সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

শুক্রবার জমজমাট বৃক্ষমেলা, ৫০-৬০ লাখ টাকা বিক্রির আশা

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চলমান জাতীয় বৃক্ষমেলায় গাছপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন গাছ কিনতে ও দেখতে।

পরিবেশ

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চলমান জাতীয় বৃক্ষমেলায় গাছপ্রেমী ও দর্শনার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে নানা বয়সী মানুষ ছুটে আসছেন গাছ কিনতে ও দেখতে।

মেলা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত ৪ দিনের লাগাতার বৃষ্টিতে মেলায় তেমন লোকজন হয়নি। আজ শুক্রবার থাকায় ও বৃষ্টি কমে যাওয়ায় মানুষের ভিড় বেড়েছে। এ অবস্থায় আজ ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার বিক্রির আশা করছেন তারা।

শুক্রবার (১১ জুলাই) সরেজমিনে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বৃক্ষামেলা ঘুরে দেখা গেছে, জুমার নামাজের পর থেকে মেলা প্রাঙ্গণে বেড়েছে জনসমাগম। কেউ এসেছেন ইনডোর প্ল্যান্ট কিনতে, কেউ ফুল ও কাঠ, কেউ বা আবার এসেছেন ফলজ ও ঔষধি গাছের খোঁজে। অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরে দেখেছেন বাহারি গাছের সমারোহ।

তরুণদের মধ্যে ইনডোর প্ল্যান্টস, যেমন- মানি প্ল্যান্ট, স্নেক প্ল্যান্ট, সাকুলেন্ট, ক্যাকটাসের প্রতি ছিল বাড়তি আগ্রহ। অন্যদিকে, বয়স্করা খুঁজেছেন লেবু, আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, জামরুলসহ নানা ফলজ গাছ। নারীদের অনেকে কিনছেন চুইঝাল, মশলা, বনজ ও ঔষধি গাছ।

মালিবাগ থেকে গাছ কিনতে এসেছেন আজহারুল ইসলাম। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ঢাকায় ভাড়া থাকি। বাসায় ছোট্ট একটা বারান্দা আছে। একটা লেবু গাছ আর কিছু ইনডোর প্ল্যান্টস নিয়েছি। পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে বাগান করার ইচ্ছা ছিল।

মেলায় নার্সারির মালিক ও বিক্রয়কর্মীরা জাগো নিউজকে জানান, গত কয়েকদিন বৃষ্টিতে মানুষ কম এসেছে। আজ ছুটির দিন, অন্যদিকে বৃষ্টিও নেই। ফলে মানুষের ভিড় বাড়ছে, বেচাকেনাও হচ্ছে।

ইব্রাহিম নার্সারীর ইব্রাহিম হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, আগের চেয়ে বৃক্ষপ্রেমী বাড়ছে। কিন্ত আমাদের শহরে গাছ লাগানোর পর্যাপ্ত জায়গাও নেই। কেউ ছাদেও আলাদা রুম করে ভাড়া দিচ্ছেন, কেউ বা আবার পুরো ছাদ জুড়ে বাগান করছেন। অনেক বৃক্ষপ্রেমী আছেন যাদের গাছ কেনার প্রবল ইচ্ছা। কিন্ত জায়গার অভাবে তারা কিনতে পারছেন না।

মেলার আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের মেলা বিগত কয়েক বছরের তুলনায় বড় পরিসরে হচ্ছে। মানুষের উপস্থিতিও ভালো। বাহারি রকমের গাছে মানুষও আকর্ষিত হচ্ছে। বৃষ্টির বাগড়া না থাকলে এই কয়েকদিনে মেলা জমে উঠবে।

মেলায় বন অধিদপ্তরের লাইব্রেরিয়ান শাহেনা আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের সর্বশেষ হিসেব অনুয়ায়ী ৯ তারিখে ২১ লাখ টাকার গাছ বিক্রি হয়েছে। গত ২৫ জুন থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ৬ লাখ ৬২ হাজার ৫৮১ টি চারা বিক্রি হয়েছে। আজ দর্শনার্থী বেড়েছে। আজকেও আশা করি অনেক গাছ বিক্রি হবে। অনেকে মেলার সময় বাড়ানোর অনুরোধ করছেন। আমাদের কর্তৃপক্ষ পরবর্তীতে এই বিষয়ে জানাবেন।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে মেলা চলাকালীন একজন ডাক্তার রয়েছেন। অনেকে দর্শনার্থী ও বিক্রয়কর্মী অসুস্থ হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জানা গেছে, এবারের মেলায় ১৩৫টি নার্সারি অংশ নিয়েছে। স্টলে স্টলে গাছের পাশাপাশি বিক্রি হচ্ছে মাটি, টব, জৈব সারসহ বাগান করার নানা উপকরণ। পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি- স্লোগান নিয়ে গত ২৫ জুন বৃক্ষমেলা শুরু হয়। আগামী ২৪ জুলাই মেলা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। মেলা চলছে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত।

আরএএস/এএমএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()