সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮—আদা - আমদানিকৃত১৬৭—আদা - দেশী১৫৪—আমন চাল - মাঝারি৫৬—আমন চাল - মোটা৪৮—আমন চাল - সরু৭২—আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২—কাঁচা মরিচ২১৮—খামারের মুরগী১৬২—খাসী৯০০—চিনি (দেশী)১৩২—ছোলা - গোটা৮৫—ডিম ফার্ম - লাল৪৭—পেঁয়াজ - দেশী৬০—বোরো চাল - মাঝারি৫৫—বোরো চাল - মোটা৪৭—বোরো চাল - সরু৬৬—মাংসঃ– গরু৭২৯—মুগ ডাল১২২—রসুন - আমদানিকৃত১৯২—রসুন - দেশী১৭৩—সয়াবিন তেল১৬৩—
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৫°আংশিক মেঘলাআর্দ্রতা ৮৮%বাতাস ৬ কিমি/ঘ

পাকিস্তানে জিংক গম ৬৪ হাজার থেকে ৩১ লাখ হেক্টরে

পাঞ্জাব প্রদেশ ব্রিডার বীজের খরচ বহন করা ও সনদায়নের জট খোলার পর পাকিস্তানে জিংকসমৃদ্ধ গমের আবাদ ২০১৯ সালের ৬৪ হাজার হেক্টর থেকে ২০২৩ সালে ৩১ লাখ হেক্টর ছাড়িয়েছে, পৌঁছেছে ৩৩ লাখ কৃষক পরিবারে।

পাকিস্তানের ২০ শতাংশের বেশি মানুষ এবং নারী ও শিশুদের প্রায় ৪০ শতাংশ জিংক ঘাটতিতে ভোগেন। দেশটির প্রধান খাদ্য গম, তাই গমের দানায় জিংক ঢোকানোকে দেখা হয়েছে কৃষির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের পদক্ষেপ হিসেবেও। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে জিংকসমৃদ্ধ গমের আবাদি জমি ৬৪ হাজার হেক্টর থেকে বেড়ে ৩১ লাখ হেক্টর ছাড়িয়েছে।

কাজের কেন্দ্র ছিল পাঞ্জাব, যেখানে পাকিস্তানের বেশির ভাগ গম হয়। আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র (সিমিট) এবং আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটের নেতৃত্বাধীন হারভেস্টপ্লাস আইয়ুব কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে মিলে উচ্চফলনশীল জিংকসমৃদ্ধ জাত তৈরি করেছে, যার মধ্যে আছে আকবর-১৯ ও জিনকল-১৬।

বাধা প্রজননে ছিল না, ছিল প্রাথমিক পর্যায়ের বীজে। পাঞ্জাব কৃষি বিভাগ ব্রিডার বীজ বহুগুণ করতে সরাসরি সরকারি অর্থ দিয়েছে, আর প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ বীজ সনদায়ন সহজ করেছে, ব্রিডারের অধিকার সুরক্ষিত করেছে এবং জাতগুলোকে সরকারি গম উৎপাদন পরিকল্পনা ও উপকরণ ভর্তুকি কর্মসূচিতে যুক্ত করেছে, এই কাগুজে কাজই ঠিক করে দেয়, কৃষক যে জাত চান তা কিনতে পারবেন কি না।

চাহিদার দিকেও আলাদা তাগিদ দরকার ছিল। প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচার ফর ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে মিলে হারভেস্টপ্লাস মোবাইল খুদে বার্তা ও রোবোকলে প্রচার চালিয়ে কৃষকদের জানিয়েছে, জিংক জাতগুলোর ফলন তাঁদের চেনা জাতের মতোই এবং সঙ্গে পুষ্টির বাড়তি সুবিধা আছে। স্থানীয় বীজ কোম্পানির সঙ্গে অংশীদারত্বে সেই চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া হয়েছে বীজ উৎপাদন।

বীজ উৎপাদন ২০১৯ সালের ৫০ লাখ কেজি থেকে ২০২৩ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭ কোটি ৯০ লাখ কেজিতে। সম্প্রসারণ পৌঁছেছে ৩৩ লাখ কৃষক পরিবারে, আর বায়োফর্টিফাইড গম এখন যাচ্ছে ২ কোটির বেশি ভোক্তার পাতে।

অভিজ্ঞতাটি পড়ার মতো এর ক্রমের কারণে। জাতগুলো ২০১৯ সালের আগেই ছিল; বদলেছে কে ব্রিডার বীজের খরচ দেবে, একটি জাত কত দ্রুত সনদ পাবে এবং কৃষক আদৌ তার কথা শুনবেন কি না। কারিগরি কাজটিই ছিল সহজতর অংশ।

বাংলাদেশেও ব্রি একই কারণে জিংক ধানের কর্মসূচি চালায়, ব্রি ধান৬২, ধান৭২ ও ধান৮৪ অবমুক্ত হয়েছে এ জন্যই। পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা বলছে, মাপকাঠি হওয়া উচিত কতগুলো জাত অবমুক্ত হলো তা নয়, বাজারে কত টন সনদপ্রাপ্ত বীজ পৌঁছাল তা।

সূত্র: সিজিআইএআর (CGIAR)

CGIARসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

অর্ণবের বৃষ্টিতে ঈশ্বরদী ও লালপুরে নুয়ে পড়েছে পাকা আমন, ফলন কমার শঙ্কা

তিন দিনে ১১৩.৬ মিলিমিটার বৃষ্টিতে লালপুরে অন্তত ১৫০ হেক্টরের আমন হেলে পড়েছে; ঈশ্বরদীতে বিঘায় প্রায় ৫ মণ ফলন কমতে পারে বলে জানিয়েছে কৃষি অফিস, নুয়ে পড়া ধান বেঁধে দেওয়ার পরামর্শ।

সমকাল১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

ইটনার হাওরে ডিলারের সার মিলছে না, বস্তায় ২০০ টাকা বেশি দিয়ে কিনছেন কৃষক

বোরোর জমি তৈরির সময়ে কিশোরগঞ্জের ইটনায় ১০৮ বস্তা বিএডিসির ডিএপি সারসহ একটি নৌকা আটক করেছে নৌ পুলিশ; কৃষকদের অভিযোগ, ডিলারের বরাদ্দ এলাকায় না আসায় চোরাই সার কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামে।

সমকাল১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
ফসল

মিরসরাইয়ে প্রথম কালো ধানের পরীক্ষামূলক চাষ, ফলন প্রায় দ্বিগুণ বললেন উদ্যোক্তা

করেরহাটের দক্ষিণ অলিনগরে ৪.৮ কাঠা জমিতে ব্ল্যাক রাইস চাষ করেছেন গিয়াস উদ্দিন সোহেল; পুরো ধান আগামী মৌসুমের বীজ হিসেবে রাখবেন তিনি, বাজার সম্ভাবনা যাচাই করছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।

জাগো নিউজ ২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)