সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

আলুর বাম্পার ফলনেও দামে হতাশ জয়পুরহাটের চাষিরা

মাঠে মাঠে আলু তোলার ধুম। মাটির বুক চিরে বের হচ্ছে সোনালি আলু। কিন্তু জয়পুরহাটের কৃষকদের চোখেমুখে নেই চিরাচরিত হাসির ঝিলিক। ফলন ভালো হলেও ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এ অঞ্চলের চাষিরা। দিন যত যাচ্ছে, বাজারে আলুর দর পতন হচ্ছে। বর্তমান বাজারে উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা, বিঘাপ্রতি বড় অঙ্কের লোকস

শাকসবজি

মাঠে মাঠে আলু তোলার ধুম। মাটির বুক চিরে বের হচ্ছে সোনালি আলু। কিন্তু জয়পুরহাটের কৃষকদের চোখেমুখে নেই চিরাচরিত হাসির ঝিলিক। ফলন ভালো হলেও ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এ অঞ্চলের চাষিরা। দিন যত যাচ্ছে, বাজারে আলুর দর পতন হচ্ছে। বর্তমান বাজারে উৎপাদন খরচ তো দূরের কথা, বিঘাপ্রতি বড় অঙ্কের লোকসান গুণতে হচ্ছে কৃষকদের। ফলন ভালো হলেও দামের এই অস্থিতিশীলতা নিয়ে চিন্তিত কৃষি বিভাগও।

জেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, চাষিরা আলু তুলছেন ঠিকই কিন্তু বিক্রির সময় তাদের দীর্ঘশ্বাস ভারী হচ্ছে। কৃষকদের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমিতে আলু চাষে সার, বীজ ও শ্রমিক খরচ মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টাকা। অথচ বর্তমানে যে বাজারদর; তাতে প্রতি বিঘার আলু বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। অর্থাৎ বিঘাপ্রতি লোকসান দাঁড়াচ্ছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা।

স্থানীয় বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে সাদা আলু এবং সৃটিক জাতের প্রতি মণ আলু মাত্র ২২০ থেকে ২৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর গ্যানোলা জাতের আলু বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২১০ টাকা। সিন্ডিকেট নাকি চাহিদার অভাব; ঠিক কী কারণে এই আকস্মিক দরপতন, তা নিয়ে কৃষকদের মনে জন্ম নিয়েছে তীব্র ক্ষোভ। চাষিরা বলছেন, সরকারিভাবে আলু রপ্তানি করা গেলে এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হতো না।

মাঠেই আলু বিক্রি করতে আসা কৃষক জয়নাল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‌'কয়েকদিন আগেও এক মণ আলু ৫৫০ টাকায় বেচেছি। এখন সেই আলু ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় নামছে। বাজারে প্রতিদিন মণে ৫০ থেকে ১০০ টাকা করে দাম কমছে। আমরা কৃষক এখন যাবো কোথায়?'

কৃষক সাইফুল ইসলামসহ অন্যরা জাগো নিউজকে বলেন, 'বর্তমান সরকারকে প্রান্তিক চাষিদের কথা চিন্তা করে আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।'

জয়পুরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি শামস মতিন জাগো নিউজকে বলেন, 'সরকার যদি ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে ও কম সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে দেয়, তবে এখানে অনেক উদ্যোক্তা গড়ে উঠবে। এতে আলু বিদেশে রপ্তানি করা সহজ হবে এবং কৃষকরাও লোকসানের হাত থেকে বাঁচবেন।'

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ কে এম সাদিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, 'এবার জেলায় ৩৯ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। জেলায় আলুভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলা যায়। তাহলে যেমন কর্মসংস্থান হবে; তেমনই চাষিরা আলুর ন্যায্যমূল্য পাবেন। এতে সরকারও বড় অঙ্কের রাজস্ব পাবে।'

মাহফুজ রহমান/এসইউ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

শাকসবজি

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

বাজারে বিষমুক্ত করলার দাম নেই, আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা

জমির আইলের চারপাশে নীল রঙের জালের বেড়া। ভেতরে বাঁশ ও জালের মাচা। মাচার ওপরে সবুজ লতা। নিচে থোকায় থোকায় ঝুলছে তরতাজা করলা। কিন্তু এই করলায় নেই কোনো কীটনাশক বা রাসায়নিক বিষ।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া
মৎস্য

পদ্মার নাকি গুজরাটের ইলিশ, চিনবেন যেভাবে

বাঙালির পাতে ইলিশের কদরই আলাদা। গরম ভাতের সঙ্গে সরিষা ইলিশ, কাঁচা মরিচ দিয়ে ভাজা কিংবা ঝোল-যে পদই হোক, ইলিশের নাম শুনলেই জিভে পানি আসে। কিন্তু বাজার থেকে চড়া দামে ইলিশ কিনে এনে রান্নার পর যদি সেই চেনা ঘ্রাণ আর স্বাদ না মেলে, তখন আফসোসের শেষ থাকে না।

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()