সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮২%বাতাস কিমি/ঘ

শ্রীমঙ্গলে বিরল প্রজাতির ‌‘সাইবোল্ড’স ওয়াটার স্নেক উদ্ধার

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিরল প্রজাতির 'সাইবোল্ড'স ওয়াটার স্নেকের একটি বাচ্চা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

পরিবেশ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিরল প্রজাতির 'সাইবোল্ড'স ওয়াটার স্নেকের একটি বাচ্চা উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কুঞ্জবন গ্রাম থেকে অক্ষত অবস্থায় সাপটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে গ্রামের একটি স্থানে সাপের বাচ্চাটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় শিক্ষক একরামুল কবিরের মাধ্যমে খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও রাজদীপ দেব দীপ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন।

প্রাথমিকভাবে সাপটির প্রজাতি শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়ায় শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। পরে সাপটির সঠিক পরিচয় নিশ্চিত ও বিস্তারিত গবেষণার জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগে পাঠানো হয়েছে। পরে তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেন, উদ্ধার করা সাপটি 'সাইবোল্ড'স ওয়াটার স্নেক'।

এটি অত্যন্ত বিরল প্রজাতির একটি নির্বিষ জলচর সাপ। বাংলায় এ সাপের নির্দিষ্ট কোনো নাম নেই। দেশে রংপুর ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলে এ প্রজাতির সাপ কদাচিৎ দেখা যায়।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হক বলেন, উদ্ধার করা সাপটির প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাহিদুল ইসলাম/এসআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()