সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

সাপ ধরার কৌশল প্রদর্শনীতে কর্মকর্তার মৃত্যু

সাপ ধরার কৌশল প্রদর্শনের সময় কিং কোবরার কামড়ে এক বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। মালয়েশিয়ার তেমেরলোহে স্থানীয় একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে সাপটি ধরার কৌশল দেখানোর সময় তাকে কামড় দেয়।

পরিবেশ

সাপ ধরার কৌশল প্রদর্শনের সময় কিং কোবরার কামড়ে এক বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। মালয়েশিয়ার তেমেরলোহে স্থানীয় একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে সাপটি ধরার কৌশল দেখানোর সময় তাকে কামড় দেয়।

মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম বিএইচের প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত কর্মকর্তা সার্জেন্ট মুহাম্মাদ মুজাম শাহ কামারদিনের বয়স ৩৯ বছর। সুলতান হাজি আহমাদ শাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

পাহাং সিভিল ডিফেন্স ফোর্সের পরিচালক কর্নেল চে আদাম এ রহমান জানান, নিহতের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার পর কামপুং বুকিত কেলুলুত মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে সেখানকার মুসলিম কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

মুহাম্মাদ মুজাম শাহ অবিবাহিত ছিলেন। তার এক বড় বোন রয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটের দিকে তেমেরলোহ জায়ার দেওয়ান তামান এলাকায়। সরকারি একটি দেশব্যাপী স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সিভিল ডিফেন্স ফোর্সের সদস্যরা সাপ ধরার কৌশল প্রদর্শন করছিলেন। ওই সময় একটি কিং কোবরা তার ডান হাতের মধ্যম আঙুলে কামড় দেয়।

কামড়ের পর মুজাম শাহ অনুষ্ঠানস্থল থেকে বেরিয়ে গিয়ে হাত ধুতে শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি বাইরে পড়ে যান।

পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালের সংকটাপন্ন রোগীদের জন্য নির্ধারিত 'রেড জোনে' ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সূত্র: মালয় মেইল

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()