সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮২%বাতাস কিমি/ঘ

পাচারের সময় দুই লজ্জাবতী বানর উদ্ধার

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পাচারের সময় বিপন্ন প্রজাতির দুটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করেছে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। তবে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

পরিবেশ

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পাচারের সময় বিপন্ন প্রজাতির দুটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করেছে বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট। তবে পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে হালুয়াঘাট-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে বানর দুটি উদ্ধার করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন পরিদর্শক অসীম মল্লিক।

বন অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, হালুয়াঘাট-ময়মনসিংহ সড়ক দিয়ে যাত্রীবাহী বাসে করে দুটি বন্যপ্রাণী পাচার করা হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেয় বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের একটি দল।

অভিযানকারী দলের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা বাজারের ব্যাগে থাকা বানর দুটি বাসস্ট্যান্ডের পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরের সামনে ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ব্যাগটি উদ্ধার করে ভেতর থেকে জীবিত দুটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়।

বন অধিদপ্তরের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন পরিদর্শক অসীম মল্লিক জাগো নিউজকে বলেন, বন্যপ্রাণী ধরা, পাচার কিংবা কেনাবেচা সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ। হালুয়াঘাট সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় বন্যপ্রাণী পাচার রোধে এখানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

উদ্ধার করা বানর দুটি পরবর্তী আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

হোসাইন সুলভ/এফএ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()