কৃষিকে যারা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দিয়ে অন্যরকম আকর্ষণ হিসাবে ধরছেন, তাদের কাছে কৃষি শুধু লাভজনকই নয়, জীবন পাল্টে দেয়ারও একটি খাত হিসাবে প্রমাণিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে বয়স কোনো বিষয় নয়, ইচ্ছে শক্তিই বড়। দেশে এরকম অসংখ্য উদাহরণ আছে, যারা সময়ের চাহিদাকে মাথায় রেখে কৃষিকে ঢেলে সাজায়ে সফল হয়েছেন, কৃষি উদ্যোগ নিয়ে ভালো রয়েছেন।
এমন চিন্তায় টাঙ্গাইল বাসাইলের জসিহাটি গ্রামের আজহারুল ইসলাম তালুকদার চাকরি জীবন থেকে অবসর নিয়ে যুক্ত হয়েছেন কৃষি কাজে। গ্রামে ফিরেও বসে না থেকে পরিবর্তিত ও নতুন ধারার কৃষিকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছেন। নেমেছেন বিদেশি সবজি ফসল ক্যাপসিকাম উৎপাদনে।
প্রথম বছরে মাত্র ৪০ শতাংশ জমিতে চাষ করেছিলেন ক্যাপসিকাম। ফসলও ভালো পাচ্ছিলেন। তবে আবহাওয়া অনুকূল ছিল না বলে গতবার ভালো লাভ আসেনি।
তাতে হাল ছাড়েননি আজহারুল তালুকদার। সত্তরোর্ধ্ব বয়সেও কৃষিকে উপভোগ করতে দিনরাত পরিশ্রম করছেন। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিজেকে সফল উদ্যোক্তা হিসাবে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন। ক্যাপসিকামের মতো বিদেশে সবজি উৎপাদন করতে রপ্ত করেছেন প্রয়োজনীয় তথ্য ও কৌশলকে। এবার প্রতিকূল আবহাওয়াকে অনুকূলে রেখে উৎপাদন নিশ্চিত করতে গড়েছেন পলিনেট হাউজ। এই নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে রঙিন ক্যাপসিকাম উৎপাদনে দারুণ আশাবাদী আজহারুল ইসলাম তালুকদার।





মন্তব্য
(০)