সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৫৫%বাতাস ৫ কিমি/ঘ

নেপালের বন্যায় ১,৮০০ হেক্টর ধান নষ্ট, মারা গেছে হাজারো গবাদিপশু

ভোটে কোশি-ত্রিশূলী নদী অববাহিকার বন্যায় প্রায় ১,৮০০ হেক্টর ফসল নষ্ট হয়েছে এবং উৎপাদন ক্ষতি ৭,৭০০ টনের কাছাকাছি বলে এফএওর প্রাথমিক মূল্যায়নে উঠে এসেছে।

গত ২৬ আগস্ট ২০২৬ নেপালের ভোটে কোশি-ত্রিশূলী নদী অববাহিকায় আকস্মিক বন্যায় এক হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) প্রাথমিক মূল্যায়ন বলছে, এই বন্যায় প্রায় ১,৮০০ হেক্টর ফসল, যার বেশির ভাগই ধান, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং উৎপাদন ক্ষতি ৭,৭০০ টনের কাছাকাছি।

মারা গেছে হাজার হাজার গবাদিপশু। ক্ষতিগ্রস্ত ১১টি পৌরসভায় ৩ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি গরু, মহিষ, ভেড়া ও ছাগল এবং ১৬ লাখ হাঁস-মুরগি ছিল। এফএওর হিসাব, এসব এলাকার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির ৫ থেকে ১০ শতাংশ পুরোপুরি হারিয়ে গেছে।

এফএওর উপমহাপরিচালক বেথ বেকডল বলেন, “এই দুর্যোগ বহু পরিবারের খাবার জোগাড় আর আয়ের উপায়টিকেও ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। ফসল চাপা পড়েছে কাদা ও পলির নিচে। মাছের পুকুর ভেসে গেছে; সড়ক, সেতু ও বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় খাদ্য, গোখাদ্য, দুধ ও কৃষি উপকরণের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।”

তাৎক্ষণিক চাহিদাগুলো সুনির্দিষ্ট, কৃষকের জন্য বীজ, বেঁচে যাওয়া পশুর জন্য খাদ্য ও চিকিৎসা, আর টিকা ও রোগ নজরদারি; কারণ এ ধরনের বন্যার পর পশুর রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পশুচিকিৎসকসহ জরুরি দল পাঠিয়েছে এফএও এবং আহত পশুর চিকিৎসায় ওষুধ সরবরাহ করেছে।

বেকডল বলছেন, এখানে দুটি ঘড়ি একসঙ্গে চলছে। প্রথমটি জরুরি ত্রাণের, বিশুদ্ধ পানি, খাবার, আশ্রয় ও পয়ঃনিষ্কাশন, এবং ৪১টি সেতু ধ্বংস ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো। দ্বিতীয় ঘড়িটি চাষের পঞ্জিকা। তাঁর ভাষায়, “রোপণের মৌসুম কোনো পুনর্বাসন পরিকল্পনার জন্য অপেক্ষা করে না।”

জমি নিজেই এখন সমস্যার অংশ। স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ফসলি জমি কাদা ও পলির নিচে চাপা পড়েছে, সেই সঙ্গে ভাঙন ও পলি জমার হারও বেশি। বেকডল বলেন, পুনরুদ্ধার মানে কেবল বীজ বদলে দেওয়া নয়, কোন জমি আবার চাষের উপযোগী তা নির্ধারণ, মাটি ঠিক করা, নিষ্কাশন ও সেচব্যবস্থা মেরামত এবং পরের ফসলের জন্য কৃষককে প্রস্তুত করা। “কৃষক যদি পরের রোপণ মৌসুম হারান, এই বন্যার প্রভাব আরও অনেক দিন থেকে যাবে।”

নেপাল সরকারের অনুরোধে কৃষিক্ষেত্রের ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়নের নেতৃত্ব দিচ্ছে এফএও। মাঠপর্যায়ের জরিপের সঙ্গে স্যাটেলাইট ও রিমোট সেন্সিং তথ্য মিলিয়ে কাজটি করা হচ্ছে, যাতে অনুমান নয়, মাপা ক্ষতির ভিত্তিতে পুনর্বাসন পরিকল্পনা হয়। বেকডলের কথায়, “আমাদের শুধু জানলে চলবে না বন্যা কোথায় গিয়েছিল, জানতে হবে সে কী কী নিয়ে গেছে, আর আবার উৎপাদনে ফিরতে কৃষকের কী দরকার।”

সূত্র: এফএও নিউজরুম

এফএও নিউজরুমসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
জৈব

প্রাকৃতিক কৃষিচর্চায় পাবনায় আট কৃষক ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা

নিরাপদ খাদ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে অবদানের জন্য পাবনার আমিনপুরে বিকে ফাউন্ডেশন আটজন কৃষক ও প্রতিষ্ঠানকে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট দিয়েছে।

এগ্রিকেয়ার২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)