সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

ভারতের স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগানো সেই কচ্ছপ এখন করমজলে

ভারতের গবেষণা কাজে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগিয়ে ছেড়ে দেওয়া মহাবিপন্ন প্রজাতির আরও একটি বাটাগুরবাস্কা কচ্ছপ বাংলাদেশে উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিবেশ

ভারতের গবেষণা কাজে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগিয়ে ছেড়ে দেওয়া মহাবিপন্ন প্রজাতির আরও একটি বাটাগুরবাস্কা কচ্ছপ বাংলাদেশে উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (৬ মার্চ) সকালে পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে মাছ ধরার সময় জেলেদের জালে কচ্ছপটি ধরা পড়ে। বিকেলে কচ্ছপটি বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদাপাই রেঞ্জের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেদ্রে নিয়ে আসা হয়।

এরআগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার কাজীরহাট এলাকায় স্থানীয় এক জেলের জালে আটকা পড়ে ভারতীয় স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগানো একটি বাটাগুরবাস্কা কচ্ছপ।

সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, 'শনিবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যায় পাথরঘাটার পায়রা নদীতে জেলেদের জালে কচ্ছপটি ধরা পড়ে। খবর পেয়ে পটুয়াখালী বন বিভাগের বনরক্ষীরা কচ্ছপটি জেলেদের কাছ থেকে আজ সকালে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। বিকেলে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগানো কচ্ছপটি সুন্দরবন বিভাগের চাঁদাপাই রেঞ্জের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেদ্রে নিয়ে আসা হয়।'

করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের এই কর্মকতা আরও বলেন, 'মহাবিপন্ন প্রজাতির এ বাটাগুরবাস্কা কচ্ছপের গতি ও আচরণবিধি, বিচরণ ক্ষেত্র, খাদ্যাভাস এবং প্রজনন সম্পর্কে জানতে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সজনেখালী এলাকার কুলতলীতে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসানো ১০টি পুরুষ কচ্ছপ অবমুক্ত করে সেদেশের টাইগার প্রজেক্টে ও প্রাণী সংরক্ষণ বিভাগ। এরমধ্যে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগানো দুটি বাটাগুরবাস্কা কচ্ছপ জলপথে আমাদের দেশে ঢুকে পড়ার বিষয়টি জানায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।'

'এর ১১ দিনের মাথায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সাগর-নদী হয়ে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার গাজীরহাটে জেরেদের জালে প্রথম ধরা পড়ে ভারতের স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগানো একটি বাটাগুরবাস্কা কচ্ছপ। তখন ভারতের স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগানো অপর বাটাগুরবাস্কা কচ্ছপটি বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার সুন্দরবন-সংলগ্ন বলেশ্বর নদীতে বিচরণ করছিল বলে সিগন্যাল পাওয়া যায়।'

সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের বাটাগুরবাস্কা প্রকল্পের স্টেশন ম্যানেজার আ. রব জানান, এক সময়ে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারে বাটাগুরবাস্কা প্রজাতির কচ্ছপের অস্তিত্ব ছিল। এখন যা মহাবিপন্ন শ্রেণিভুক্ত বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির।

তিনি বলেন, 'আমাদের দেশের উপকূলীয় এলাকায় দু-একটির যৎসামান্য অস্তিত্ব রয়েছে। সেগুলো সংগ্রহ করেই ২০১৪ সালে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে গবেষণার কাজ করা হচ্ছে।'

কচ্ছপের পিঠে লাগানো স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটারের কার্যক্ষমতা এক বছরের বলেও জানান এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, 'প্রথম বছরেই তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়। এরপর এমনিতেই এটি খসে পড়ে যায়। আমাদের মতো ভারতও মহাবিপন্ন প্রজাতির বাটাগুরবাস্কা কচ্ছপ টিকিয়ে রাখতে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার লাগিয়ে গবেষণা কাজ শুরু করেছে।'

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()