সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

৩০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পড়লো হাতি, চিড়ে গেছে পেট

কক্সবাজারের টেকনাফে প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পড়ে একটি বন্য মা হাতি গুরুতর আহত হয়েছে। এটির পেটের নিচে সামান্য চিড়ে গেছে।

পরিবেশ

কক্সবাজারের টেকনাফে প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু পাহাড় থেকে পড়ে একটি বন্য মা হাতি গুরুতর আহত হয়েছে। এটির পেটের নিচে সামান্য চিড়ে গেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যাংপাড়া এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

বন বিভাগের ধারণা, পাহাড়ে লতাপাতা খাওয়ার সময় হাতিটি পা পিছলে গভীর ঢালে পড়ে যায়। এতে প্রাণীটি গুরুতর আহত হয়। পরে আর উঠে দাঁড়াতে পারেনি।

আহত হাতিটিকে দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বন বিভাগকে খবর দেন। পরে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেন। একই সঙ্গে ভেটেরিনারি চিকিৎসকের মাধ্যমে হাতিটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুর রশিদ বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ভেটেরিনারি চিকিৎসক হাতিটির চিকিৎসা দিচ্ছেন। কয়েক দিন নিবিড় পরিচর্যা ও চিকিৎসা দেওয়া গেলে হাতিটি সুস্থ হয়ে উঠতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী বলেন, 'পাহাড় থেকে পড়ার পর হাতিটি গুরুতর আহত হয়। বর্তমানে এটি মাটিতে শুয়ে আছে এবং খুব সামান্য নড়াচড়া করতে পারছে। ধারণা করা হচ্ছে, হাতিটি পেটে গুরুতর আঘাত পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, 'হাতিটির চিকিৎসার জন্য ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। হাতিটিকে সুস্থ করার পর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী বনে অবমুক্ত করা হবে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে পাঠানো হবে।'

জাহাঙ্গীর আলম/এসআর

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()