সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি খাওয়া ফল কোনটি, কেন এত জনপ্রিয়?

আপনি সকালে নাশতার সঙ্গে, স্কুল-অফিসের ব্যাগে কিংবা খেলার মাঠের পাশে যেটা সবচেয়ে সহজে হাতে তুলে নেন- সেটাই আসলে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি খাওয়া ফল। অবাক করার মতো হলেও সত্যি, বছরে ১০০ বিলিয়ন বার ১০ হাজার কোটিরও বেশি বার খাওয়া হয় কলা (Banana)।

ফল

আপনি সকালে নাশতার সঙ্গে, স্কুল-অফিসের ব্যাগে কিংবা খেলার মাঠের পাশে যেটা সবচেয়ে সহজে হাতে তুলে নেন- সেটাই আসলে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি খাওয়া ফল। অবাক করার মতো হলেও সত্যি, বছরে ১০০ বিলিয়ন বার ১০ হাজার কোটিরও বেশি বার খাওয়া হয় কলা (Banana)।

কলা শুধু একটি ফলই নয়, গম, চাল ও ভুট্টার পর এটি এখন বিশ্বের চতুর্থ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য হিসেবে বিবেচিত। সহজলভ্যতা, স্বাদ, প্রাকৃতিক প্যাকেজিং ও পুষ্টিগুণ- সব মিলিয়ে কলা এমন এক ফল, যা একদিকে দরিদ্র কৃষকের জীবিকা, অন্যদিকে বৈশ্বিক খাদ্যনিরাপত্তার একটি স্তম্ভ।

বিশ্বজুড়ে এই একটিমাত্র ফল কীভাবে এত শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছালো, কেন এটি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল হয়ে উঠলো? আসুন জেনে নেওয়া যাক...

আজ আমরা যে মিষ্টি কলা খাই, তা একসময় ঘন উষ্ণমণ্ডলীয় বনে জন্মানো বুনো উদ্ভিদ ছিল। সেই কলার ভেতরে ছিল অসংখ্য শক্ত বীজ। গবেষকদের মতে, কলার উৎপত্তি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, বিশেষ করে বর্তমান মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন অঞ্চলে। হাজার হাজার বছর আগে এসব এলাকায় কলা বুনোভাবে জন্মাত।

তবে কলার যাত্রা এশিয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। পরবর্তীসময়ে আরব ব্যবসায়ী ও অভিযাত্রীরা কলাগাছ আফ্রিকায় নিয়ে যান। এরপর ষোড়শ শতকে ইউরোপীয় অভিযাত্রীরা কলাকে আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে আমেরিকায় পৌঁছে দেন। মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার উষ্ণ আবহাওয়া কলা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হওয়ায় অঞ্চলটি দ্রুত বিশ্ব কলা উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক কৃষিতে এক নতুন যুগের সূচনা হয়।

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ১ হাজারেরও বেশি জাতের কলা চাষ করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ক্যাভেনডিশ কলা। বর্তমানে বিশ্ব কলা উৎপাদনের প্রায় ৪৭ শতাংশ ও আন্তর্জাতিক রপ্তানি বাজারের প্রায় ৯৯ শতাংশই ক্যাভেনডিশ জাতের দখলে।

প্রতি বছর বিশ্বের মানুষ ১০০ বিলিয়নেরও বেশি কলা খায়। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য হওয়া ফল। এর পেছনে রয়েছে তিনটি প্রধান কারণ- সহজ ব্যবহারযোগ্যতা, বহুমুখী ব্যবহার ও শক্তিশালী সরবরাহ ব্যবস্থা।

বর্তমান দ্রুতগতির পৃথিবীতে মানুষ এমন খাবার চায়, যা সহজে খাওয়া যায়। এই দিক থেকে কলার মতো সুবিধাজনক ফল খুব কমই আছে।

কলার মোটা খোসা ফলটি ব্যাকটেরিয়া, ধুলাবালি ও বাইরের ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করে। একই সঙ্গে খোসার রং পরিবর্তন ফলটির পরিপক্বতারও ইঙ্গিত দেয়। কাঁচা অবস্থায় খোসা সবুজ থাকে, পরে হলুদ হয় এবং আরও পরিপক্ব হলে তাতে বাদামি দাগ দেখা যায়।

কলা খাওয়ার জন্য ছুরি লাগে না, ধোয়ারও প্রয়োজন হয় না। ফলে যে কোনো জায়গায় সহজেই এটি খাওয়া যায়।

বিশ্বের খুব কম ফলই কলার মতো বহুমুখী ব্যবহারযোগ্য। পাকা কলা স্বাভাবিকভাবেই মিষ্টি হওয়ায় এটি ডেজার্ট হিসেবে খাওয়া হয়। স্মুদি, কেক, কলার রুটি ও আইসক্রিম তৈরিতেও কলা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার বহু দেশে 'প্ল্যানটেইন' (Plantain) নামে পরিচিত কলার বিশেষ জাত প্রধান শ্বেতসারসমৃদ্ধ খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এসব কলা সেদ্ধ, ভাজা কিংবা চটকে খাওয়া হয়, অনেকটা আলুর মতো। এই বহুমুখী ব্যবহার কলাকে সাধারণ ফলের গণ্ডি পেরিয়ে অনেক দেশের প্রধান খাদ্যে পরিণত করেছে।

গ্রীষ্ম হোক বা শীত- সুপার মার্কেটে প্রায় সবসময় কলা পাওয়া যায়। এর কারণ হলো নিরক্ষীয় অঞ্চলে কলাগাছের সারা বছর ফল দেওয়ার ক্ষমতা ও অত্যন্ত উন্নত কোল্ড-চেইন পরিবহন ব্যবস্থা।

কলা সাধারণত সবুজ অবস্থায় সংগ্রহ করা হয়। এরপর ১৩ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় জাহাজে করে পরিবহন করা হয়, যাতে দ্রুত পেকে না যায়। গন্তব্য দেশে পৌঁছানোর পর ইথিলিন গ্যাস ব্যবহার করে কলা পাকানো হয়।

এই সুসংগঠিত বাণিজ্যিক ব্যবস্থার ফলে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ সারা বছর কম দামে তাজা কলা খেতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০০ গ্রাম কলায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে। একটি মাঝারি আকারের প্রায় ১১৮ গ্রাম ওজনের কলায় থাকে—

এই উপাদানগুলো শরীরে শক্তি উৎপাদন, মস্তিষ্ক ও পেশির কার্যক্রম, হজম প্রক্রিয়া, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিশ্বের অনেক খেলোয়াড়কে ম্যাচের বিরতিতে কলা খেতে দেখা যায়। এর কারণ বৈজ্ঞানিক।

কলায় থাকা কার্বোহাইড্রেট দ্রুত শক্তি জোগায়। পাশাপাশি এতে থাকা বি-ভিটামিন শরীরকে সেই শক্তি ব্যবহার করতে সাহায্য করে। ফলে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে কলা কার্যকর ভূমিকা রাখে।

তবে দীর্ঘস্থায়ী শক্তির জন্য বিশেষজ্ঞরা কলার সঙ্গে প্রোটিন বা স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। এতে রক্তে শর্করা ধীরে ধীরে প্রবেশ করে ও হঠাৎ শক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি কমে।

কলায় দ্রবণীয় খাদ্যআঁশ ও বিশেষ করে কাঁচা কলায় প্রতিরোধী শর্করা থাকে। এসব উপাদান কার্বোহাইড্রেটের হজম ও শোষণ প্রক্রিয়া ধীর করে, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূতি দেয়।

যদিও কলায় কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি, তবুও সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে এটি সাধারণত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হঠাৎ করে অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয় না।

কাঁচা কলার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স প্রায় ৪৭, যা নিম্নমাত্রার হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে পাকা কলার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স প্রায় ৫৭, যা মাঝারি পর্যায়ের। তবে এর গ্লাইসেমিক লোড তুলনামূলকভাবে কম।

তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা একবারে একটি কলা খাওয়ার পরামর্শ দেন, যাতে রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত বৃদ্ধি না পায়।

খাদ্যআঁশ হজমতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বহুদিন ধরেই স্বীকৃত। কাঁচা কলায় থাকা প্রতিরোধী শর্করা একটি প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ এটি সরাসরি হজম না হয়ে বৃহদান্ত্রে পৌঁছে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে।

এছাড়া কলায় পেকটিন (Pectin) নামের একটি বিশেষ ধরনের আঁশ থাকে, যা পাকা ও কাঁচা- উভয় ধরনের কলায়ই পাওয়া যায়। পেকটিন নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করতে পারে ও কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

প্রাথমিক পর্যায়ের কিছু পরীক্ষাগারভিত্তিক গবেষণায় আরও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে পেকটিন কোলন ক্যানসারের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সুরক্ষামূলক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও মানবভিত্তিক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

এখন পর্যন্ত কোনো গবেষণা সরাসরি ওজন কমানোর ওপর কলার নির্দিষ্ট প্রভাব বিশ্লেষণ করেনি। তবে কলার বেশকিছু বৈশিষ্ট্য এটিকে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ তৈরি করে।

একটি মাঝারি আকারের কলায় সাধারণত ১০০ ক্যালরির কিছু বেশি শক্তি থাকে। একই সঙ্গে এতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান ও তৃপ্তির অনুভূতি পাওয়া যায়।

কলায় থাকা খাদ্যআঁশ ও রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে পারে, যা অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের প্রবণতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। যারা খাদ্যতালিকায় কাঁচাকলা যুক্ত করতে চান, তারা এটি প্ল্যানটেইনের মতো বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহার করতে পারেন।

পটাশিয়াম এমন একটি খনিজ উপাদান, যা হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে বিশ্বের অনেক মানুষই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত পটাশিয়াম গ্রহণ করেন না।

কলা পটাশিয়ামের একটি ভালো উৎস। একটি মাঝারি আকারের কলা দৈনিক প্রয়োজনীয় পটাশিয়ামের প্রায় ১০ শতাংশ সরবরাহ করতে পারে।

পটাশিয়ামসমৃদ্ধ খাদ্যাভ্যাস উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত বলে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে। ২০২১ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায়, যারা প্রতিদিন ৩ হাজার মিলিগ্রামের বেশি পটাশিয়াম গ্রহণ করেন, তাদের হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি প্রায় ২৫ শতাংশ কম হতে পারে।

এছাড়া কলা দৈনিক প্রয়োজনীয় ম্যাগনেসিয়ামের প্রায় ৮ শতাংশ সরবরাহ করে। ম্যাগনেসিয়ামও হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম না পেলে উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বির মাত্রা বৃদ্ধি এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

ফল ও শাক-সবজি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত। কলাও এর ব্যতিক্রম নয়।

কলায় ফ্ল্যাভোনয়েড (Flavonoids) ও অ্যামাইনসসহ (Amines) একাধিক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় এসব উপাদানকে হৃদ্‌রোগ এবং বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে সম্পর্কিত পাওয়া গেছে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে ফ্রি র‍্যাডিকেলের কারণে সৃষ্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। যদি পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্রহণ না করা হয়, তাহলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফ্রি র‍্যাডিকেল জমা হয়ে কোষের ক্ষতি করতে পারে।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা ইনসুলিনের প্রতি শরীরের কম সাড়া দেওয়া টাইপ-২ ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি রোগের অন্যতম ঝুঁকির কারণ। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিরোধী শর্করা ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। ফলে শরীর ইনসুলিনের প্রতি আরও কার্যকরভাবে সাড়া দিতে সক্ষম হয়।

তবে কাঁচা সবুজ কলায় থাকা রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ ঠিক কতটা কার্যকরভাবে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায়, তা নিশ্চিতভাবে জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

পটাশিয়াম কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পটাশিয়ামের ভালো উৎস হিসেবে কলা কিডনির স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।

২০১৯ সালের একটি গবেষণায় প্রাথমিক পর্যায়ের দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগে আক্রান্ত ৫ হাজারেরও বেশি ব্যক্তির তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বেশি পটাশিয়াম গ্রহণের সঙ্গে কম রক্তচাপ এবং কিডনি রোগের ধীর অগ্রগতির সম্পর্ক রয়েছে।

তবে যাদের কিডনি রোগ অগ্রসর পর্যায়ে রয়েছে বা যারা ডায়ালাইসিস নিচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পটাশিয়াম গ্রহণ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এ কারণে খাদ্যতালিকায় পটাশিয়াম বাড়ানোর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সূত্র: গ্রেট ফার্মার ডট কম, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, এফএওএসএএইচ/ এমএফএ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()