সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বর্ষায় টবের গাছ সুস্থ রাখতে যা করবেন

বর্ষাকাল গাছের বেড়ে ওঠার জন্য অনুকূল হলেও টবে লাগানো গাছের ক্ষেত্রে এই মৌসুমে কিছু বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি, দীর্ঘ সময় মাটি ভেজা থাকা, পর্যাপ্ত রোদ না পাওয়া এবং ছত্রাকের সংক্রমণ-এসব কারণে অনেক সময় সুস্থ গাছও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে বর্ষাজুড়ে

পরিবেশ

বর্ষাকাল গাছের বেড়ে ওঠার জন্য অনুকূল হলেও টবে লাগানো গাছের ক্ষেত্রে এই মৌসুমে কিছু বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি, দীর্ঘ সময় মাটি ভেজা থাকা, পর্যাপ্ত রোদ না পাওয়া এবং ছত্রাকের সংক্রমণ-এসব কারণে অনেক সময় সুস্থ গাছও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তবে কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে বর্ষাজুড়েই টবের গাছ থাকবে সবুজ, সতেজ ও প্রাণবন্ত।

বর্ষায় টবের গাছের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো পানি জমে থাকা। টবের নিচের ড্রেনেজ হোল বন্ধ থাকলে অতিরিক্ত পানি বের হতে পারে না, ফলে শিকড়ে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয় এবং শিকড় পচে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তাই নিয়মিত টবের ছিদ্র পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজনে টবের নিচে স্ট্যান্ড ব্যবহার করুন, যেন পানি সহজেই বেরিয়ে যেতে পারে।

বৃষ্টির সময় অনেকেই অভ্যাসবশত প্রতিদিন গাছে পানি দেন। কিন্তু বর্ষাকালে মাটি অনেকক্ষণ ভেজা থাকে। তাই পানি দেওয়ার আগে আঙুল দিয়ে মাটির আর্দ্রতা পরীক্ষা করুন। উপরের কয়েক সেন্টিমিটার মাটি শুকিয়ে গেলে তবেই পানি দিন।

টানা ভারী বৃষ্টিপাত হলে টবের গাছ বারান্দা, ছাউনি বা এমন স্থানে সরিয়ে রাখুন যেখানে আলো-বাতাস থাকবে, কিন্তু সরাসরি অতিরিক্ত বৃষ্টি পড়বে না। এতে গাছ অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে রক্ষা পাবে।

দীর্ঘদিন ভেজা থাকার কারণে টবের মাটি শক্ত হয়ে যেতে পারে। এতে শিকড় পর্যাপ্ত বাতাস পায় না। তাই খুব সতর্কভাবে মাটির ওপরের অংশ সামান্য আলগা করে দিন। এতে বাতাস চলাচল বাড়বে এবং গাছের বৃদ্ধি ভালো হবে।

বর্ষাকালে আর্দ্রতার কারণে ছত্রাকজনিত রোগ দ্রুত ছড়ায়। হলুদ, কালচে দাগযুক্ত বা পচে যাওয়া পাতা এবং শুকিয়ে যাওয়া ডাল দ্রুত অপসারণ করুন। এতে রোগ অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কমে যায়।

বৃষ্টির দিনে সূর্যের আলো কম থাকলেও গাছ এমন স্থানে রাখুন যেখানে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো ও বাতাস পৌঁছায়। গাছগুলো খুব কাছাকাছি না রেখে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখলে বাতাস চলাচল সহজ হয় এবং ছত্রাকের সংক্রমণও কমে।

অতিরিক্ত বৃষ্টির সময় রাসায়নিক সার প্রয়োগ করলে তা ধুয়ে যেতে পারে বা গাছের শিকড়ের ক্ষতি করতে পারে। বর্ষাকালে পরিমিত পরিমাণ জৈব সার বা কম্পোস্ট ব্যবহার করলে গাছ ধীরে ধীরে পুষ্টি পায় এবং সুস্থ থাকে।

বর্ষায় শামুক, স্লাগ, মিলিবাগ, এফিডসহ বিভিন্ন পোকামাকড়ের আক্রমণ বাড়তে পারে। তাই সপ্তাহে অন্তত এক বা দুইবার গাছের পাতা, কাণ্ড ও মাটি ভালোভাবে পরীক্ষা করুন। সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে গাছকে সহজেই রক্ষা করা যায়।

টবের ভেতরে জন্মানো আগাছা গাছের পুষ্টি ও পানি ভাগ করে নেয়। পাশাপাশি এগুলো পোকামাকড় ও রোগজীবাণুর আশ্রয়স্থলও হতে পারে। তাই নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার রাখুন।

টবের চারপাশে শুকনো পাতা, পচা ফুল বা ময়লা জমে থাকলে সেখানে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে। তাই নিয়মিত টব ও আশপাশ পরিষ্কার রাখুন। পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গাছকে রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

বর্ষাকালে টবের গাছ সুস্থ রাখতে খুব বেশি পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় না; দরকার শুধু নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও সঠিক পরিচর্যা। পানি জমতে না দেওয়া, প্রয়োজন অনুযায়ী পানি দেওয়া, পর্যাপ্ত আলো-বাতাস নিশ্চিত করা এবং রোগ-পোকার আক্রমণ দ্রুত মোকাবিলা করার মাধ্যমে টবের গাছ সহজেই সুস্থ রাখা সম্ভব। সামান্য যত্নেই বর্ষাজুড়ে আপনার বারান্দা বা ছাদের বাগান থাকবে সবুজ, সতেজ ও মনোমুগ্ধকর।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()