সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

৩ কারণে বিপন্ন হচ্ছে প্রকৃতির পরম বন্ধু ‘গন্ধগোকুল’

সাব্বির হোসাইন

পরিবেশ

সাব্বির হোসাইন

​সন্ধ্যা ঘনিয়ে চারপাশ কিছুটা নিঝুম হতেই হঠাৎ বাতাসে ভেসে আসে পোলাওয়ের মতো সুবাস। আশপাশে কোনো রান্নার আয়োজন না থাকলেও ছড়ানো এই মিষ্টি গন্ধের রহস্য মূলত একটি প্রাণী 'গন্ধগোকুল'। লোকালয়ে এদের এলাকাভিত্তিক নাম খাটাশ, নেল কিংবা বাগডাশ। কিন্তু চরম অসংবেদনশীলতা, অজ্ঞতা আর গুজবের জেরে এই নিরীহ বন্যপ্রাণীটি এখন ভয়াবহ সংকটের মুখে।

সম্প্রতি জামালপুরের বাঁশচড়া ইউনিয়নের সামু মন্ডলের মোড় এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এক তথাকথিত 'বাঘ' আতঙ্ক। অদ্ভুতদর্শন প্রাণীটিকে চিনতে না পেরে লোকালয়ে তৈরি হয় অহেতুক ভীতি। একপর্যায়ে ফাঁদ পেতে জালে আটকে ফেলে সেটিকে পিটিয়ে হত্যা করে এলাকাবাসী। প্রাণ হারানোর পর স্পষ্ট হয়, আতঙ্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা প্রাণীটি হিংস্র কোনো বাঘ ছিল না সেটি ছিল প্রকৃতির নীরবে সেবা করে যাওয়া এক বিপন্ন গন্ধগোকুল।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা (আইইউসিএন)-এর লাল তালিকায় থাকা গন্ধগোকুল মূলত নিশাচর এবং অত্যন্ত লাজুক প্রকৃতির। মানুষের কাছাকাছি থাকলেও এরা স্বভাবগতভাবেই ভয় পায় এবং এড়িয়ে চলে। এদের শরীরের বিশেষ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রসের কারণেই বাতাসে পোলাওয়ের মতো মিষ্টি সুবাস ছড়ায়, যা দিয়ে এরা নিজস্ব সীমানা চিহ্নিত করে।

গন্ধগোকুল কৃষি ও বনের নীরব কারিগর। ​বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতে, গন্ধগোকুল প্রকৃতির পরম বন্ধু। কৃষকের ফসলের ক্ষতি করা ইঁদুর ও বিষাক্ত পোকামাকড় খেয়ে এরা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। সবচেয়ে বড় বিষয়, বট বা অন্যান্য বন্য ফলের বীজ এদের পরিপাকতন্ত্র হয়ে বেরিয়ে আসার পর সেই বীজের শতভাগ অঙ্কুরোদগম হয়। অর্থাৎ প্রাকৃতিকভাবে নতুন বন ও বনায়ন সৃষ্টিতে এদের ভূমিকা অতুলনীয়।

তবে আশার কথা হচ্ছে, পাবনার বেড়া উপজেলার কিছু এলাকায় সচেতনতার কারণে এদের বিচরণ এখনো তুলনামূলক ভালো। সেখানকার মানুষ এদের ওপর চড়াও না হয়ে দীর্ঘদিন ধরে সহাবস্থান বজায় রেখেছে। ​প্রকৃতির বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় কোনো প্রাণীকে নির্বিচারে হত্যা করা থেকে বিরত থাকা জরুরি। লোকালয়ে কোনো অচেনা বা বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি টের পেলে আতঙ্কিত না হয়ে বন বিভাগ কিংবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ তাৎক্ষণিক খবর দেওয়াই সচেতন নাগরিকের পরিচয়। গুজবে কান না দিয়ে বিপন্ন গন্ধগোকুলসহ সব অবলা বন্যপ্রাণী রক্ষায় গণসচেতনতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

লেখক: শিক্ষার্থী,তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()