দেশে পর্যাপ্ত ইউরিয়া সার মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান ড. মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী ডিলারদের বিসিআইসির কারখানা ও বাফার গুদাম থেকে যথাসময়ে সার সরবরাহ করা হচ্ছে; মজুত নিয়ে কোনো গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
সোমবার নীলফামারী, লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগর ও কুড়িগ্রামে অবস্থিত বিসিআইসির সার গুদাম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনের সময় স্থানীয় জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালকের উপস্থিতিতে গুদামের মজুত খামালভিত্তিক গণনা করে যাচাই করা হয়। বিসিআইসি চেয়ারম্যান জানান, নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত দেশের চাহিদা মেটানোর মতো ইউরিয়া গুদামে রয়েছে।
তিনি বলেন, স্থানীয় তিনটি সার কারখানায় প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশ থেকে আমদানিও চলমান। এসব উৎস থেকে পাওয়া সার দিয়ে আগামী পিক সিজনের চাহিদা পূরণ সম্ভব হবে।
পরিদর্শন শেষে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, উপজেলা নির্বাহী ও কৃষি কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) নেতৃবৃন্দ এবং সার ডিলারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা হয়।
সভায় তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল যেন সারের কৃত্রিম সংকট, মূল্যবৃদ্ধি কিংবা গুজব ছড়াতে না পারে, সে বিষয়ে প্রশাসনকে মনিটরিং বাড়াতে হবে। ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকের কাছে সার পৌঁছানো নিশ্চিত করতে প্রতিটি কারখানা ও বাফার গুদামে একজন করে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে এবং শুক্র-শনিবারসহ সপ্তাহের সাত দিনই গুদাম থেকে সার বিতরণ চালু রাখা হয়েছে।
সূত্র: সমকাল (সমকাল প্রতিবেদক)





মন্তব্য
(০)