২০ বিঘা জমিতে আবু মুসার নানা জাতের ফল চাষ
কৃষি উৎপাদনে ফসল সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ধ্যান, জ্ঞান অর্থাৎ জেনে বুঝে বিনিয়োগ করলে কৃষি থেকে ছিটকে পড়ার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। এখন জেনে বুঝেই দেশের বহু কৃষক, তরুণ উদ্যোক্তা এমনকি ভিন্ন পেশার মানুষও কৃষিমুখি হয়ে বাণিজ্যিক উদ্যোগ নিচ্ছে।
ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুরের বাগমারি গ্রামের স্কুল শিক্ষক হারুন অর রশীদ মুসাও তাদেরই একজন। ছোটবেলা থেকেই তিনি কৃষিকে ভালোবাসেন। পড়াশুনার পাশাপাশি বাবার সঙ্গে কৃষিকাজে হাত লাগিয়েছেন। পরিবর্তিতে কৃষির নেশায় চাকরি করেও পৈত্রিক ভিটেমাটিকে শুধু ঐতিহ্য হিসেবে আঁকড়ে ধরে না রেখে বৈচিত্রময় ফল ফসল উৎপাদন করতে চেয়েছেন। সাফল্য আনার প্রচেষ্টায় ছুটে বেড়িয়েছেন দেশ-বিদেশের নানা প্রান্তে। অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে গতানুগতিক চাষাবাদের প্রথাকে ভেঙ্গে গড়েছেন বাণিজ্যিক কৃষি খামার।
এখন ২০ বিঘার সমন্বিত ফল বাগান তার। এখানে উৎপাদন করছেন অ্যাভোকাডো, মাল্টা, পারসিমন, লংগান, থাই জাম, কমলা, ড্রাগন, ফিলিপিনো আখ সহ বিভিন্ন ফসল।
উচ্চমুল্যের ফসলের নেশায় যুক্ত হয়েছেন ২০০৫ সালে। প্রথমে বাউকুল, পেয়ারা চাষ করেছেন। তারপর একে একে ড্রাগন, ফিলিপিনো আখ থেকে নানারকম দেশি-বিদেশি উচ্চ মুল্যের ফল চাষের পরীক্ষা নিরীক্ষা করছেন তিনি।





মন্তব্য
(০)