সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

ধানে তাপপ্রবাহের আগাম সতর্কবার্তা

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী সাতদিন (৩-৯ এপ্রিল) দেশের বেশিরভাগ এলাকায় বিশেষ করে ঢাকা, রাজশাহী এবং খুলনা জেলার বেশিরভাগ এলাকায় মাঝারি থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বিরাজ করতে পারে। যে কারণে ধানে তাপপ্রবাহের আগাম সতর্কবার্তা জানিয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।

পরিবেশ

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী সাতদিন (৩-৯ এপ্রিল) দেশের বেশিরভাগ এলাকায় বিশেষ করে ঢাকা, রাজশাহী এবং খুলনা জেলার বেশিরভাগ এলাকায় মাঝারি থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বিরাজ করতে পারে। যে কারণে ধানে তাপপ্রবাহের আগাম সতর্কবার্তা জানিয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)।

সতর্কবার্তায় এতে বলা হয়েছে, অতিতীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো হলো- রাজবাড়ী, মানিকগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা ও ঝিনাইদহ।

এ সময়ের জন্য কৃষি পরামর্শ

ধানগাছের বৃদ্ধির পর্যায়: কাইচ থোড় থেকে শক্ত দানা অবস্থা তাপপ্রবাহ থেকে ধান ফসল রক্ষার জন্য জমিতে সর্বদা ৫-৭ সেন্টিমিটার পানি ধরে রাখুন। এ সময় জমিতে যেন পানির ঘাটতি না হয়।

আরও পড়ুন

এ অবস্থায় শীষ ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ হতে পারে। রোগের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়ার আগেই প্রিভেনটিভ হিসেবে বিকেলবেলা ট্রুপার ৮ গ্রাম/১০ লিটার পানি অথবা নেটিভো ৬ গ্রাম/১০ লিটার পানি ৫ শতাংশ জমিতে ৫ দিন ব্যবধানে দুবার স্প্রে করতে হবে।

এছাড়া ধানে বিএলবি ও বিএলএস রোগ ব্যাপকভাবে দেখা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে ৬০ গ্রাম থিওভিট, ৬০ গ্রাম পটাশ ও ২০ গ্রাম জিংক ১০ লিটার পানিতে সমভাবে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()