সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

সাপের ছোঁবলে মৃত্যু, ৩ দিন পর কবর খুঁড়ে জীবিতের চেষ্টায় ওঝার ঝাড়ফুঁক

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিষাক্ত সাপের কামড়ে হাসনা বেগম (৫৮) নামের এক নারীর নিহতের তিন দিন পর তাকে 'জীবিত' করার চেষ্টা করেছেন এক ওঝা। কবরের একপাশ সামান্য খুঁড়ে গন্ধ শুঁকে ওই ওঝা দাবি করেন, লাশে পচন না ধরলে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে তাকে জীবিত করা সম্ভব। এ ঘটনায় এলাকায় কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

পরিবেশ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিষাক্ত সাপের কামড়ে হাসনা বেগম (৫৮) নামের এক নারীর নিহতের তিন দিন পর তাকে 'জীবিত' করার চেষ্টা করেছেন এক ওঝা। কবরের একপাশ সামান্য খুঁড়ে গন্ধ শুঁকে ওই ওঝা দাবি করেন, লাশে পচন না ধরলে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে তাকে জীবিত করা সম্ভব। এ ঘটনায় এলাকায় কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।

হাসনা বেগম সখীপুর উপজেলার হতেয়া-ভাতকুড়াচালা এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। তার বাবা মৃত ওয়াজেদ আলী। তিনি স্বামী পরিত্যক্তা ছিলেন।

গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিষাক্ত সাপে কামড় দেওয়ার পর স্বজনেরা তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইসিজি করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে উপজেলার চতলবাইদ গ্রামে তার মেয়ে খালেদা বেগমের বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে হাসনা বেগমকে দাফন করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, সাপে কাটার খবর পেয়ে বাসাইল উপজেলার কৈলানপুর গ্রামের গাজী মিয়া নামের এক ওঝা সেখানে আসেন। তিনি দাবি করেন, হাসনা বেগম মারা যাননি। শনিবার (১৫ আগস্ট) তিনি কবরের একপাশে সামান্য সুড়ঙ্গের মতো করে মাটি খুঁড়ে সেখানে গন্ধ শুঁকে দেখেন। পরে দাবি করেন, তিনি তেলের গন্ধ পেয়েছেন। তার এ দাবিতে উৎসুক কয়েকজন মানুষও কবরের পাশে গিয়ে গন্ধ শোঁকার চেষ্টা করেন।

ওই ওঝা হাসনা বেগমের মেয়ে খালেদা বেগমকে বলেন, আগামী মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তিনি আবার কবরের পাশে আসবেন। তখন কবরের গন্ধ শুঁকে যদি দুর্গন্ধ না পাওয়া যায়, তাহলে মরদেহ উত্তোলন করে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে সাপের বিষ নামিয়ে তাকে জীবিত করা সম্ভব। তবে লাশে পচন ধরে গেলে আর তাকে জীবিত করা সম্ভব হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।

খালেদা বেগম বলেন, শনিবার আমার মধ্যে আশার সৃষ্টি হয়েছিল। মাকে আবার জীবিত পাওয়ার আশায় অপেক্ষাও করছিলাম। কিন্তু আধা ঘণ্টা আগে ওই ওঝা আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, রাতে ধ্যানে বসে তিনি দেখেছেন মা বেঁচে নেই। এখন আশাহত হলাম।

শনিবার কবরের পাশে ওঝার ঝাড়ফুঁক ও গন্ধ শোঁকার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়।

ওঝা গাজী মিয়া বলেন, গতকাল তিনি জীবিত ছিলেন। এখন ওই রোগীকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তিনি চলে গেছেন। এর বেশি কিছু বলতে তিনি রাজি হননি।

সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন বলেন, এটা একটি অকল্পনীয় বিষয়। একজন মৃত ব্যক্তিকে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেছেন এবং তাকে কবরও দেওয়া হয়েছে। এরপর ওই নারী আবার বেঁচে উঠবেন এমন দাবি হাস্যকর ও অকল্পনীয়। ওই ওঝাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, সাপে কাটার পর কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে কবর দেওয়ার পর ঝাড়ফুঁক করে জীবিত করার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এ ধরনের প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে সাপে কাটার পর দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এছাড়াও সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত এন্টি ভেনম ভ্যাকসিন রয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান/এসজেডএইচ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()