সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

বাড়ছে কাঁচা মরিচের দাম, আগেই চাষ করে নিন টবে

কাঁচা মরিচের কেজি এখন ৪০০ টাকা। কিন্তু এই মরিচ ছাড়া কোনো তরকারি রান্না করা সম্ভব নয়। তাই কম পরিশ্রমে বাড়ির চিলেকোঠা, ছাদে, বারান্দায় অথবা আঙিনায় টবে মরিচ চাষ করতে পারেন। এতে খরচও অনেক কম। সামান্য যত্নেই দ্রুত বেড়ে উঠবে মরিচ গাছ।

শাকসবজি

কাঁচা মরিচের কেজি এখন ৪০০ টাকা। কিন্তু এই মরিচ ছাড়া কোনো তরকারি রান্না করা সম্ভব নয়। তাই কম পরিশ্রমে বাড়ির চিলেকোঠা, ছাদে, বারান্দায় অথবা আঙিনায় টবে মরিচ চাষ করতে পারেন। এতে খরচও অনেক কম। সামান্য যত্নেই দ্রুত বেড়ে উঠবে মরিচ গাছ।

বাসার এমন একটি স্থান বেছে নিন যেখানে আলো-বাতাস আছে। মরিচ ছায়ায়ও ভালো হয়। তবে মাঝেমধ্যে রোদে দিতে হবে বা জানালার কাছে রাখতে হবে। চাষের ক্ষেত্রে মাটি অথবা প্ল্যাস্টিকের টব ব্যবহার করতে পারেন। এ ছাড়া পলিব্যাগ, টিনের কৌটা বা প্ল্যাস্টিকের পাত্র ব্যবহার করতে পারেন। মরিচ গাছের জন্য মাঝারি আকারের টব হলেই চলবে। মাঝারি আকৃতির একটি টবে চারটি মরিচ গাছ চাষ করা সম্ভব।

মরিচের জন্য দোআঁশ মাটি উপযুক্ত। এ ছাড়া সামান্য ক্ষারীয় মাটি ব্যবহার করতে পারেন। দোআঁশ মাটির সাথে জৈব সার ভালো করে মিশিয়ে টব ভর্তি করুন। মাটিতে যথেষ্ট পানি দিন, যাতে মাটি ভেজা থাকে। মাটি যেন একেবারে শুকিয়ে না যায়। এর জন্য আর্দ্র স্থানে রাখুন। বীজ বপন করার আগে বীজকে অবশ্যই ২৪ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। সাধারণত মরিচ চাষের উপযুক্ত সময় হলো মে-জুন। এ ছাড়া শীতকালের শুরুতে অক্টোবর মাসেও বীজ বপন করা যায়। এসময় বীজ বপন করলে মরিচের ভালো ফলন পাওয়া যায়।

পাত্রের মাটিতে শুকনা বীজ ছড়িয়ে দিন। কিছুদিন পরে দেখা যাবে বেশকিছু চারা গাছ গজিয়েছে। সেখান থেকে শক্তিশালী চারাগুলো রেখে বাকি চারাগুলো উপড়ে ফেলুন। শুকনো মরিচের ভেতরে যে বীজ থাকে সেগুলোও বের করে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। আরও দ্রুত সময়ে চাইলে নার্সারি থেকে মরিচ গাছের চারা কিনে আনুন। কোনো কোনো চারার সঙ্গে মরিচও ঝুলতে দেখা যাবে। ফলে কম সময়েই মরিচ সংগ্রহ করতে পারবেন।

তবে প্ল্যাস্টিকের কনটেইনার ব্যবহার করলে অতিরিক্ত পানি বের করে দেওয়ার জন্য আগেই কনটেইনারটিতে কয়েকটি ছোট ছিদ্র করে নিতে হবে। গাছের গোড়ায় দিনে একবার অবশ্যই পানি দেবেন। সব সময় সঠিক নিয়মে পরিমাণমতো পানি দিন। পানি দিলে গাছ হেলে গেলে গোড়ায় কাঠি বেঁধে দিন। পানি দেওয়ার সময় পাতা যেন ভিজে না যায়। টব থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখুন।

মরিচের চারা বড় হলে মাটিকে আর্দ্র রাখা জরুরি। যথেষ্ট আলো বাতাস ও পানির প্রয়োজন হয় গাছ বাড়ার জন্য। এদের রৌদ্রোজ্জ্বল স্থানে রাখতে পারেন। খুব বেশি রোদ যেন না লাগে। সকাল অথবা বিকালে মরিচ গাছের যত্ন নিন। কচি চারার ডগা খাওয়ার জন্য পিঁপড়া এবং ছোট পাখি আসে। তাই টবের চারপাশে কীটনাশক চকের দাগ দিতে পারেন অথবা পাউডারজাতীয় কীটনাশক দিতে পারেন। পাখির হাত থেকে বাঁচার জন্য শক্ত নেট ব্যবহার করুন। পানিতে কয়েক ফোঁটা তরল সাবান মিশিয়ে গাছে স্প্রে করুন।

গাছে ফুল এলে দু-তিন দিন পরই ঝরে যাবে। ধীরে ধীরে মরিচ বড় হবে। কিছুদিন পর থেকে মরিচ সংগ্রহ করতে পারবেন। টান দিয়ে না ছিড়ে কাঁচি দিয়ে কেটে নিন। একটি মরিচ গাছ থেকে মোটামুটি দুই দফায় মরিচ পাওয়া যায়। একটি গাছে এক দফায় কমপক্ষে ৫০ থেকে ৭৫টি করে, দুই দফায় ১০০ থেকে ১৫০টি মরিচ পাওয়া সম্ভব।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

বাজারে বিষমুক্ত করলার দাম নেই, আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা

জমির আইলের চারপাশে নীল রঙের জালের বেড়া। ভেতরে বাঁশ ও জালের মাচা। মাচার ওপরে সবুজ লতা। নিচে থোকায় থোকায় ঝুলছে তরতাজা করলা। কিন্তু এই করলায় নেই কোনো কীটনাশক বা রাসায়নিক বিষ।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মার নাকি গুজরাটের ইলিশ, চিনবেন যেভাবে

বাঙালির পাতে ইলিশের কদরই আলাদা। গরম ভাতের সঙ্গে সরিষা ইলিশ, কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাজা কিংবা ঝোল-যে পদই হোক, ইলিশের নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। কিন্তু বাজার থেকে চড়া দামে ইলিশ কিনে এনে রান্নার পর যদি সেই চেনা ঘ্রাণ আর স্বাদ না মেলে, তখন আফসোসের শেষ থাকে না।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()