সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

ইনানী জাতীয় উদ্যানে মিলল ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, আছে মেঘলা চিতাও

সাত হাজার ৮৫ হেক্টরের উদ্যানটিকে ১১টি জোনে ভাগ করে ক্যামেরা ট্র্যাপ ও লাইন ট্রানসেক্ট পদ্ধতিতে চালানো গবেষণায় উঠে এসেছে মেঘলা চিতা, উল্লুক ও এশিয়ান হাতির উপস্থিতি।

কক্সবাজার শহর থেকে কিছু দূরে অবস্থিত ইনানী জাতীয় উদ্যানে সম্প্রতি এক গবেষণায় ২৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে, যেখানে রয়েছে মেঘলা চিতা ও উল্লুকের মতো চরম সংকটাপন্ন প্রাণীও।

উপকূলীয় ও পাহাড়ি বনাঞ্চলের মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনকে ২০১৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। সাত হাজার ৮৫ হেক্টরের এই উদ্যানটি দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করা হয়, যদিও সংরক্ষিত ঘোষণার পরেও সেখানকার বাস্তুতন্ত্র নিয়ে উল্লেখযোগ্য গবেষণা ছিল না।

গবেষণাটি করেছেন বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের ওয়াইল্ডলাইফ সেন্টারের পরিচালক বিপুল কৃষ্ণ দাস। পুরো উদ্যানকে ১১টি জোনে ভাগ করে তিনি ক্যামেরা ট্র্যাপ, লাইন ট্রানসেক্ট এবং পরোক্ষ চিহ্ন বা স্পটিং পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। বনের ৩২টি স্থানে ক্যামেরা বসানো হয়েছিল।

উঠে আসা প্রজাতির তালিকায় রয়েছে ক্লাউডেড লেপার্ড বা মেঘলা চিতা, উল্লুক এবং এশিয়ান এলিফ্যান্টের মতো বিপন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী।

শুধু প্রাণীর তালিকা তৈরিই লক্ষ্য ছিল না। বিপুল কৃষ্ণ দাস বলছেন, স্তন্যপায়ী প্রাণীর পাশাপাশি বৃক্ষ এবং আশপাশের জনবসতি তথা ওই বনাঞ্চলের সমগ্র বাস্তুতন্ত্রের অবস্থাই তিনি দেখার চেষ্টা করেছেন। তার মতে, মানুষের নানা কর্মকাণ্ড প্রতিনিয়তই বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।

একটি বনাঞ্চলে কী ধরনের প্রাণী বা বৃক্ষ রয়েছে এবং তার বাস্তুতন্ত্র কীভাবে টিকে আছে, এই তথ্য জানা জরুরি, কারণ সেখানকার জীববৈচিত্র্য টিকে থাকার বিষয়টি এর ওপরই নির্ভর করে। বনসংলগ্ন জনপদের চাষ ও জীবিকার হিসাবও এই বাস্তুতন্ত্রের সঙ্গেই জড়িয়ে।

সংরক্ষণে ঘাটতির কথাও উঠে এসেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ফিরোজ জামান বিবিসি বাংলাকে বলেন, "আমাদের অনেক জায়গায় সীমাবদ্ধতা রয়েছে। জনবল সংকট, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে পর্যাপ্ত বরাদ্দ নাই। যেভাবে আসলে ব্যবস্থাপনা করা প্রয়োজন সেটা অনেক ক্ষেত্রেই হচ্ছে না।"

সূত্র: বিবিসি বাংলা

বিবিসি বাংলাসূত্র

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

দুই উৎসের বর্জ্য ঠেকালে হালদার ৮০ শতাংশ দূষণ কমতে পারে, বলছেন গবেষকেরা

অনন্যা আবাসিক এলাকা হয়ে আসা সিটি করপোরেশনের বর্জ্য আর বাহির সিগন্যাল শিল্প এলাকার বর্জ্য সামলাতে পারলে হালদার দূষণ অনেকটাই কমবে; এ বছর মা-মাছের ডিম মিলেছে প্রায় ৬ হাজার কেজি।

দৈনিক বাংলা১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)