো হলো— ব্যাবিলন এগ্রো অ্যান্ড ডেইরি লিমিটেডের ব্যাবিলন বোরন সার, ব্যাবিলন এগ্রিসায়েন্স লিমিটেডের ব্যাবিলন জিংক সালফেট মনোহাইড্রেট, নিড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের নিড সলুবোর, এগ্রো মাইন লিমিটেডের সলিড জিংক মনো, হোসেন এন্টারপ্রাইজের বিজয় জিংক সালফেট মনোহাইড্রেট, ডেলকো এগ্রোর মনো জিংক সালফেট এবং গ্রিন বাংলা এগ্রোভেটের জিবি জিংক মনোহাইড্রেট।

সাটুরিয়া উপজেলায় ৩৭ হাজার ৪৭৪ জন কৃষক রয়েছেন। তাঁরা ধান, পাট, আলু ও কপিসহ বিভিন্ন সবজিতে এসব সার ব্যবহার করেন। গবেষণাগারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব পণ্যের কার্যকরী ক্ষমতা সরকারি নির্দেশনার তুলনায় অনেক কম।

বালিয়াটি গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমার প্রজেক্টে প্রায় তিনশত বিঘা জমিতে আবাদ হয়ে থাকে। কিন্তু ফসল ফলাতে গিয়ে নানা ধরনের সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে আগের মতো উপকার পাই না।’ রাষ্ট্রপতি পদকপ্রাপ্ত কৃষক আ.খ.ম নূরুল হক বলেন, হরগজ ইউনিয়নে প্রথম ফুলকপি চাষ শুরু করেছিলেন তিনি; তখনকার সারগুলো ভালো কাজ করত, এখনকার সার কৃষকের কাজে আসছে না।

সাটুরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানিয়া তাবাসসুম জানান, ৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৬টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল; আটটি কোম্পানির সার সরকারি নির্দেশনার চেয়ে অনেক কম কার্যকরী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬-এর ১৭(২)(ঘ) উপধারা অনুযায়ী এগুলো ভেজাল সার, এবং এসব সার মজুত ও ক্রয়-বিক্রয় দণ্ডনীয় অপরাধ। বিএডিসির কয়েকজন ডিলারের কাছেও এসব পণ্য পাওয়া গেছে এবং সেগুলো সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

সাটুরিয়ার ইউএনও কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম বলেন, ভেজাল সারের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং তাদের ডিলারশিপও বাতিল হতে পারে।

সূত্র: সমকাল (প্রতিবেদন: মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ)

সমকালদা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

মাত্রাছাড়া সার-কীটনাশকে নষ্ট হচ্ছে মাটির স্বাস্থ্য, কৃষককে সতর্ক করার আহ্বান

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

মণপ্রতি ৭০০ টাকাতেও ক্রেতা নেই, গোলাভরা ধান নিয়ে বিপাকে হাওরের কৃষক

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের প্রায় চার লাখ কৃষক ধানের দাম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন; গত বছরের তুলনায় মণপ্রতি দর নেমেছে কয়েকশ টাকা।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()