সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮২%বাতাস কিমি/ঘ

৯ লাখ টাকা আয়ের সম্ভাবনা আনারের

কম খরচে ভালো ফলন ও লাভজনক হওয়ায় কলা চাষে সফলতা পেয়েছেন কৃষক আনোয়ার হোসেন আনার। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের বাদে শোলাকিয়া গ্রামে কলা চাষে বছরে কমপক্ষে ৯ লাখ টাকা আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই কৃষকের। এই প্রথম চম্পা কলা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন তিনি। বাগান থেকে প্রতিদিন ব্যবসায়ীরা কিনে নিচ্ছে

ফল

কম খরচে ভালো ফলন ও লাভজনক হওয়ায় কলা চাষে সফলতা পেয়েছেন কৃষক আনোয়ার হোসেন আনার। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ইউনিয়নের বাদে শোলাকিয়া গ্রামে কলা চাষে বছরে কমপক্ষে ৯ লাখ টাকা আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এই কৃষকের। এই প্রথম চম্পা কলা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন তিনি। বাগান থেকে প্রতিদিন ব্যবসায়ীরা কিনে নিচ্ছেন কলা। কয়েক দিন পরে বিক্রি করতে পারবেন চারাও। এতে কলা চাষে আগ্রহ তৈরি হয়েছে এলাকার অন্য চাষিদের।

জানা গেছে, স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে ফিশারির সামনের পতিত জমিতে চম্পা কলার চারা সংগ্রহ করে চাষ করেন কৃষক আনোয়ার হোসেন আনার। দেড় একর জমিতে ১৬০০ চম্পা কলা গাছ রোপণ করেন। এতে খরচ হয়েছে ৩ লাখ টাকার মতো। বাগান থেকেই ব্যবসায়ীরা প্রতি ছড়া কলা কিনে নিচ্ছেন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। প্রথম বছরই বিক্রি হবে ১২ লাখ টাকা। এতে তার আয় হবে প্রায় ৯ লাখ টাকা।

কৃষক আনোয়ার হোসেন আনার বলেন, 'স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাছিরুজ্জামান সুমনের পরামর্শে চম্পা কলার চাষ করেছি। যে কোনো ফসলের চেয়ে কলা চাষে খরচ কম, লাভ বেশি। এতে অল্প দিনেই ফল পাওয়া যায়। অন্য ফসলের চেয়ে কলার দামও বেশি। কলা বাগানে কীটনাশকমুক্ত কলা চাষ হয়েছে। ফলন ভালো হয়েছে এবং আকারও অনেক বড় হয়েছে। কলা বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে না। বাগান থেকেই বেপারিরা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রথমবারই যে পরিমাণে ফলন হয়েছে, আশা করছি ৯ লাখ টাকা লাভ হবে।'

আরও পড়ুন: হলুদ তরমুজ চাষে কৃষকের মুখে হাসি

তিনি বলেন, 'আমার বড় একটি ফিশারি আছে। তাতে অনেক কলাপাতা লাগে। কলা বাগান থেকে প্রতিদিন যে পরিমাণ পাতা কাটা হয়, তা আমার ফিশারির মাছের খাদ্য হিসেবেও কাজে লাগে। এখানেও আমার লাভ হচ্ছে। এছাড়া কয়েকদিন পরে কলার চারাও বিক্রি করতে পারবো। তাতেও লাভ হবে।'

কলা বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন রুবেল মিয়া। তিনি বলেন, 'এ বাগানের শুরু থেকে আমি শ্রমিক হিসেবে কাজ করছি। প্রতিদিন আমার হাজিরা ৫০০ টাকা। এ আয় দিয়েই আমার সংসার চলে।'

কলা ব্যবসায়ী আবুল হোসেন বলেন, 'আমি ৩০ বছর ধরে কলার ব্যবসা করি। আনার ভাইয়ের বাগানের চম্পা কলা যে বড় হয়েছে, এত বড় ও পুষ্ট হতে আমি আগে দেখিনি। বাগান থেকে প্রতি কলার ছড়া ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা দরে কিনে নিচ্ছি। কলা পাকলে আমরা ছড়া প্রতি ১০০০ বা ১১০০ টাকা বিক্রি করতে পারবো।'

আরও পড়ুন: সম্ভাবনাময় আম রপ্তানিতে বাংলাদেশ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাছিরুজ্জামান সুমন বলেন, 'উপজেলায় এত বড় কলার বাগন আর নেই। এ ধরনের কলার চাষাবাদে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়েছে। সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়া হবে নতুন উদ্যোক্তাদের। গাছ লাগানো থেকে শুরু করে ১১ মাসের মধ্যে কলা কাটা যায়। বাগান দেখে এলাকার অনেক চাষি কলা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। তারা চারা নিতে প্রতিনিয়তই যোগাযোগ করছেন।'

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফাহিমা আক্তার ফাহিম বলেন, 'নিরাপদ ফসল উৎপাদনে কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের নানাভাবে পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। চলতি মৌসুমে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৬০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের কলা চাষ হয়েছে। কোনো রোগবালাই না দেখা দেওয়ায় চলতি মৌসুমে সদর উপজেলায় কলার বাম্পার ফলন হয়েছে।'

এসকে রাসেল/এসইউ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফল

সম্পর্কিত খবর

ফল

এআই দিয়ে স্ট্রবেরির জাত উদ্ভাবন: জাপানের Culta এখন বিশ্ববাজারের দিকে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ফলের জাত উদ্ভাবন করে চুক্তিবদ্ধ চাষির মাধ্যমে ব্র্যান্ডেড ফল বিক্রি করা জাপানি স্টার্টআপ Culta অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে আলোচনা চালাচ্ছে; ২০৩২ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৩ হাজার কোটি ইয়েন (১৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার) আয়।

এজিফান্ডনিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গৃহবন্দি সময় কাটে ফেসবুক-ইউটিউবে, ড্রাগন চাষে সফল ইব্রাহীম

করোনাকালে গৃহবন্দি ছিলেন মাগুরার মো. ইব্রাহীম। কাজের ব্যস্ততা ছিল না। অবসর কাটাতে ফেসবুক ও ইউটিউবে ঘুরে বেড়াতেন। একদিন ড্রাগন ফল চাষের একটি ভিডিও তার নজরে আসে। এরপর একের পর এক ভিডিও দেখতে থাকেন। ধীরে ধীরে ড্রাগন চাষের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। একসময় অনলাইনে দেখা সেই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন চাষ

জাগো নিউজ ২৪১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

জ্যাম-জেলি নয়, এবার পেয়ারা দিয়ে বানান টক-মিষ্টি তরকারি

আমাদের দেশে পেয়ারা সাধারণত পাকা ফল হিসেবেই বেশি খাওয়া হয়। পাকা পেয়ারা কেটে খাওয়া, জ্যাম, জেলি কিংবা বিভিন্ন মিষ্টি পদে ব্যবহার-এসবই বেশ পরিচিত। কিন্তু পেয়ারা যে শুধু ফল হিসেবে খাওয়ার জন্য নয়, তা জানলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাঁচা বা আধাপাকা পেয়ারা দিয়ে নানা ধরনের রান্না করার চল

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()