সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩১°হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৬৪%বাতাস কিমি/ঘবৃষ্টি ০.১ মিমি

পাকিস্তানে জিংক গম ৬৪ হাজার থেকে ৩১ লাখ হেক্টরে

পাঞ্জাব প্রদেশ ব্রিডার বীজের খরচ বহন করা ও সনদায়নের জট খোলার পর পাকিস্তানে জিংকসমৃদ্ধ গমের আবাদ ২০১৯ সালের ৬৪ হাজার হেক্টর থেকে ২০২৩ সালে ৩১ লাখ হেক্টর ছাড়িয়েছে, পৌঁছেছে ৩৩ লাখ কৃষক পরিবারে।

ফসল

পাকিস্তানের ২০ শতাংশের বেশি মানুষ এবং নারী ও শিশুদের প্রায় ৪০ শতাংশ জিংক ঘাটতিতে ভোগেন। দেশটির প্রধান খাদ্য গম, তাই গমের দানায় জিংক ঢোকানোকে দেখা হয়েছে কৃষির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের পদক্ষেপ হিসেবেও। ২০১৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে জিংকসমৃদ্ধ গমের আবাদি জমি ৬৪ হাজার হেক্টর থেকে বেড়ে ৩১ লাখ হেক্টর ছাড়িয়েছে।

কাজের কেন্দ্র ছিল পাঞ্জাব, যেখানে পাকিস্তানের বেশির ভাগ গম হয়। আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্র (সিমিট) এবং আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটের নেতৃত্বাধীন হারভেস্টপ্লাস আইয়ুব কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সঙ্গে মিলে উচ্চফলনশীল জিংকসমৃদ্ধ জাত তৈরি করেছে, যার মধ্যে আছে আকবর-১৯ ও জিনকল-১৬।

বাধা প্রজননে ছিল না, ছিল প্রাথমিক পর্যায়ের বীজে। পাঞ্জাব কৃষি বিভাগ ব্রিডার বীজ বহুগুণ করতে সরাসরি সরকারি অর্থ দিয়েছে, আর প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ বীজ সনদায়ন সহজ করেছে, ব্রিডারের অধিকার সুরক্ষিত করেছে এবং জাতগুলোকে সরকারি গম উৎপাদন পরিকল্পনা ও উপকরণ ভর্তুকি কর্মসূচিতে যুক্ত করেছে — এই কাগুজে কাজই ঠিক করে দেয়, কৃষক যে জাত চান তা কিনতে পারবেন কি না।

চাহিদার দিকেও আলাদা তাগিদ দরকার ছিল। প্রিসিশন অ্যাগ্রিকালচার ফর ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে মিলে হারভেস্টপ্লাস মোবাইল খুদে বার্তা ও রোবোকলে প্রচার চালিয়ে কৃষকদের জানিয়েছে, জিংক জাতগুলোর ফলন তাঁদের চেনা জাতের মতোই এবং সঙ্গে পুষ্টির বাড়তি সুবিধা আছে। স্থানীয় বীজ কোম্পানির সঙ্গে অংশীদারত্বে সেই চাহিদার সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া হয়েছে বীজ উৎপাদন।

বীজ উৎপাদন ২০১৯ সালের ৫০ লাখ কেজি থেকে ২০২৩ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭ কোটি ৯০ লাখ কেজিতে। সম্প্রসারণ পৌঁছেছে ৩৩ লাখ কৃষক পরিবারে, আর বায়োফর্টিফাইড গম এখন যাচ্ছে ২ কোটির বেশি ভোক্তার পাতে।

অভিজ্ঞতাটি পড়ার মতো এর ক্রমের কারণে। জাতগুলো ২০১৯ সালের আগেই ছিল; বদলেছে কে ব্রিডার বীজের খরচ দেবে, একটি জাত কত দ্রুত সনদ পাবে এবং কৃষক আদৌ তার কথা শুনবেন কি না। কারিগরি কাজটিই ছিল সহজতর অংশ।

বাংলাদেশেও ব্রি একই কারণে জিংক ধানের কর্মসূচি চালায় — ব্রি ধান৬২, ধান৭২ ও ধান৮৪ অবমুক্ত হয়েছে এ জন্যই। পাকিস্তানের অভিজ্ঞতা বলছে, মাপকাঠি হওয়া উচিত কতগুলো জাত অবমুক্ত হলো তা নয়, বাজারে কত টন সনদপ্রাপ্ত বীজ পৌঁছাল তা।

সূত্র: সিজিআইএআর (CGIAR)

CGIARদা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

ফসল

মাত্রাছাড়া সার-কীটনাশকে নষ্ট হচ্ছে মাটির স্বাস্থ্য, কৃষককে সতর্ক করার আহ্বান

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে মাটির স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া
ফসল

মণপ্রতি ৭০০ টাকাতেও ক্রেতা নেই, গোলাভরা ধান নিয়ে বিপাকে হাওরের কৃষক

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের প্রায় চার লাখ কৃষক ধানের দাম না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন; গত বছরের তুলনায় মণপ্রতি দর নেমেছে কয়েকশ টাকা।

সমকাল১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()