সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮২%বাতাস কিমি/ঘ

শরীরে আঘাতের চিহ্ন, বাঁচানো গেলো না হাতিটি

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের খুটাখালী বনবিটের ছনখোলার আগা এলাকায় একটি অসুস্থ বুনো হাতি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

পরিবেশ

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জের খুটাখালী বনবিটের ছনখোলার আগা এলাকায় একটি অসুস্থ বুনো হাতি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

রোববার (১১ জুন) সকালে হাতিটি মারা যায় বলে নিশ্চিত করেছেন ফুলছড়ি রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা ফজলুল কাদের চৌধুরী।

রেঞ্জ কর্মকর্তা ফজলুল কাদের বলেন, শনিবার (১০ জুন) সকালে বনের ভেতরে একটি বুনো হাতি অসুস্থ হয়ে পড়ে ছিল। খবর পেয়ে হাতিটির চিকিৎসা চলছিল। আজ সকালে হাতিটি মারা যায়। পরে ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, স্বাভাবিক না কোনো আঘাতে হাতিটি অসুস্থ হয়েছিল তা সোমবার (১২ জুন) ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে বোঝা যাবে।

তবে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, ২-৩ দিন আগে গোদার ফাঁড়ি ও খুটাখালী ছড়ার পশ্চিম পাশে আমবাগানে হাতিটি এসেছিল। বাগানের মালিক হাতিটি তাড়াতে গুলি চালান। হয়তো গুলির আঘাতে হাতিটি ফের পূর্বদিকে চলে যায়। পরে বনের ভেতরে ব্যথার যন্ত্রণায় অসুস্থ হয়ে পড়ে।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, 'চকরিয়ার বনের এ অংশটাতে এটিসহ ভিন্ন সময়ে একে একে তিনটি হাতির মৃত্যু হয়েছে। এটা অ্যালার্মিং। আজ মারা যাওয়া হাতিটির শরীরেও আঘাতের চিহ্ন পেয়েছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনটা হাতে পেলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।'

সায়ীদ আলমগীর/এসআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()