সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

চোরাই পথে চিনি আনতে গিয়ে হাতির আক্রমণে মৃত্যু

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় সীমান্ত এলাকা দিয়ে চিনি আনার সময় হাতির আক্রমণে আইনু মিয়া (৪০) নামে চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন।

পরিবেশ

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় সীমান্ত এলাকা দিয়ে চিনি আনার সময় হাতির আক্রমণে আইনু মিয়া (৪০) নামে চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২২ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘোষগাঁও ইউনিয়নের জিগাতলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আইনু মিয়া ওই গ্রামের মৃত শামসুল হকের ছেলে।

ঘোষগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশিদ জাগো নিউজকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আ. শহিদ মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, সম্প্রতি ভারত থেকে চোরাইপথে প্রতিদিনই চিনি আসছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সীমান্ত এলাকা দিয়ে গারো সম্প্রদায়ের লোকজন চিনির বস্তা আইনু মিয়ার হাতে তুলে দেন। আইনু বাইসাইকেলে চিনি নিয়ে ফেরার সময় হাতির সামনে পড়েন। হাতি দেখে দৌড়ে পালাতে চাইলেও শেষরক্ষা হয়নি তার। হাতি শুঁড় দিয়ে পেঁচিয়ে তার এক পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এতে ঘটনাস্থলেই আইনু মিয়া মারা যান। হাতি চলে গেলে স্থানীয়রা টের পেয়ে আইনু মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে।

চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশিদ বলেন, চোরাই চিনি আনতে গিয়ে হাতির আক্রমণে পা বিচ্ছিন্ন হয়ে আইনু মিয়া মারা গেছেন।

এ বিষয়ে জানতে ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নম্বরে একাধিকবার ফোন করলেও তিন রিসিভ করেননি।

মঞ্জুরুল ইসলাম/এফএ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()