সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৯৫ কিমি সড়ক, মেরামতে প্রয়োজন ২৮ কোটি টাকা

মৌলভীবাজারে বন্যায় ৯৫ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কের কোথাও কোথাও ভাঙন, আবার কোথাও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। এতে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

পরিবেশ

মৌলভীবাজারে বন্যায় ৯৫ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কের কোথাও কোথাও ভাঙন, আবার কোথাও খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। এতে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জেলা এলজিইডি সূত্র জানায়, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও সেতু মেরামত এবং পুনঃনির্মাণে প্রায় ২৮ কোটি টাকা প্রয়োজন। তবে এখনো পুরোপুরি হিসাব পাওয়া যায়নি। কারণ বিভিন্ন জায়গায় সড়কের ওপর এখনো পানি রয়েছে।

কমলগঞ্জের বাসিন্দা ধীরেন্দ্র দেবনাথ বলেন, ‌'ধলাই নদীর ভাঙনে আদমপুর ইসলামপুর সড়কের বেহাল অবস্থা। বিভিন্ন জায়গায় সড়ক ভেঙে গেছে। অসংখ্য গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।'

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ আব্দুল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত সড়কের যে ক্ষতি হয়েছে তা মেরামতে অন্তত ২৮ কোটি টাকা লাগবে। তবে পুরো ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জানতে আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে।'

এদিকে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি বছর জেলায় ৩৮ হাজার ৫৩০ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদ করা হয়। এর মধ্যে বন্যায় প্রায় ২৫০ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া তিন হাজার ৭৯ হেক্টর আমনের বীজতলার মধ্যে ৮৬ হেক্টর ও ২৩৬ হেক্টর সবজির মধ্যে ৬৫ হেক্টর প্লাবিত হয়েছে।

জেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বন্যায় জেলায় প্রায় ৪০৫টি মাছের ঘের প্লাবিত হয়েছে। এতে এক কোটি ১৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে এখনো ক্ষয়ক্ষতির পুরো তালিকা করা হয়নি।

মাহিদুল ইসলাম/এসআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()