মহাখালী ডিওএইচএস-এর প্রায় ২ হাজার ৭শ বর্গফুট ছাদজুড়ে গড়ে উঠেছে এক সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ছাদকৃষি। ২০২০ সালে যে ছাদকৃষি দেখা গিয়েছিল, বর্তমান চিত্র তার থেকে অনেক বেশি পরিপক্ব ও মাঠভিত্তিক কৃষির আদলে গুছানো। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন এই ছাদকৃষিকে এগিয়ে নিয়েছেন পরিকল্পনা, কৌশল ও ধারাবাহিক যত্নের মাধ্যমে।
শুরুতে যেখানে ছিল মূলত ফলদ গাছ, সেখানে এখন যুক্ত হয়েছে নানা ধরনের সবজি ফসল। আধুনিক কৌশল ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে উৎপাদন হচ্ছে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য। ব্যস্ত নগর জীবনের মাঝেও এই ছাদকৃষি তার কাছে মানসিক প্রশান্তি ও আনন্দের উৎস।
বর্তমান সরকারের একজন নীতি নির্ধারক হয়েও মাটি ও কৃষির সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি তিনি দেখেন সৌভাগ্য হিসেবে। ভবিষ্যতে নগর কৃষি, ছাদকৃষি ও আঙিনা কৃষিকে আরও বিস্তৃত করতে কৃষিভিত্তিক নীতিমালার প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।
দ্রুত নগরায়ণের কারণে কমে আসা কৃষিজমির ঘাটতি পুষিয়ে দিতে ছাদকৃষি হতে পারে একটি কার্যকর সমাধান, যা সবুজ নগর, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, বিশুদ্ধ বাতাস এবং পারিবারিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে সহায়ক।





মন্তব্য
(০)