এখানে কৃষি মানেই ফুল। আর ফুল মানেই সমৃদ্ধি। এই ফুল চাষই পাল্টে দিয়েছে অনেকেরই ভাগ্য। গোটা সাভার উপজেলায় শ্যামপুর, বনগাঁও, বিরুলিয়া এই তিনটি ইউনিয়নের সবগুলো গ্রামই এক একটি ফুল পল্লী। কৃষক আবাদি ক্ষেত থেকে বাড়ির আঙিনা...সবখানে গোলাপ চাষ করছেন। আমার মনে আছে, এই এলাকায় ফুল চাষের এই বিপ্লবের শুরু গত দুই যুগ আগে। প্রথমে দুয়েকজন দুরদর্শী কৃষক শুরু করেন। তারপর একে একে সবাই যুক্ত হন এই লাভজনক চাষে। ফুলের রাজধানীখ্যাত যশোরের গদখালির মতোই ফুল চাষের বিপ্লব ঘটেছে ঢাকার সাভারে। বিঘার পর বিঘা জমির গোলাপের সঙ্গে মিশে আছে বহু মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নতি অর্থাৎ রঙিন অর্থনীতির গল্প।
এটি বিরুলিয়ার সামাইর গ্রাম। কমবেশি সবখানেই চাষ হচ্ছে গোলাপ। এই গোলাপের জমিটি স্থানীয় তরুণ ইমরান হোসেনের। তিনি আত্মনির্ভরশীল হতে দ্বিতীয় কোনো চিন্তা করেননি। এইচএসসি পাশ করে পারিবারিক প্রচলন অনুযায়ী শুরু করেন ফুল চাষ। তার জানা মতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে ফুল চাষ হচ্ছে এই এলাকায়। তার উদ্যোগটির বয়স মাত্র ৭ বছরের। এরইমধ্যে ৭ বিঘা মেরিন্ডা জাতের গোলাপ ফুল চাষ করে সফল হয়েছেন তিনি।
বাণিজ্যিক কৃষির দৃষ্টিকোণ থেকে যদি ফুলের হিসাব করা হয়, এক বিঘা ফুল চাষে যা লাভ আসে তা যেকোনো ফসলের দুই থেকে তিনগুণ বেশি। বিশেষ করে এই লাভ অনেকটাই নিশ্চিত করছে গোলাপ ফুলে। (একটি গাছ ২০ বছর ফুল দেয়)





মন্তব্য
(০)