সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

আনারসের সঙ্গে যেসব খাবার খেলে সত্যি কি হতে পারে বিপদ

মিষ্টি-টক স্বাদ, রসালো গঠন আর অসাধারণ পুষ্টিগুণের কারণে আনারস আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় মৌসুমি ফল। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ম্যাঙ্গানিজ, ফাইবার এবং ব্রোমেলেইন নামের একটি প্রাকৃতিক এনজাইম, যা শরীরের জন্য নানা দিক থেকে উপকারী।

ফল

মিষ্টি-টক স্বাদ, রসালো গঠন আর অসাধারণ পুষ্টিগুণের কারণে আনারস আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় মৌসুমি ফল। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, ম্যাঙ্গানিজ, ফাইবার এবং ব্রোমেলেইন নামের একটি প্রাকৃতিক এনজাইম, যা শরীরের জন্য নানা দিক থেকে উপকারী।

আজ ২৭ জুন, আন্তর্জাতিক আনারস দিবস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ফলটির পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরতেই দিনটি উদযাপন করা হয়।

তবে আনারসকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই কিছু প্রচলিত ধারণা রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, আনারসের সঙ্গে দুধ, মাছ বা কিছু নির্দিষ্ট খাবার খেলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে পারিবারিক পরামর্শে নানা সতর্কবার্তা প্রায়ই শোনা যায়।

কিন্তু এসব ধারণার পেছনে কি সত্যিই বৈজ্ঞানিক ভিত্তি আছে, নাকি এগুলোর বেশিরভাগই প্রচলিত ভুল ধারণা? আন্তর্জাতিক আনারস দিবসে জেনে নেওয়া যাক সেই প্রশ্নগুলোর উত্তর।

অনেকেই মনে করেন, আনারসের সঙ্গে দুধ খেলে বিষক্রিয়া হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধারণার পক্ষে কোনো শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

আনারসে থাকা ব্রোমেলেইন নামের একটি প্রাকৃতিক এনজাইম দুধের প্রোটিনের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া করে দুধ কিছুটা জমাট বাঁধাতে পারে বা স্বাদে সামান্য পরিবর্তন আনতে পারে। তবে এতে কোনো বিষাক্ত উপাদান তৈরি হয় না।

তবে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে আনারসের প্রাকৃতিক অম্লীয়তার কারণে দুধের সঙ্গে খেলে হালকা গ্যাস, পেটের অস্বস্তি বা বদহজম হতে পারে। বিশেষ করে যাদের পাকস্থলী সংবেদনশীল বা ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা রয়েছে, তাদের এমন সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা তুলনামূলক বেশি।

তাই সুস্থ মানুষের ক্ষেত্রে পরিমিত পরিমাণে আনারস ও দুধ খাওয়া সাধারণত নিরাপদ। তবে যাদের সংবেদনশীল পাকস্থলী রয়েছে, তারা কিছুটা সময়ের ব্যবধান রেখে খেলে ভালো।

অনেকেই ভাবেন, আনারস ও দই একসঙ্গে খেলে সমস্যা হয়। বাস্তবে এটি সঠিক নয়। বরং বিভিন্ন দেশে আনারস দিয়ে দই, স্মুদি বা ইয়োগার্ট বোল তৈরি করা হয়। শুধু খেয়াল রাখতে হবে, ফলটি যেন টাটকা হয় এবং দই নষ্ট না থাকে।

এ নিয়েও নানা ধরনের গুজব রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, আনারসের সঙ্গে চিংড়ি বা সামুদ্রিক মাছ খেলে অ্যালার্জি বা বিষক্রিয়া হতে পারে। বৈজ্ঞানিকভাবে এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে যাদের আগে থেকেই সামুদ্রিক খাবারে অ্যালার্জি আছে, তারা আলাদাভাবেই সতর্ক থাকবেন। এই অ্যালার্জির সঙ্গে আনারসের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।

এখানেই একটু বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। আনারসে থাকা ব্রোমেলেইন কিছু ওষুধের কার্যকারিতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে রক্ত পাতলা করার ওষুধ, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক বা নির্দিষ্ট ওষুধ সেবনকারীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আনারস খাওয়া উচিত। যারা নিয়মিত ওষুধ খান, তাদের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে খাদ্যাভ্যাস ঠিক করা ভালো।

সবার জন্য আনারস সমান উপযোগী নাও হতে পারে। যাদের আনারসে অ্যালার্জি রয়েছে, তারা এটি এড়িয়ে চলবেন। এছাড়া অতিরিক্ত অ্যাসিডিটির সমস্যা, মুখে ঘা বা সংবেদনশীল পাকস্থলী থাকলে বেশি পরিমাণে আনারস খেলে অস্বস্তি বাড়তে পারে। ডায়াবেটিস রোগীরাও আনারস খেতে পারবেন, তবে পরিমিত পরিমাণে এবং চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী।

অনেকেই আনারস খাওয়ার পর জিভ বা ঠোঁটে হালকা জ্বালাপোড়া অনুভব করেন। এর মূল কারণ হলো ব্রোমেলেইন এনজাইম। এটি মুখের ওপরের সূক্ষ্ম প্রোটিনকে সাময়িকভাবে ভেঙে দেয়। পাশাপাশি আনারসের প্রাকৃতিক অ্যাসিডও এ অনুভূতি বাড়াতে পারে। তবে এটি সাধারণত ক্ষতিকর নয় এবং কিছু সময় পর নিজে থেকেই কমে যায়।

আনারস সবসময় ভালোভাবে ধুয়ে, পাকা ও টাটকা অবস্থায় খাওয়ার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত লবণ বা চিনি মিশিয়ে খাওয়ার বদলে স্বাভাবিকভাবে খাওয়াই ভালো।

খালি পেটে বেশি পরিমাণে আনারস খেলে কারও কারও অম্বল বা অস্বস্তি হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে এবং সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে আনারস খাওয়াই সবচেয়ে ভালো।

আনারসের সঙ্গে দুধ, দই বা মাছ খেলে বিষক্রিয়া হয়- এমন ধারণার পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে ব্যক্তিভেদে হজমের সমস্যা, অ্যালার্জি বা নির্দিষ্ট ওষুধের কারণে কিছু সতর্কতা প্রয়োজন হতে পারে। তাই গুজবে কান না দিয়ে নিজের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করুন এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, মেডিকেল নিউজ টুডে. হেলথলাইন ও অন্যান্য

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()