সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বিক্রেতা নেই, মানুষকে বিশ্বাস করেই ২৪ ঘণ্টা চলছে যে দোকান

রাস্তার পাশে চায়ের দোকান। একই দোকানে বিক্রি হয় শাক-সবজি, চা, পান, কলা, বিস্কুট। দোকানের নাম 'সততা দোকান'। কেউ এই দোকানের নাম দিয়েছেন 'ভরসার দোকান'। ব্যতিক্রমী এই দোকানে নেই কোনো নির্ধারিত বিক্রেতা। যারা চা পান করতে আসেন বা কেনাকাটা করতে আসেন, তারাই দোকানের বিক্রেতা।

শাকসবজি

রাস্তার পাশে চায়ের দোকান। একই দোকানে বিক্রি হয় শাক-সবজি, চা, পান, কলা, বিস্কুট। দোকানের নাম 'সততা দোকান'। কেউ এই দোকানের নাম দিয়েছেন 'ভরসার দোকান'। ব্যতিক্রমী এই দোকানে নেই কোনো নির্ধারিত বিক্রেতা। যারা চা পান করতে আসেন বা কেনাকাটা করতে আসেন, তারাই দোকানের বিক্রেতা।

এমন ব্যতিক্রমী দোকান গড়ে উঠেছে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার চারাতলা বাজারে। দোকানের প্রকৃত মালিক শমসের মন্ডল (৬৭)। তিনি উপজেলার ভালকি গ্রামের বাসিন্দা। পরিবারে পাঁচ সদস্য নিয়ে শমসের মন্ডলের সংসার। তার সংসারের খরচাদি সংকুলান হয় এই ব্যতিক্রমী দোকানের আয় থেকে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিক্রেতা বা দোকানি ছাড়াই চলছে একটি দোকান। এসময় দোকানে চা পান করতে আসেন শামীম নামের এক যুবক। তিনি নিজে চা বানিয়ে অন্য ক্রেতাদের পান করান। এরপর নিজে চা পান করে টাকা ক্যাশবাক্সে রেখে চলে যান। এর কিছুক্ষণ পরেই আলম হোসেন নামের আরেক ক্রেতা আসেন দোকানে। প্রয়োজনমতো কেনাকাটা শেষে বাক্সে টাকা রেখে চলে যান তিনিও।

এভাবেই চলছে ব্যতিক্রমী এই দোকান। যেখানে নেই কোনো নির্ধারিত দোকানি। স্থানীয়দের দাবি, সম্পূর্ণ পারস্পরিক আস্থা ও সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা করে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা ব্যতিক্রমী এই দোকানে চলে বেচাকেনা। এই দোকানের ক্রেতারা নিজেদের পছন্দের জিনিস বা চা-পান তৈরি করে নেন। কেনাকাটার পরে ক্রেতারাই দাম রেখে যান নির্ধারিত ক্যাশ বাক্সে।

মালিকবিহীন এই দোকানে প্রতিদিন ক্রেতারা নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী কাঁচা শাকসবজি, চা, পানসহ নিত্যপণ্য নিজ হাতে মেপে ক্যাশবাক্সে টাকা রেখে চলে যান।

স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আলম হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‌'এই দোকানে কোনো দোকানদার থাকেন না। দোকানের মালিক আছেন। তবে তিনি দোকানে বসেন না। দোকান ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। ক্রেতারাই দোকান চালান। তারাই ক্রেতা, তারাই বিক্রেতা। যার যা কেনাকাটা থাকে, সেই বাবদ টাকা ক্রেতারাই বাক্সে রেখে চলে যান। এভাবেই বহু বছর ধরে দোকানটি চলছে।'

উপজেলার বাসিন্দা শিশির পারভেজ জাগো নিউজকে বলেন, 'ব্যতিক্রমী দোকানের খবর পেয়ে চারাতলা বাজারে এসে অবাক হয়েছি। দোকানে নির্ধারিত কোনো বিক্রেতা নেই। ক্রেতারাই দোকানদার, আবার তারাই ক্রেতা। সম্পূর্ণ আল্লাহর ওপর ভরসা করে একটা দোকান এভাবে ২৪ ঘণ্টা চালানো যায়, না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। এরকম উদ্যোগের কথা এর আগে কোথাও শুনিনি।'

কথা হয় দোকানের মালিক শমসের মন্ডনের সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, 'আমার দোকানে কখনো কোনো হালখাতা করিনি। কোনো বাকি বিক্রিও নেই। ক্রেতারা নিজেদের মতো কেনাকাটা করেন। তারাই টাকা রেখে চলে যান। আমি শুধু দোকানে গিয়ে মালামাল কিনে দোকানে ঝুলিয়ে রাখি।'

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। মানুষকে অবিশ্বাস করলে তো আর দুনিয়াতে টিকে থাকা যায় না। পৃথিবীর সব মানুষ তো আর খারাপ না। দুনিয়ার বেশিরভাগ মানুষই ভালো। সৃষ্টিকর্তা আপনার ভাগ্যে যা রেখেছেন, তা আপনার হবেই। কাজেই, আল্লাহর ওপর ভরসা করে দোকান চালানো হয়। এভাবে দোকান চালিয়েও আমার ভালো আয় হয়। কখনো লোকসান হয়নি। বিশ্বাস সবচেয়ে বড় পুঁজি।'

এম শাহাজান/এসআর/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

বাজারে বিষমুক্ত করলার দাম নেই, আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা

জমির আইলের চারপাশে নীল রঙের জালের বেড়া। ভেতরে বাঁশ ও জালের মাচা। মাচার ওপরে সবুজ লতা। নিচে থোকায় থোকায় ঝুলছে তরতাজা করলা। কিন্তু এই করলায় নেই কোনো কীটনাশক বা রাসায়নিক বিষ।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মার নাকি গুজরাটের ইলিশ, চিনবেন যেভাবে

বাঙালির পাতে ইলিশের কদরই আলাদা। গরম ভাতের সঙ্গে সরিষা ইলিশ, কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাজা কিংবা ঝোল-যে পদই হোক, ইলিশের নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। কিন্তু বাজার থেকে চড়া দামে ইলিশ কিনে এনে রান্নার পর যদি সেই চেনা ঘ্রাণ আর স্বাদ না মেলে, তখন আফসোসের শেষ থাকে না।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()