সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

তীব্র শীতে বোরো ধানের বীজতলা রক্ষায় করণীয়

গ্রামাঞ্চলে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা পড়তে দেখা গেছে। তাই এর কবল থেকে বোরো ধানের বীজতলার চারা রক্ষা করার জন্য এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। এই মুহূর্তে করণীয় সম্পর্কে কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হলো:

ফসল

গ্রামাঞ্চলে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা পড়তে দেখা গেছে। তাই এর কবল থেকে বোরো ধানের বীজতলার চারা রক্ষা করার জন্য এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। এই মুহূর্তে করণীয় সম্পর্কে কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হলো:

১. প্রতিদিন সন্ধ্যায় বীজতলা সেচের পানি দিয়ে ডুবিয়ে রাখতে হবে এবং পরদিন সকালবেলা পানি বের করে দেবেন।

২. চারা গাছে সূর্যের রোদ লাগার ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. বীজতলায় ২-৫ সেন্টিমিটার (০.৭৮ থেকে ২ ইঞ্চি) পানি রাখুন এবং মাঝে মাঝে জমে থাকা পানি বের করে পুনরায় নতুন পানি দিন।

৪. বোরো ধানের বীজতলা প্রতিদিন সকালে একবার পরিদর্শন করতে হবে।

৫. বীজতলার চারা যদি হলুদ হয়ে যায়, তাহলে প্রতি শতাংশ বীজতলার জন্য ২০০ গ্রাম হারে ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করা দরকার এবং এতে হলুদ না কমলে প্রতি শতাংশ বীজতলার জন্য ১০০ গ্রাম হারে জিপসাম সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

৬. বীজতলা পাতা ঝলসানো রোগে আক্রান্ত হলে সকালবেলা রশি টানা দিয়ে চারা থেকে কুয়াশার পানি ফেলে দিতে হবে।

৭. বীজতলায় প্রতি শতাংশের জন্য ৫০ গ্রাম হারে পটাশ সার প্রয়োগ করা প্রয়োজন।

৮. অতিরিক্ত ঠান্ডায় বীজতলায় ছাই ছিটিয়ে তাপমাত্রা ধরে রাখা যায়। কাজেই এ অবস্থায় বীজতলায় ছাই ছেটাতে পারেন।

৯. স্বচ্ছ পলিথিন আবৃত ধানের শুকনা বীজতলা তৈরি করা।

১০. বীজতলা থেকে চারা তোলার এক সপ্তাহ আগে অনুমোদিত হারে কীটনাশক ছেটাতে পারেন। এতে বীজতলার চারা পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাবে।

১১. বিস্তারিত জানার জন্য আপনার কাছের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে, কৃষক পর্যায়ে দাম অপরিবর্তিত

দেশে সরকার নিযুক্ত সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে। সব ধরনের সারে প্রতি কেজিতে এক টাকা কমিশন বাড়িয়ে করা হচ্ছে তিন টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()