সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বৈরী আবহাওয়ায় ‘আমের রাজা’র উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত, দুশ্চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় মহারাষ্ট্র রাজ্যে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বিখ্যাত আলফানসো আমের উৎপাদন। 'আমের রাজা' নামে পরিচিত এই জাতের আমের ফলন কমে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

ফল

ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় মহারাষ্ট্র রাজ্যে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে বিখ্যাত আলফানসো আমের উৎপাদন। 'আমের রাজা' নামে পরিচিত এই জাতের আমের ফলন কমে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।

মহারাষ্ট্রের উপকূলীয় শহর দেবগড়ের ২৬ বছর বয়সী উদ্যানতত্ত্ববিদ কোমল ওয়ালকে জানান, তাদের তিন একর বাগানে এ বছর প্রায় কোনো আলফানসো আমই হয়নি। ফলে অনলাইন মুদি প্রতিষ্ঠানের অর্ডার পূরণ করতে তাকে বড় খামার থেকে আম সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, অর্ডার সরবরাহ করতে না পারলে বড় ক্রেতারা আগামী বছর আর ফিরবে না।

ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় আম উৎপাদনকারী দেশ। গবেষণা ও রেটিং সংস্থা ক্রিসিলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ সালে দেশটি প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদন করেছে।

তবে মহারাষ্ট্রের কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, চলতি মৌসুমে অস্বাভাবিক গরম আবহাওয়া আলফানসো আমের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

দেবগড় এলাকার কৃষি কর্মকর্তা বাপুসাহেব মানিকরাও লাম্বাডে জানান, ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দিন ও রাতের তাপমাত্রার বড় পার্থক্যের কারণে আমের মুকুল ও ফল ধরার প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে এপ্রিল ও মে মাসে এল নিনো প্রভাবজনিত অতিরিক্ত গরমে ফল নষ্ট হয়ে যায়।

সরকার-সমর্থিত এক জরিপে দেখা গেছে, শুধু দেবগড় এলাকাতেই এ বছর আলফানসো আমের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ। মহারাষ্ট্রের অন্যান্য আম উৎপাদনকারী এলাকাতেও একই পরিস্থিতি দেখা গেছে।

ভারতের মোট আম শিল্পের বাজারমূল্য গত বছর ছিল প্রায় ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। গবেষণা প্রতিষ্ঠান মরডর ইন্টেলিজেন্স ধারণা করছে, ২০৩১ সালের মধ্যে এই বাজার ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

ভারতে উৎপাদিত অধিকাংশ আম দেশীয় বাজারেই বিক্রি হয়। তবে ২০২৫ সালে প্রায় ৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারের আম এবং ৮ কোটি ডলারের আমের পাল্প রপ্তানি করা হয়েছে।

তবে আবহাওয়াজনিত ক্ষতির পাশাপাশি ইরান যুদ্ধের প্রভাবেও রপ্তানি কমে গেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

আম রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান শ্রিভালি অ্যাগ্রোর সহ-প্রতিষ্ঠাতা শ্রিধর পাঠক জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলে পরিবহন খরচ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। দুবাই ও ওমানগামী চালান বিলম্ব বা বাতিল হওয়ায় তাদের রপ্তানি প্রায় ৪০ শতাংশ কমে গেছে।

রপ্তানির জন্য নির্ধারিত অনেক আম স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে হওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে এবং দামও কমে গেছে।

সূত্র: রয়টার্স

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()