সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

বছরের সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ

পটুয়াখালীর বাজারে বছরের সবচেয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে জাতীয় মাছ ইলিশ। বাজারে সরবরাহ কম। একইসঙ্গে বৈরী আবহাওয়ায় জেলেরা সমুদ্রে না যেতে পারায় ক্রেতাদের জন্য ইলিশ এখন 'স্বপ্নের মাছ' হয়ে উঠেছে। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এই মাছ আর দৈনন্দিন খাবারের অংশ নয়, বরং বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মৎস্য

পটুয়াখালীর বাজারে বছরের সবচেয়ে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে জাতীয় মাছ ইলিশ। বাজারে সরবরাহ কম। একইসঙ্গে বৈরী আবহাওয়ায় জেলেরা সমুদ্রে না যেতে পারায় ক্রেতাদের জন্য ইলিশ এখন 'স্বপ্নের মাছ' হয়ে উঠেছে। মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এই মাছ আর দৈনন্দিন খাবারের অংশ নয়, বরং বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পটুয়াখালী পৌর নিউমার্কেট এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, মাছ বিক্রেতারা মাত্র ৩০-৪০টি ইলিশ নিয়ে বসে আছেন। চারপাশে ক্রেতাদের ভিড় থাকলেও অনেকেই দাম শুনে ফিরে যাচ্ছেন। কেউ কেউ পরিবারের সদস্যদের আবদার রাখতে বাধ্য হয়েই বেশি দামে ইলিশ কিনছেন। বর্তমানে বাজারে ৪০০-৪৫০ গ্রামের একটি ইলিশ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ টাকায়, ৫০০-৬০০ গ্রামের ইলিশ ১৮০০ টাকা, ৬০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ২১০০ টাকা এবং ৮০০-৯০০ গ্রামের ইলিশ ২৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর চেয়েও বড়, ৯০০-১০০০ গ্রামের ইলিশের কেজি ২৫০০ টাকা ছুঁয়েছে। অথচ এই ইলিশ আগে সর্বনিম্ন ৩০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৯০০ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে।

ইলিশ কিনতে এসে দাম শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফিরোজ বিশ্বাস। তিনি বলেন, 'ইলিশ মাছের যে দাম, আমাদের মতো মানুষের পক্ষে কেনা সম্ভব নয়। আমাদের আয় বুঝে ব্যয় করতে হয়।'

ক্রেতা জাকির হোসেন বলেন, 'বাজারে অন্যান্য মাছের তুলনায় ইলিশ মাছ খুবই কম। এজন্য দামও অনেক বেশি। ইলিশ খাওয়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু এত দামে কেনা সম্ভব না। দাম কমলে হয়তো পরে কিনবো।'

উচ্চমূল্যের কারণে বিক্রিও কম বলে জানান বিক্রেতা জলিল মৃধা। তিনি বলেন, 'মাছ কম আসছে। এজন্য আমরা অনেক কম বিক্রি করছি। লাভও কম হচ্ছে। কাস্টমার আসে, দাম জিজ্ঞেস করে চলে যায়। বিক্রি করতে পারছি না।'

আরেক বিক্রেতা শফিকুল ইসলাম বলেন, 'সমুদ্রে জেলেরা ঠিকমতো মাছ ধরতে পারছে না। বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে মাছের জোগান কমে গেছে। বাজারে চাহিদা বেশি কিন্তু সরবরাহ নেই। তাই দাম বেড়ে গেছে।'

এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, '৫৮ দিনের অবরোধ শেষে জেলেরা যখন সমুদ্রে মাছ শিকারে গিয়েছিলেন, তখন অতিরিক্ত তাপমাত্রায় তারা তেমন মাছ ধরতে পারেননি। এরপর আবার টানা বৃষ্টিপাত ও বৈরী আবহাওয়ায় জেলেরা গভীর সমুদ্রে যেতে পারছেন না। ফলে ইলিশসহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণেই ইলিশের দাম বর্তমানে বেশি।'

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং জেলেরা নিয়মিত মাছ ধরতে পারলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে। তখন দামও কমে আসবে। সাধারণ মানুষের নাগালে ইলিশ ফিরে আসবে।

মাহমুদ হাসান রায়হান/এসআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

মৎস্য

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
মৎস্য

২ কেজির ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার টাকায়

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলে সোহরাফ গাজীর জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় আকৃতির ইলিশ। মাছটি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিলামে প্রতি কেজি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে মোট ৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
মৎস্য

বাড়িতে ইলিশ মাছের কাঁটা ছাড়াবেন যেভাবে

বাঙালির পছন্দের মাছের তালিকায় ইলিশ সবসময়ই শীর্ষে। সর্ষে ইলিশ, ভাপা ইলিশ কিংবা পাতুরি খাবারের টেবিলে আলাদা আনন্দ এনে দেয়। তবে ইলিশের স্বর্গীয় স্বাদের পাশাপাশি এর অসংখ্য সরু কাঁটা অনেকের কাছেই বড় সমস্যা। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ইলিশ খাওয়াতে গেলে বাড়ির সবারই বেশ ঝামেলায় পড়তে হয়। অসাবধানতায় গলায় কাঁটা

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()