সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বনে ফিরে গেলো লজ্জাবতী বানর

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় লোকালয় থেকে উদ্ধার হওয়া বিপন্ন প্রজাতির একটি লজ্জাবতী বানর বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

পরিবেশ

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় লোকালয় থেকে উদ্ধার হওয়া বিপন্ন প্রজাতির একটি লজ্জাবতী বানর বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে মাটিরাঙ্গা রেঞ্জ কর্মকর্তা কার্যালয়ের ঔষধি বাড়িতে প্রাণীটি অবমুক্ত করা হয়।

এসময় রেঞ্জ কর্মকর্তা আতাউর রহমান লস্কর, মাটিরাঙ্গা রেঞ্জের ফরেস্টার তৌহিদুর রহমান লিটন, ফরেস্ট গার্ড আক্কাছ আলী ও ফিরোজ শাহ মানিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে দুপুরের দিকে মাটিরাঙ্গা রেঞ্জের বেলছড়ি পাঞ্জাবি টিলা থেকে লজ্জাবতী বানরটি উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রেঞ্জ কর্মকর্তা আতাউর রহমান লস্কর বলেন, পাঞ্জাবি টিলা এলাকার এক নারী লাকড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে লজ্জাবতী বানরটি লোকালয়ে দেখতে পান। পরে তিনি স্থানীয় বন কর্মকর্তাকে খবর দিলে মাটিরাঙ্গা বন বিভাগের কর্মকর্তারা এসে বানরটি উদ্ধার করেন। পরে বন বিভাগের ঔষধি বাড়িতে এটি অবমুক্ত করা হয়।

খাগড়াছড়ির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ফরিদ মিঞা বলেন, বনজঙ্গল ও গাছপালা উজাড় হওয়ায় প্রায়ই খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে বেরিয়ে এসে স্থানীয়দের হাতে লজ্জাবতী ধরা পড়ে প্রাণ হারাচ্ছে। এসব বন্যপ্রাণীকে রক্ষা করতে হলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয়দেরও সচেতন করতে হবে।

মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এসআর/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()