সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

এবার গরু কিনতে গুনতে হচ্ছে ২০-৩০ শতাংশ বাড়তি টাকা

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে ধীরে ধীরে জমে উঠছে বেচাকেনা। তবে এবার হাটে গরুর দাম শুনেই অনেক ক্রেতার কপালে ভাঁজ পড়ছে। গত বছরের তুলনায় অধিকাংশ গরুর দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি চাওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মাঝারি ও ছোট আকারের গরুর দাম বেড়েছে তুলনামূলক বেশি। এতে সীমিত আয়ের মানুষের জন

লাইভস্টক

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে ধীরে ধীরে জমে উঠছে বেচাকেনা। তবে এবার হাটে গরুর দাম শুনেই অনেক ক্রেতার কপালে ভাঁজ পড়ছে। গত বছরের তুলনায় অধিকাংশ গরুর দাম ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি চাওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মাঝারি ও ছোট আকারের গরুর দাম বেড়েছে তুলনামূলক বেশি। এতে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য কোরবানির পশু কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

রাজধানীর আফতাবনগর, শাহজাহানপুর ও কমলাপুর এলাকার পশুর হাট ঘুরে ক্রেতা ও ব্যাপারীদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হলেও বাড়তি দামের চাপ সাধারণ মানুষের আনন্দে কিছুটা ভাটা ফেলেছে। তারপরও ধর্মীয় আবেগ ও কোরবানির গুরুত্ব বিবেচনায় সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কেনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নগরবাসী।

হাটে ঘুরে দেখা যায়, বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর সামনে ক্রেতাদের ভিড় বেশি। অধিকাংশ পরিবার দেড় লাখ টাকার মধ্যে গরু কিনতে চাইছেন। কিন্তু সেই বাজেটের মধ্যে পছন্দমতো গরু না পেয়ে হতাশ হচ্ছেন কেউ কেউ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখনও অনেক গরু হাটে আসেনি। ঈদের যত কাছে সময় গড়াবে, তত বেশি পশু রাজধানীতে আসবে। তখন বাজার পরিস্থিতির কিছু পরিবর্তন হতে পারে। তবে পরিবহন ও পশুখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে গত বছরের তুলনায় এবার গরু কিনতে বেশি টাকা গুনতে হবে।

অন্যদিকে, ক্রেতাদের একটি অংশ মনে করছেন, এবার বাজারে পর্যাপ্ত তদারকি নেই। অনেক বিক্রেতা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকাচ্ছেন। দরদাম করে কিছুটা কমানো গেলেও শেষ পর্যন্ত আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।

আফতাবনগরের বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী রেজাউল করিম বলেন, গত বছর যে গরু ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে কিনতে পেরেছিলাম, এবার একই ধরনের গরুর দাম ১ লাখ ৫০ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা চাওয়া হচ্ছে। বাজারে এসে মনে হচ্ছে বাজেট পুরো এলোমেলো হয়ে গেছে।

একই এলাকার আরেক ক্রেতা সোহেল রানা বলেন, গত বছর এক লাখ টাকার নিচে ছোট গরু পাওয়া গিয়েছিল। এবার ছোট গরুর দামই ১ লাখ ১০ হাজার টাকার ওপরে চাচ্ছেন ব্যাপারীরা। দরদাম করেও খুব একটা কমানো যাচ্ছে না।

শাহজাহানপুরের বাসিন্দা ব্যাংক কর্মকর্তা মাহবুব হোসেন বলেন, গত বছর ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার মধ্যে যে গরু পাওয়া গেছে এবার সেই গরুর দাম ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার ওপরে চাওয়া হচ্ছে। মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য এবার কোরবানি অনেক ব্যয়বহুল হয়ে যাচ্ছে।

একই এলাকার গৃহিণী ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, আমরা পরিবার মিলে একটি মাঝারি গরু কেনার পরিকল্পনা করেছি। কিন্তু হাটে এসে দেখি প্রত্যেক গরুর দাম আগের চেয়ে অনেক বেশি। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে গরুর জন্য বাজেট আরও ২০-৩০ হাজার বাড়াতে হবে।

কমলাপুরের বাসিন্দা ব্যবসায়ী আলামিন শেখ বলেন, ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি হওয়ায় বিক্রেতারাও বেশি দাম হাঁকাচ্ছেন। মানুষ কম বাজেটের মধ্যে গরু খুঁজছে, কিন্তু সেই গরুর দামও নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

একই এলাকার আরেক ক্রেতা সুমাইয়া আক্তার বলেন, আমাদের বাজেট ছিল দেড় লাখ টাকা। কিন্তু সেই বাজেটে এখন ভালো গরু পাওয়া কঠিন। পছন্দ মতো গরু কিনতে গেলে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকার মতো লাগবে মনে হচ্ছে। এখন কি আর করা বাজার ঘুরে বাজেটের মধ্যে যে গরু পাওয়া যাবে, তাই কিনবো।

ব্যাপারীরা অবশ্য দাম বৃদ্ধির পেছনে পরিবহন খরচ ও গরুর লালন-পালনের ব্যয় বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন। তাদের দাবি, এ বছর গ্রামাঞ্চল থেকেই বেশি দামে গরু কিনতে হয়েছে। এর সঙ্গে ট্রাক ভাড়া ও পশুখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়েই বেশি দামে গরু বিক্রি করতে হচ্ছে।

কমলাপুর হাটে গরু নিয়ে আসা কুষ্টিয়ার ব্যাপারী আবুল কালাম বলেন, গত বছর যে ট্রাক ভাড়া ১৭-১৮ হাজার টাকা ছিল এবার সেটি ২৪-২৫ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। শুধু একটা ট্রাকের মাড়াই ৬-৭ হাজার বেড়ে গেছে। এর সঙ্গে খাবার খরচও বেড়েছে। ফলে গরুর দাম এবার একটু বেশি।

চুয়াডাঙ্গা থেকে গরু নিয়ে আসা আরেক ব্যাপারী মিজানুর রহমান বলেন, খামারিরা এবার গরুর দাম বেশি চেয়েছেন। এছাড়া খড়, ভুসি, গমের ভুসি, ভুট্টা সব ধরনের খাবারের দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে ট্রাক ভাড়া। ফলে কম দামে বিক্রি করলে লাভ থাকে না।

সিরাজগঞ্জের ব্যাপারী জাকির হোসেন বলেন, মানুষ ভাবছে আমরা বেশি লাভ করছি। কিন্তু হাটে গরু আনতে এখন খরচ অনেক বেশি। ট্রাক ভাড়া, শ্রমিক খরচ, হাটের চাঁদা সব মিলিয়ে আগের চেয়ে অনেক ব্যয় বেড়েছে।

তিনি বলেন, ছোট গরুর চাহিদা এবার বেশি। কারণ অনেকের বাজেট সীমিত। সেই কারণে ছোট গরুর দামও বেড়ে গেছে। নতুন করে হাটে গরু না এলে সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।

এমএএস/এমএএইচ/

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

লাইভস্টক

সম্পর্কিত খবর

লাইভস্টক

সিদ্ধ ডিম কতক্ষণের মধ্যে খাওয়া উচিত?

ঝটপট প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে কিংবা সকালের নাশতায় ডিমের জুড়ি নেই। ব্যস্ত সকালে সময় বাঁচাতে অনেকেই একসঙ্গে কয়েকটি ডিম সিদ্ধ করে রাখেন। পরিবারের সবাই খাওয়ার পরও দু-একটি ডিম বেঁচে গেলে তখন প্রশ্ন আসে-সেগুলো কি পরে খাওয়া যাবে? নাকি সিদ্ধ ডিম দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়? সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে সিদ্ধ ডিম ফেলে দেওয়ার

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
লাইভস্টক

সরকারি সহযোগিতায় শৌখিন পায়রা রপ্তানি সম্ভব

দেশে বাড়ছে শৌখিন পায়রা পালনের বাণিজ্যিক উদ্যোগ। নরসিংদীতে এমনই এক সফল খামার গড়ে তুলেছেন এক উদ্যোক্তা। সেখানে রয়েছে নানা জাতের বিদেশী পায়রা। উদ্যোক্তা বলছেন, সরকারের সহযোগিতা পেলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও এসব শৌখিন পায়রা রপ্তানি করা সম্ভব।

শাইখ সিরাজ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের ভিডিও
লাইভস্টক

প্রতিদিন ডিম খেলে শরীরে কী হয়?

ডিম আমাদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকা সহজলভ্য ও পুষ্টিকর একটি খাবার। সকালের নাশতা থেকে শুরু করে দুপুর বা রাতের খাবাররে বিভিন্নভাবেই ডিম খাওয়া হয়।

জাগো নিউজ ২৪১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()